নতুন চুক্তির মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্র স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ পাবে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড বলছে, চুক্তিটি দ্বীপের সার্বভৌমত্ব ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়। এদিকে নিরাপত্তার নিয়ন্ত্রণ মানেই মালিকানা প্রতিষ্ঠা নয় বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
উত্তর আটলান্টিক ও আর্কটিক মহাসাগরের মাঝে গ্রিনল্যান্ডের অবস্থান। ভৌগোলিক অবস্থান, কৌশলগত গুরুত্ব এবং বিপুল খনিজসম্পদ—সব মিলিয়ে দ্বীপটি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা নিয়ে শুক্রবার একটি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক। আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে চুক্তিটি সই হবে।
নতুন চুক্তির মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্র স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ পাবে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এছাড়া গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ সামরিক ঘাঁটি স্থাপন বা সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখতে পারবে না এবং সংবেদনশীল খাতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মার্কিন অনুমোদন প্রয়োজন হবে বলেও জানান তিনি।
তবে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট্টে ফ্রেডেরিকসেন বলছেন, চুক্তি আর্কটিক ও উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলে যৌথ নিরাপত্তা জোরদার করবে এবং দ্বীপের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও গ্রিনল্যান্ডের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে স্বীকৃতি দেবে।
এ ছাড়া গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন জানান, নতুন চুক্তি গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় দ্বীপটির স্বার্থ ও অবস্থানকে স্বীকৃতি দেবে।
এদিকে নিরাপত্তার নিয়ন্ত্রণ মানেই গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা প্রতিষ্ঠা নয় বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এ ছাড়া চুক্তির চূড়ান্ত নথি প্রকাশের পর ওয়াশিংটনের ক্ষমতার প্রকৃত পরিধি বোঝা যাবে বলেও জানান তারা।



















