চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেলায় কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদকবিরোধী অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ৯৭৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সময়ে কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৫১৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
তাঁদের মধ্যে ৩৬০ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৫৭ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) পরিচালিত অভিযানের এসব তথ্য শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম রেঞ্জ কার্যালয় থেকে জানানো হয়। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ৯৭৮ জনের মধ্যে নিয়মিত মামলায় ৬০ জন, পূর্ববর্তী মামলায় ৪৮ জন, পুলিশ আইনের ৩৪ ধারায় ৫১ জন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় আটজন রয়েছেন।
এ ছাড়া ১৫১ ধারা ও অন্যান্য আইনে ৭০ জন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানামূলে ১৩৩ জন এবং সাজা পরোয়ানামূলে ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাদকসংক্রান্ত অপরাধে গ্রেপ্তার হয়েছেন ১১৫ জন। গ্রেপ্তার মাদকসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে মাদক বহনের অভিযোগে চারজন, মাদক সেবনের অভিযোগে ৬৭ জন এবং মাদক ব্যবসার অভিযোগে ৪৪ জন রয়েছেন। মাদকবিরোধী অভিযানে ৩৫ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ৩৩টি মাদক মামলা করা এবং ৭ হাজার ৬১০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। অভিযানে ৫ হাজার ২৫৭টি ইয়াবা বড়ি, ৫১ কেজি ৬৪০ গ্রাম গাঁজা, ১১৬ লিটার চোলাই মদ, ৭০ বোতল বিদেশি মদ এবং ১০৯টি ট্যাপেন্টাডল বড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি সংগঠনের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে চাঁদপুরে একজন, নোয়াখালীতে দুজন, লক্ষ্মীপুরে একজন, ফেনীতে একজন এবং খাগড়াছড়িতে দুজন রয়েছেন।
কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে সবচেয়ে বেশি ২৩৬ জনকে আটক করা হয়েছে কুমিল্লা থেকে। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ৯৮, লক্ষ্মীপুরে ৩৫, ফেনীতে ৩৪, চাঁদপুরে ২৮, নোয়াখালীতে ২৪, রাঙামাটিতে ১৫, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৪, খাগড়াছড়িতে ১২, কক্সবাজারে ১৬ এবং বান্দরবানে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। আটক ৫১৭ জনের মধ্যে ৩৬০ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বাকি ১৫৭ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।












