আজ সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
২ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ০৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি
৩০°C
সর্বোচ্চ: ৩০°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ১০০%

সেপ্টেম্বরেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুরের ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

  • MIT ERP
  • Update Time : 01:06:55 pm, Monday, 17 August 2026
  • 13

সেপ্টেম্বরেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুরের ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

দেশের বিদ্যুৎ খাতে স্বস্তির খবর নিয়ে আসছে পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে, আগামী সেপ্টেম্বর মাসেই এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে যাচ্ছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে এখান থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ মিলবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে বিদ্যুৎকেন্দ্রে এখন জোরেশোরে চলছে শেষ মুহূর্তের কারিগরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা। পরীক্ষামূলক সরবরাহ সফল হলে পরবর্তী কয়েক মাসের মধ্যেই ইউনিটটি পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে, যা দেশের সামগ্রিক জ্বালানি নিরাপত্তায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।

এরই মধ্যে প্রথম ইউনিটের চুল্লিতে ইউরেনিয়াম জ্বালানি প্রবেশ করানো হয়েছে। দুই ধাপে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে শতাধিক পরীক্ষা। বাকি পরীক্ষাগুলোও পর্যায়ক্রমে শেষ করা হচ্ছে। প্রতিটি ধাপ যাচাই-বাছাই শেষে অনুমোদন দিচ্ছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। একবার চালু হলে কেন্দ্রটি ২৪ ঘণ্টাই নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারবে।

একবার জ্বালানি লোড করার পর প্রায় ১৮ মাস বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। এরপর নতুন জ্বালানি দিতে একটি ইউনিট সর্বোচ্চ প্রায় দুই মাস বন্ধ থাকতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, ‘নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ অন্য বিদ্যুতের তুলনায় অনেক বেশি নির্ভুল ও স্থিতিশীল গ্রিডের মাধ্যমে সরবরাহ করতে হয়।

তাই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে যে জাতীয় গ্রিড যুক্ত হবে, সেটির সক্ষমতা যথেষ্ট শক্তিশালী হতে হবে। গ্রিডে যাতে সামান্যতম সমস্যাও না হয় এবং বিদ্যুৎ সঞ্চালনে কোনো বাধা না আসে, সে জন্য পিডিবি, পিজিসিবিসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কাজ করছে সরকার। ’ প্রকল্প সূত্র জানায়, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটের চুল্লিতে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় ইউরেনিয়াম জ্বালানি সংযোজন (লোড) করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে দুই ধাপে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে শতাধিক জটিল প্রযুক্তিগত পরীক্ষা। বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ের স্পর্শকাতর ও সংবেদনশীল যান্ত্রিক ধাপগুলো ধাপে ধাপে সম্পন্ন করছেন প্রকৌশলীরা। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি ধাপ সূক্ষ্মভাবে যাচাই-বাছাইয়ের পর অনুমোদন দিচ্ছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা)।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

দেবীগঞ্জে কিশোর অপরাধ, মাদক ও স্মার্টফোন আসক্তিকে লাল কার্ড দেখাল শিক্ষার্থীরা

সেপ্টেম্বরেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুরের ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

Update Time : 01:06:55 pm, Monday, 17 August 2026

দেশের বিদ্যুৎ খাতে স্বস্তির খবর নিয়ে আসছে পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে, আগামী সেপ্টেম্বর মাসেই এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে যাচ্ছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে এখান থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ মিলবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে বিদ্যুৎকেন্দ্রে এখন জোরেশোরে চলছে শেষ মুহূর্তের কারিগরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা। পরীক্ষামূলক সরবরাহ সফল হলে পরবর্তী কয়েক মাসের মধ্যেই ইউনিটটি পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে, যা দেশের সামগ্রিক জ্বালানি নিরাপত্তায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।

এরই মধ্যে প্রথম ইউনিটের চুল্লিতে ইউরেনিয়াম জ্বালানি প্রবেশ করানো হয়েছে। দুই ধাপে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে শতাধিক পরীক্ষা। বাকি পরীক্ষাগুলোও পর্যায়ক্রমে শেষ করা হচ্ছে। প্রতিটি ধাপ যাচাই-বাছাই শেষে অনুমোদন দিচ্ছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। একবার চালু হলে কেন্দ্রটি ২৪ ঘণ্টাই নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারবে।

একবার জ্বালানি লোড করার পর প্রায় ১৮ মাস বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। এরপর নতুন জ্বালানি দিতে একটি ইউনিট সর্বোচ্চ প্রায় দুই মাস বন্ধ থাকতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, ‘নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ অন্য বিদ্যুতের তুলনায় অনেক বেশি নির্ভুল ও স্থিতিশীল গ্রিডের মাধ্যমে সরবরাহ করতে হয়।

তাই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে যে জাতীয় গ্রিড যুক্ত হবে, সেটির সক্ষমতা যথেষ্ট শক্তিশালী হতে হবে। গ্রিডে যাতে সামান্যতম সমস্যাও না হয় এবং বিদ্যুৎ সঞ্চালনে কোনো বাধা না আসে, সে জন্য পিডিবি, পিজিসিবিসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কাজ করছে সরকার। ’ প্রকল্প সূত্র জানায়, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটের চুল্লিতে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় ইউরেনিয়াম জ্বালানি সংযোজন (লোড) করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে দুই ধাপে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে শতাধিক জটিল প্রযুক্তিগত পরীক্ষা। বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ের স্পর্শকাতর ও সংবেদনশীল যান্ত্রিক ধাপগুলো ধাপে ধাপে সম্পন্ন করছেন প্রকৌশলীরা। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি ধাপ সূক্ষ্মভাবে যাচাই-বাছাইয়ের পর অনুমোদন দিচ্ছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা)।