চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ ফল জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী।
তবে ফলাফলের একটি উদ্বেগজনক দিক হলো, দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট পরীক্ষাকেন্দ্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠিয়েও ফল জানার সুযোগ দেওয়া হয়।
এর আগে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেন।
প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ পাস করেছেন। তাঁদের মধ্যে ৪০ হাজার ৮৪ জন জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। অন্যদিকে, ২৯৩টি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণকারী সব শিক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছেন। ফল প্রকাশের পর উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেলেও অকৃতকার্যদের মধ্যে নেমে এসেছে হতাশা।
বিশেষ করে ২৯৩টি প্রতিষ্ঠানে একজন শিক্ষার্থীও পাস না করার বিষয়টি উদ্বেগ তৈরি করেছে। শিক্ষাসংশ্লিষ্টদের কাছে এসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার মান, পাঠদান পদ্ধতি এবং সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রমের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।















