পরিচিতজনের আমন্ত্রণে ছোট ভাইকে নিয়ে বেড়াতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন মো. আব্দুস সামাদ (২৩)। অভিযোগ উঠেছে, বাড়িতে ডেকে নিয়ে তাকে ঘরে আটকে রেখে ছোট ভাইকে নিয়ে যান কয়েকজন। পরে ভাইকে ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
এ সময় নগদ টাকা, দুটি মোবাইল ফোন ও মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও উঠেছে। ঘটনাটি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গিমাডাঙ্গা বঙ্গবন্ধু গেট এলাকায়। এ ঘটনায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে টুঙ্গিপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী আব্দুস সামাদ। অভিযুক্তরা হলেন- জেলি বেগম (৪৫), সাব্বির শেখ (২৫), সবুজ শেখ (২৮), দুখু শেখ (২২) ও আমেনা আক্তার সাথী (৩০)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ নভেম্বর রাত ৭টার দিকে জেলি বেগমের আমন্ত্রণে ছোট ভাই ফয়সলকে নিয়ে তার বাড়িতে যান সামাদ। সেখানে পৌঁছানোর পর তার মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে তাকে একটি ঘরে আটকে রাখা হয়। এ সময় তার পকেট থেকে ৫ হাজার ৭০০ টাকা নিয়ে যান দুখু শেখ। পরে সাব্বির ও দুখু তার ছোট ভাই ফয়সল এবং মোটরসাইকেল নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে চলে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
সামাদের দাবি, ভাইকে ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। একপর্যায়ে ৫ নভেম্বর রাত সাড়ে ১২টার দিকে কৌশলে ঘর থেকে বের হয়ে তিনি থানায় অভিযোগ করেন। এ ছাড়া প্রায় এক লাখ টাকা মূল্যের দুটি মোবাইল ফোন এবং এক লাখ ৯০ হাজার টাকা মূল্যের মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন তিনি। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ছোট ভাই ফয়সলকে দ্রুত উদ্ধার, মালামাল ফেরত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
টুঙ্গিপাড়া থানার ওসি আইয়ুব আলী বলেন, বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত জেলি বেগমকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





















