নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পৃথক স্থানে পার্কিং করে রাখা দুটি স্টাফ বাসে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের ৩৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ৩০ জনের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহাবুব আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে একটি বাসের মালিক শাহাদাত হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার আসামিরা হলেন- জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম নাজমুল হাসান লিটন, যুবলীগ কর্মী মো. রুবেল, ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি কাজী সাঈদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নাজমুল হোসেন সবুজ, ফতুল্লা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অহিদুর গাজী, ফতুল্লা থানা যুবলীগের প্রচার ও প্রকাশ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল সালাম ওরফে ডিস সালাম, কাশীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ সাইদুর রহমান শ্রাবণ, ফতুল্লা থানা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক লিপু, দপ্তর সম্পাদক ইদ্রিস, ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল, যুবলীগ কর্মী রফেদ আলী, মামুন, সবুজ ও সুমনসহ অন্যরা।
এছাড়া এজাহারে এনামুল, মঞ্জুরুল হক সাথী, মেহেবুব হক টগর, সোহেল, রবিউল ইসলাম রাসেল, মো. অহিদ, আরাফাত খান, ইমরান পাপ্পু, আশরাফ, আমির ওরফে মুরগি আমির, অনিল, মনির মেম্বার, জাকির মেম্বার, আজমত আলী, নাহিদ হাসান সবুজ, মীর হোসেন মীরু, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি এস এম শামীম, জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি ইমরান হোসেন শুভ এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা শেখ রাসেল পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক সজল বিন ইবুর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে বলা হয়, গত ২০ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে ফতুল্লা থানার শিবু মার্কেট এলাকার নাদিয়া প্লাজার সামনে পাকা সড়কে পার্কিং করে রাখা একটি স্টাফ বাসে অগ্নিসংযোগ করা হয়। একই দিন ভোর আনুমানিক ৬টা ৩০ মিনিটে একমি বিল্ডিংয়ের পাশে সুরুজের গ্যারেজের সামনে পার্কিং করে রাখা আরেকটি বাসেও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ করা হয়েছে।


















