আজ শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১১ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ১৩ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
৩০°C
সর্বোচ্চ: ৩৩°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৮০%

সরকার নির্ধারিত দামে মিলছে না এলপিজি সিলিন্ডার

  • MIT ERP
  • Update Time : 06:47:34 pm, Saturday, 26 September 2026
  • 9

সরকার নির্ধারিত দামে মিলছে না এলপিজি সিলিন্ডার

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের সরকার নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা হলেও, বিক্রি হচ্ছে ২১০০ থেকে ২২০০ টাকায়। আবার, বাড়তি দামেও পাচ্ছেন না অনেক ভোক্তা। বিক্রেতাদের অভিযোগ, সরবরাহ কম থাকায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকেই তারা বেশি দামে কিনছেন। যদিও, কোম্পানিগুলো বলছে, মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বেড়েছে এলপিজির কাঁচামালের দাম ও জাহাজ ভাড়া। এতে সরবরাহেও ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

দেশের চাহিদার মোট এলপিজির ৮০ শতাংশই ব্যবহার হয় রান্নার কাজে। বাসা বাড়িতে পাইপলাইনে গ্যাস সংকটে আরও বেড়েছে এলপিজির চাহিদা।

সেপ্টেম্বরের জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিইআরসির ঘোষিত ১২ কেজি এলপিজির দাম ১৫৮৫ টাকা হলেও, বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২১০০ টাকারও বেশি দরে। অর্থাৎ, বাড়তি প্রায় ৬০০ টাকা গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

এলপিজি ডিলাররা বলছেন, চলতি মাসে বসুন্ধরা, সান, ডেল্টা, আইগ্যাস, জি-গ্যাস নতুন করে এলপিজি সিলিন্ডারের অর্ডার নিচ্ছে না। ওমেরা ও ফ্রেশ কোম্পানি এলপিজির অর্ডার নিলেও, সরবরাহ করতে সময় নিচ্ছে ৩ থেকে ৭ দিন পর্যন্ত। এতে নিয়মিত চাহিদার চেয়ে ৩০ শতাংশ সরবরাহ ঘাটতি থেকে যাচ্ছে।

মেঘনা ফ্রেশ এলপিজির চিফ মার্কেটিং অফিসার আবু সাঈদ রাজা বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে এলপিজির আমদানি খরচ বেড়ে গেছে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে জাহাজের ভাড়াসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ।’

বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের বাজার স্বাভাবিক করতে হলে, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের সমাধান জরুরি। তবে, অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি বন্ধে নিয়মিত বাজার ও মিল পর্যায়ে তদারকির তাগিদ তাদের।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

চট্টগ্রামে ট্রেনের ধাক্কায় আহত অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু

সরকার নির্ধারিত দামে মিলছে না এলপিজি সিলিন্ডার

Update Time : 06:47:34 pm, Saturday, 26 September 2026

১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের সরকার নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা হলেও, বিক্রি হচ্ছে ২১০০ থেকে ২২০০ টাকায়। আবার, বাড়তি দামেও পাচ্ছেন না অনেক ভোক্তা। বিক্রেতাদের অভিযোগ, সরবরাহ কম থাকায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকেই তারা বেশি দামে কিনছেন। যদিও, কোম্পানিগুলো বলছে, মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বেড়েছে এলপিজির কাঁচামালের দাম ও জাহাজ ভাড়া। এতে সরবরাহেও ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

দেশের চাহিদার মোট এলপিজির ৮০ শতাংশই ব্যবহার হয় রান্নার কাজে। বাসা বাড়িতে পাইপলাইনে গ্যাস সংকটে আরও বেড়েছে এলপিজির চাহিদা।

সেপ্টেম্বরের জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিইআরসির ঘোষিত ১২ কেজি এলপিজির দাম ১৫৮৫ টাকা হলেও, বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২১০০ টাকারও বেশি দরে। অর্থাৎ, বাড়তি প্রায় ৬০০ টাকা গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

এলপিজি ডিলাররা বলছেন, চলতি মাসে বসুন্ধরা, সান, ডেল্টা, আইগ্যাস, জি-গ্যাস নতুন করে এলপিজি সিলিন্ডারের অর্ডার নিচ্ছে না। ওমেরা ও ফ্রেশ কোম্পানি এলপিজির অর্ডার নিলেও, সরবরাহ করতে সময় নিচ্ছে ৩ থেকে ৭ দিন পর্যন্ত। এতে নিয়মিত চাহিদার চেয়ে ৩০ শতাংশ সরবরাহ ঘাটতি থেকে যাচ্ছে।

মেঘনা ফ্রেশ এলপিজির চিফ মার্কেটিং অফিসার আবু সাঈদ রাজা বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে এলপিজির আমদানি খরচ বেড়ে গেছে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে জাহাজের ভাড়াসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ।’

বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের বাজার স্বাভাবিক করতে হলে, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের সমাধান জরুরি। তবে, অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি বন্ধে নিয়মিত বাজার ও মিল পর্যায়ে তদারকির তাগিদ তাদের।