জাতীয় সঞ্চালন পাইপলাইনে সরবরাহ বাড়ায় শিল্প-কারখানায় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করেছে। সকাল থেকে বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে গ্যাসের চাপ বাড়ায় স্বস্তি ফিরছে বিভিন্ন কারখানায়। তবে, পুরোদমে উৎপাদনে যেতে না পারলেও, শিগগিরই সংকট কাটার আশায় ব্যবসায়ীরা।
গত ২১ জুলাই এলএনজি টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর থেকে সারা দেশে কমে যায় গ্যাস সরবরাহ। পরবর্তীতে সময়ের সঙ্গে বাড়ে সংকট। শিল্প কারখানায় উৎপাদন নেমে আসে অর্ধেকে। একই সময়ে বিদ্যুৎ সংকটে ব্যাহত হয় কারখানার স্বাভাবিক কার্যক্রমও।
মঙ্গলবার রাত থেকে চট্টগ্রামের শিল্প কারখানাগুলোতে গ্যাস সরবরাহ বাড়তে থাকায় ফিরতে শুরু করেছে স্বস্তি। লোডশেডিং পরিস্থিতিও আগের চেয়ে কমে এসেছে, জানান ব্যবসায়ীরা।
চট্টগ্রাম চেম্বার অফ কমার্সের পরিচালক মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘পরিস্থিতি আজকে থেকে উন্নতি করেছে। তবে আমাদের শতভাগ গ্যাস পেতে হবে। আশা করছি আগামীতে শতভাগ সুফল পাব।’
সাভার-আশুলিয়া এলাকার শিল্প-কারখানাগুলোতেও বেড়েছে গ্যাসের চাপ। সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী বুধবার গ্যাস সরবরাহ বাড়তে থাকায় স্বস্তি মিলছে কারখানা মালিকদের। গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের কারখানাগুলোতেও গ্যাসের চাপ কিছুটা বাড়ার কথা জানায় কারখানা কর্তৃপক্ষ।
পর্যাপ্ত গ্যাস না পাওয়ায় নরসিংদী, মাধবদী ও চৌয়ালার টেক্সটাইল, ডাইং, স্পিনিং এবং সাইজিং মিলগুলোর উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল। সরবরাহ বাড়তে শুরু করায় স্বাভাবিক উৎপাদনে ফেরার আশা এসব কারখানা সংশ্লিষ্টদের। দ্রুতই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশা তিতাস কর্তৃপক্ষেরও।
তিতাস গ্যাসের ম্যানেজার মো. মাকসুদুর রহমান বলেন, ‘গ্যাসের চাপ বেড়েছে। আমরাও গাসের চাপ বাড়িয়ে দিয়েছি। দুয়েকদিনের মধ্যে পুরো আগের মতো হয়ে যাবে আরকি। এখন আর আগের মতো সংকট নাই।’
শিল্পকারখানা ছাড়াও সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও কোনো কোনো এলাকায় আবাসিকেও গ্যাসের চাপ আগের চেয়ে বাড়ছে।


















