পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থার প্রসারে রিকন্ডিশন্ড বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সরাসরি নিষেধাজ্ঞা না দিয়ে গাড়ির বয়স ও মানের সীমা নির্ধারণের মাধ্যমে শর্তসাপেক্ষে আমদানির অনুমতি দেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
শনিবার রাজধানীর পল্টনে মানববন্ধনে এ দাবি জানায় বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন- বারভিডা।
সংগঠনের নেতারা বলেন, বৈদ্যুতিক গাড়ির খাত থেকে সরকার প্রতিবছর প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পায়। গত ২৪ আগস্ট প্রকাশিত নতুন আমদানি নীতিতে ব্যবহৃত ও রিকন্ডিশন্ড ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানি পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
তুলনামূলক কম দামে রিকন্ডিশন্ড গাড়ি বাজারে এলে দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার দ্রুত বাড়বে,, দাবি তাদের। একই সঙ্গে ২০৩০ সালের মধ্যে মোটরযান খাতে ৩০ শতাংশ বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবহারের সরকারি লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে বলেও জানায় বারভিডা।
বারভিডার এক নেতা বলেন, ‘আমরা আপনাদের মাধ্যমে জানাতে চাই এটা পুনর্বহাল করা হোক। দেশের মানুষ কম পয়সায় উন্নমানের গাড়ি পাক। এটাই আমার প্রত্যাশা।’
বারভিডার সভাপতি আবদুল হক বলেন, ‘পাঁচ থেকে ছয় হাজার কোটি টাকা রাজস্ব সরকার এই খাত থেকে পায়। এখন সরকারের নীতির কারণে এই রাজস্ব ঘাটতি হবে। আমরা যে প্রস্তাব দিয়েছি এতে সরকারের রাজস্ব বৃদ্দি পাবে। কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে। ব্যবসা বাড়বে।’



















