আজ সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৬ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ০৮ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
৩৫°C
সর্বোচ্চ: ৩৬°C
সর্বনিম্ন: ২৭°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৪৫%

রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় রাজশাহী রেলস্টেশনে তাণ্ডব, বরখাস্ত ৪ আরএনবি সদস্য

  • MIT ERP
  • Update Time : 11:12:47 am, Monday, 21 September 2026
  • 15

রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় রাজশাহী রেলস্টেশনে তাণ্ডব, বরখাস্ত ৪ আরএনবি সদস্য

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে গভীর রাত পর্যন্ত উত্তেজনা বিরাজ করেছে। ঘটনার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রেললাইন অবরোধ করে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন।

পরে বিক্ষুব্ধ একদল শিক্ষার্থী রাজশাহী রেলস্টেশন কার্যালয়ে ঢুকে জানালার কাচ ও চেয়ার ভাঙচুর করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাত দেড়টার দিকে সেখানে যান রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পুলিশের কর্মকর্তারা। এর মধ্যে শিক্ষার্থী মারধরের ঘটনায় রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) চার সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার শিক্ষার্থী আইয়ুব আলী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। আহত অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, আইয়ুব আলী তার চাচাকে নিতে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে গিয়েছিলেন।

সেখানে রাবির ইংরেজি বিভাগের দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে দায়িত্ব পালনরত আনসার সদস্যদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আইয়ুব ওই ঘটনার প্রতিবাদ করলে তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। আইয়ুবের সহপাঠী মোহাম্মদ মিজান বলেন, স্টেশনে কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে রেলওয়ের কর্মীদের বাগ্‌বিতণ্ডা চলছিল।

পরে আইয়ুব তাঁদের পক্ষে কথা বললে তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। বর্তমানে তিনি রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন স্টেশন বাজার এলাকায় রেললাইনে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। সেখানে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ ও অবরোধ শুরু করেন তাঁরা। এতে ঢাকাগামী আন্তনগর ধূমকেতু এক্সপ্রেসের নির্ধারিত যাত্রা ব্যাহত হয়।

ট্রেনটির রাত ১১টা ২০ মিনিটে রাজশাহী ছাড়ার কথা থাকলেও অবরোধের কারণে নির্ধারিত সময়ে ছাড়তে পারেনি। এর আগে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ‘মার্চ টু রাজশাহী রেলস্টেশন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। পরে তাঁরা স্টেশনের দিকে অগ্রসর হন। কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার।

রাত পৌনে ১২টার দিকে একদল শিক্ষার্থী রাজশাহী রেলস্টেশন কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। সেখানে জানালার কাচ ও চেয়ার ভাঙচুর করা হয়। রাত পৌনে ১টা পর্যন্ত ভাঙচুর চলার কথা জানা গেছে। বিক্ষোভ চলাকালে রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার জড়িতদের দ্রুত আটক ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে হবে।

এদিকে শিক্ষার্থীদের রেললাইন অবরোধ ও স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনায় রেল চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। পরে রাত দেড়টার দিকে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং পুলিশের কর্মকর্তারা স্টেশনে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে স্টেশনে ভাঙচুরের প্রতিবাদে বিএনপির নেতাকর্মীরা সেখানে বিক্ষোভ করেন।

পুলিশ তাঁদের স্টেশন এলাকা থেকে সরিয়ে দেয়। ঘটনার বিষয়ে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাপরিচালক আহম্মদ হোসেন মাসুম বলেন, এ ধরনের সহিংস ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে পাঠানো হচ্ছে। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের অবরোধ ও বিক্ষোভ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের আবেগপ্রবণ হওয়া স্বাভাবিক।

তবে তাঁদের আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। আইনগতভাবে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চার আরএনবি সদস্য সাময়িক বরখাস্ত শিক্ষার্থী মারধরের অভিযোগের পর রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। রোববার রাজশাহী রেলওয়ের চিফ কমান্ড্যান্ট মোহা. আশাবুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক দপ্তরাদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বরখাস্ত হওয়া সদস্যরা হলেন—মো. আরিফ হোসেন, মো. রোকন উদ্দীন, মো. শফিকুল ইসলাম ও মো. শাহাদত হোসেন। দপ্তরাদেশে তাঁদের স্টাফ নম্বর যথাক্রমে সি-৯৮৯, সি-৮৮৩, সি-১৩২১ ও সি-৬০০ উল্লেখ করা হয়েছে। দপ্তরাদেশে বলা হয়েছে, রোববার সন্ধ্যায় রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে তাঁদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাঁদের কমান্ড্যান্ট (সদর)-এর কাছে নিয়মিত দৈনিক হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ, রেললাইন অবরোধ এবং স্টেশন কার্যালয়ে ভাঙচুরের পর চার আরএনবি সদস্যের সাময়িক বরখাস্তের মধ্য দিয়ে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে মারধরের প্রকৃত কারণ, ঘটনায় কারা জড়িত এবং স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনায় কারা দায়ী—এসব বিষয়ে তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা এখনো প্রক্রিয়াধীন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

