কক্সবাজারের টেকনাফে ৩০ হাজার ইয়াবা ছিনতাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কথিত তিন মাদক বাহকের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মোক্তার নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন এবং অপর দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের পানখালী ভিলেজারপাড়া এলাকা থেকে মোক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত মোক্তার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের দৈংগ্যাকাটা এলাকার বাসিন্দা। একই এলাকা থেকে একজন সিএনজিচালক ও তুলাতলী এলাকার ইলিয়াস নামে অপর একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাঁরা তিনজন মিয়ানমার থেকে আনা ৩০ হাজার ইয়াবার বাহক হিসেবে কাজ করছিলেন।
ওই চালানের প্রকৃত মালিকের কাছে ইয়াবাগুলো পৌঁছে দেওয়ার পথে অন্য একটি গ্রুপ তাঁদের কাছ থেকে চালানটি ছিনিয়ে নিয়ে যায় বলে তাঁরা দাবি করেন। তাঁদের অভিযোগ, ছিনতাই হওয়া ইয়াবা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁদের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। এতে মোক্তারের মৃত্যু হয় এবং অপর দুজন গুরুতর আহত হন। তবে কারা তাঁদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে, কিংবা কারা ইয়াবার চালানটি ছিনিয়ে নিয়ে আত্মসাৎ করেছে, সে বিষয়ে আহতরা নিশ্চিত কোনো তথ্য দেয়নি ফলে পুরো ঘটনাটি নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে, একজনের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পেছনে কারা জড়িত এবং ইয়াবার চালান ছিনতাই ও নির্যাতনের অভিযোগের সত্যতা কতটুকু, তা তদন্তের মাধ্যমে উদ্‌ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।





















