আজ বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
১৬ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
৩৫°C
সর্বোচ্চ: ৩৫°C
সর্বনিম্ন: ২৮°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৮৪%

সিঙ্গাপুর ম্যাথ চ্যালেঞ্জে অংশ নিলেন চট্টগ্রামের সাড়ে ১৬শ শিক্ষার্থী

  • MIT ERP
  • Update Time : 11:25:15 am, Thursday, 1 October 2026
  • 13

সিঙ্গাপুর ম্যাথ চ্যালেঞ্জে অংশ নিলেন চট্টগ্রামের সাড়ে ১৬শ শিক্ষার্থী

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

শিক্ষার্থীদের গণিতের প্রতি আগ্রহী করে তোলা, যুক্তি ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বিকাশের লক্ষ্যে চিটাগাং গ্রামার স্কুলে অনুষ্ঠিত হয়েছে সিঙ্গাপুর ম্যাথ চ্যালেঞ্জ (এসএমসি)-২০২৬ এর ন্যাশনাল রাউন্ড।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) চিটাগাং গ্রামার স্কুলের ন্যাশনাল কারিকুলামসহ চারটি ক্যাম্পাসে সিঙ্গাপুরের গণিত পাঠ্যক্রমভিত্তিক এই ব্যতিক্রমী অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হয়। এতে কিন্ডারগার্টেন থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সাড়ে ১৬শ শিক্ষার্থী ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিয়াডস বাংলাদেশের মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। এই অলিম্পিয়াডের মূল আয়োজক সিঙ্গাপুর ইন্টারন্যশনাল মাস্টারি কনটেস্ট সেন্টার।

এই প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ‘সিঙ্গাপুর ম্যাথ গ্লোবাল ফাইনালস’-এ অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। চিটাগাং গ্রামার স্কুলের প্রতিযোগিতা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে বক্তব্য রাখেন ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিয়াডস বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. তানভীরুল হক, চিটাগাং গ্রামার স্কুলের (আপার স্কুল) প্রধান রুবাইনা মাহমুদ চৌধুরী ও এনসি প্রধান তহসিন খান।

উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিয়াডস বাংলাদেশের কো-অর্ডিনেটর আব্দুল্লাহ আল বারী (অভি), প্রধান কো-অর্ডিনেটর (আপার স্কুল) সুমন কানুনগো, সমন্বয়কারী (মিডল স্কুল) আসিফ আহমেদ মামুন, সমন্বয়কারী (লোয়ার স্কুল) মোহাম্মদ আলী আরমান, সমন্বয়কারী (এনসি) পলাশ বড়ুয়া প্রমুখ। ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিয়াডস বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. তানভীরুল হক বলেন, সিঙ্গাপুর ম্যাথ চ্যালেঞ্জ শিক্ষার্থীদের গণিতের ধারণা, যুক্তি ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বিকাশে উৎসাহিত করে।

এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং বৈশ্বিক পরিসরে নিজেদের সক্ষমতা যাচাই করতে সহায়তা করে। চিটাগাং গ্রামার স্কুলের আপার স্কুল প্রধান রুবাইনা মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এ ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের গণিতকে নতুনভাবে ভাবতে, যুক্তি প্রয়োগ করতে এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা গড়ে তুলতে উৎসাহিত করে।

এসএমসিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক পরিসরের প্রতিযোগিতার অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর: মুখ খুললেন সোহেল তাজ

সিঙ্গাপুর ম্যাথ চ্যালেঞ্জে অংশ নিলেন চট্টগ্রামের সাড়ে ১৬শ শিক্ষার্থী

Update Time : 11:25:15 am, Thursday, 1 October 2026

শিক্ষার্থীদের গণিতের প্রতি আগ্রহী করে তোলা, যুক্তি ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বিকাশের লক্ষ্যে চিটাগাং গ্রামার স্কুলে অনুষ্ঠিত হয়েছে সিঙ্গাপুর ম্যাথ চ্যালেঞ্জ (এসএমসি)-২০২৬ এর ন্যাশনাল রাউন্ড।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) চিটাগাং গ্রামার স্কুলের ন্যাশনাল কারিকুলামসহ চারটি ক্যাম্পাসে সিঙ্গাপুরের গণিত পাঠ্যক্রমভিত্তিক এই ব্যতিক্রমী অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হয়। এতে কিন্ডারগার্টেন থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সাড়ে ১৬শ শিক্ষার্থী ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিয়াডস বাংলাদেশের মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। এই অলিম্পিয়াডের মূল আয়োজক সিঙ্গাপুর ইন্টারন্যশনাল মাস্টারি কনটেস্ট সেন্টার।

এই প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ‘সিঙ্গাপুর ম্যাথ গ্লোবাল ফাইনালস’-এ অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। চিটাগাং গ্রামার স্কুলের প্রতিযোগিতা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে বক্তব্য রাখেন ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিয়াডস বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. তানভীরুল হক, চিটাগাং গ্রামার স্কুলের (আপার স্কুল) প্রধান রুবাইনা মাহমুদ চৌধুরী ও এনসি প্রধান তহসিন খান।

উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিয়াডস বাংলাদেশের কো-অর্ডিনেটর আব্দুল্লাহ আল বারী (অভি), প্রধান কো-অর্ডিনেটর (আপার স্কুল) সুমন কানুনগো, সমন্বয়কারী (মিডল স্কুল) আসিফ আহমেদ মামুন, সমন্বয়কারী (লোয়ার স্কুল) মোহাম্মদ আলী আরমান, সমন্বয়কারী (এনসি) পলাশ বড়ুয়া প্রমুখ। ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিয়াডস বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. তানভীরুল হক বলেন, সিঙ্গাপুর ম্যাথ চ্যালেঞ্জ শিক্ষার্থীদের গণিতের ধারণা, যুক্তি ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বিকাশে উৎসাহিত করে।

এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং বৈশ্বিক পরিসরে নিজেদের সক্ষমতা যাচাই করতে সহায়তা করে। চিটাগাং গ্রামার স্কুলের আপার স্কুল প্রধান রুবাইনা মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এ ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের গণিতকে নতুনভাবে ভাবতে, যুক্তি প্রয়োগ করতে এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা গড়ে তুলতে উৎসাহিত করে।

এসএমসিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক পরিসরের প্রতিযোগিতার অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে।