আজ শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক, ১৪৩৩ | ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
২৭°C
সর্বোচ্চ: ৩১°C
সর্বনিম্ন: ২৩°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ০%

কেরানীগঞ্জে ৬৮ পরিবারকে ৩টি করে ভেড়া ও খাবার প্রদান

  • MIT ERP
  • Update Time : 07:10:16 pm, Friday, 6 November 2026
  • 12

কেরানীগঞ্জে ৬৮ পরিবারকে ৩টি করে ভেড়া ও খাবার প্রদান

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

ঢাকার কেরানীগঞ্জে নদীবিধৌত চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্যে ৬৮টি পরিবারের মাঝে ভেড়া ও খাবার বিতরণ করা হয়েছে। ‘৭টি জেলার নদীবিধৌত চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের’ আওতায় প্রত্যেক উপকারভোগীকে ৩টি করে ভেড়া ও ২৫ কেজি করে ভেড়ার খাবার দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব ভেড়া ও খাবার বিতরণ করা হয়। কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মন্ত্রী, ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব আমান উল্লাহ আমান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বাসনা আখতার। এ সময় কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আবদুস সাত্তারসহ উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ঢাকা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বাসনা আখতার বলেন, জনজীবনের উন্নয়ন এবং উপকারভোগী পরিবারগুলোর আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তনের লক্ষ্যেই এ প্রকল্পের আওতায় ভেড়া বিতরণ করা হয়েছে।

শুধু ভেড়া বিতরণ করেই দায়িত্ব শেষ করা হয়নি, সেগুলোর সঠিক লালন-পালন ও পরিচর্যার সুবিধার্থে প্রত্যেক পরিবারকে ২৫ কেজি করে খাবারও দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে পরিবারগুলো ভেড়া পালন করে বাড়তি আয়ের সুযোগ পাবে এবং ধীরে ধীরে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারবে বলে আমরা আশা করছি। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, নদীবিধৌত চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রাণিসম্পদ পালনের মাধ্যমে আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

বিশেষ করে গ্রামীণ ও চরাঞ্চলের পরিবারগুলোকে গবাদিপশু পালনে উৎসাহিত করার মাধ্যমে তাদের বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব হবে। স্থানীয় পর্যায়ে ভেড়া পালনের উপযোগী পরিবেশ থাকায় এ উদ্যোগ উপকারভোগী পরিবারগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদি আয়ের পথ তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি পরিবারের পুষ্টির চাহিদা পূরণ ও আর্থসামাজিক উন্নয়নেও এ প্রকল্প ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

কোস্ট গার্ডের জাহাজের নাম পরিবর্তনের কারণ জানালেন জুলকারনাইন সায়ের

কেরানীগঞ্জে ৬৮ পরিবারকে ৩টি করে ভেড়া ও খাবার প্রদান

Update Time : 07:10:16 pm, Friday, 6 November 2026

ঢাকার কেরানীগঞ্জে নদীবিধৌত চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্যে ৬৮টি পরিবারের মাঝে ভেড়া ও খাবার বিতরণ করা হয়েছে। ‘৭টি জেলার নদীবিধৌত চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের’ আওতায় প্রত্যেক উপকারভোগীকে ৩টি করে ভেড়া ও ২৫ কেজি করে ভেড়ার খাবার দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব ভেড়া ও খাবার বিতরণ করা হয়। কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মন্ত্রী, ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব আমান উল্লাহ আমান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বাসনা আখতার। এ সময় কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আবদুস সাত্তারসহ উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ঢাকা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বাসনা আখতার বলেন, জনজীবনের উন্নয়ন এবং উপকারভোগী পরিবারগুলোর আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তনের লক্ষ্যেই এ প্রকল্পের আওতায় ভেড়া বিতরণ করা হয়েছে।

শুধু ভেড়া বিতরণ করেই দায়িত্ব শেষ করা হয়নি, সেগুলোর সঠিক লালন-পালন ও পরিচর্যার সুবিধার্থে প্রত্যেক পরিবারকে ২৫ কেজি করে খাবারও দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে পরিবারগুলো ভেড়া পালন করে বাড়তি আয়ের সুযোগ পাবে এবং ধীরে ধীরে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারবে বলে আমরা আশা করছি। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, নদীবিধৌত চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রাণিসম্পদ পালনের মাধ্যমে আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

বিশেষ করে গ্রামীণ ও চরাঞ্চলের পরিবারগুলোকে গবাদিপশু পালনে উৎসাহিত করার মাধ্যমে তাদের বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব হবে। স্থানীয় পর্যায়ে ভেড়া পালনের উপযোগী পরিবেশ থাকায় এ উদ্যোগ উপকারভোগী পরিবারগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদি আয়ের পথ তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি পরিবারের পুষ্টির চাহিদা পূরণ ও আর্থসামাজিক উন্নয়নেও এ প্রকল্প ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।