চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পুকুরে মাছের খাদ্য দিতে গিয়ে আলিম উদ্দিন (৫৪) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সময় এলাকায় ব্যাপক বজ্রপাত হচ্ছিল। তবে তার শরীরে বজ্রপাতে দগ্ধ হওয়ার কোনো চিহ্ন না থাকায় মৃত্যুর কারণ নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের পর উপজেলার বারৈয়ারঢালা ইউনিয়নের রহমতনগর এলাকায় বাড়ির পাশের পুকুরে মাছের খাদ্য দিতে যান আলিম উদ্দিন। তিনি ওই এলাকার মৃত মাস্টার আবু বক্কর চৌধুরীর ছেলে। পরিবারের লোকজন দীর্ঘ সময় তাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে রাত ৮টার দিকে পুকুরপাড়ে তাকে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে রাত ৯টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয়রা জানান, মাগরিবের নামাজের পর আলিম উদ্দিন পুকুরে মাছের খাদ্য দিতে যান। ওই সময় এলাকায় ব্যাপক বজ্রপাত হচ্ছিল। পরে দীর্ঘক্ষণ তাকে না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি করে পুকুরপাড়ে পড়ে থাকতে দেখেন।
স্থানীয়দের ধারণা, বজ্রপাতের সময় পুকুরপাড়ে থাকায় বজ্রপাতে তার মৃত্যু হতে পারে। তবে চিকিৎসকের বক্তব্যে এ দাবির বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেন, বজ্রপাতে মৃত্যু হলে সাধারণত শরীরে দগ্ধ হওয়ার চিহ্ন দেখা যেতে পারে। কিন্তু নিহতের শরীরে এমন কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় এবং হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়।



