বেতাগীতে ডায়াগনস্টিক কর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ

রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় রাজশাহী রেলস্টেশনে তাণ্ডব, বরখাস্ত ৪ আরএনবি সদস্য

Update Time : 11:12:47 am, Monday, 21 September 2026

রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে গভীর রাত পর্যন্ত উত্তেজনা বিরাজ করেছে। ঘটনার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রেললাইন অবরোধ করে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন।

পরে বিক্ষুব্ধ একদল শিক্ষার্থী রাজশাহী রেলস্টেশন কার্যালয়ে ঢুকে জানালার কাচ ও চেয়ার ভাঙচুর করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাত দেড়টার দিকে সেখানে যান রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পুলিশের কর্মকর্তারা। এর মধ্যে শিক্ষার্থী মারধরের ঘটনায় রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) চার সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার শিক্ষার্থী আইয়ুব আলী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। আহত অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, আইয়ুব আলী তার চাচাকে নিতে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে গিয়েছিলেন।

সেখানে রাবির ইংরেজি বিভাগের দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে দায়িত্ব পালনরত আনসার সদস্যদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আইয়ুব ওই ঘটনার প্রতিবাদ করলে তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। আইয়ুবের সহপাঠী মোহাম্মদ মিজান বলেন, স্টেশনে কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে রেলওয়ের কর্মীদের বাগ্‌বিতণ্ডা চলছিল।

পরে আইয়ুব তাঁদের পক্ষে কথা বললে তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। বর্তমানে তিনি রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন স্টেশন বাজার এলাকায় রেললাইনে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। সেখানে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ ও অবরোধ শুরু করেন তাঁরা। এতে ঢাকাগামী আন্তনগর ধূমকেতু এক্সপ্রেসের নির্ধারিত যাত্রা ব্যাহত হয়।

ট্রেনটির রাত ১১টা ২০ মিনিটে রাজশাহী ছাড়ার কথা থাকলেও অবরোধের কারণে নির্ধারিত সময়ে ছাড়তে পারেনি। এর আগে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ‘মার্চ টু রাজশাহী রেলস্টেশন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। পরে তাঁরা স্টেশনের দিকে অগ্রসর হন। কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার।

রাত পৌনে ১২টার দিকে একদল শিক্ষার্থী রাজশাহী রেলস্টেশন কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। সেখানে জানালার কাচ ও চেয়ার ভাঙচুর করা হয়। রাত পৌনে ১টা পর্যন্ত ভাঙচুর চলার কথা জানা গেছে। বিক্ষোভ চলাকালে রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার জড়িতদের দ্রুত আটক ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে হবে।

এদিকে শিক্ষার্থীদের রেললাইন অবরোধ ও স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনায় রেল চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। পরে রাত দেড়টার দিকে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং পুলিশের কর্মকর্তারা স্টেশনে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে স্টেশনে ভাঙচুরের প্রতিবাদে বিএনপির নেতাকর্মীরা সেখানে বিক্ষোভ করেন।

পুলিশ তাঁদের স্টেশন এলাকা থেকে সরিয়ে দেয়। ঘটনার বিষয়ে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাপরিচালক আহম্মদ হোসেন মাসুম বলেন, এ ধরনের সহিংস ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে পাঠানো হচ্ছে। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের অবরোধ ও বিক্ষোভ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের আবেগপ্রবণ হওয়া স্বাভাবিক।

তবে তাঁদের আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। আইনগতভাবে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চার আরএনবি সদস্য সাময়িক বরখাস্ত শিক্ষার্থী মারধরের অভিযোগের পর রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। রোববার রাজশাহী রেলওয়ের চিফ কমান্ড্যান্ট মোহা. আশাবুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক দপ্তরাদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বরখাস্ত হওয়া সদস্যরা হলেন—মো. আরিফ হোসেন, মো. রোকন উদ্দীন, মো. শফিকুল ইসলাম ও মো. শাহাদত হোসেন। দপ্তরাদেশে তাঁদের স্টাফ নম্বর যথাক্রমে সি-৯৮৯, সি-৮৮৩, সি-১৩২১ ও সি-৬০০ উল্লেখ করা হয়েছে। দপ্তরাদেশে বলা হয়েছে, রোববার সন্ধ্যায় রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে তাঁদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাঁদের কমান্ড্যান্ট (সদর)-এর কাছে নিয়মিত দৈনিক হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ, রেললাইন অবরোধ এবং স্টেশন কার্যালয়ে ভাঙচুরের পর চার আরএনবি সদস্যের সাময়িক বরখাস্তের মধ্য দিয়ে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে মারধরের প্রকৃত কারণ, ঘটনায় কারা জড়িত এবং স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনায় কারা দায়ী—এসব বিষয়ে তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা এখনো প্রক্রিয়াধীন।