আজ সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৩ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি
৩১°C
সর্বোচ্চ: ৩২°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৯৮%

ঘোড়াশালে জরাজীর্ণ ডাকবাংলো পরিত্যক্ত ঘোষণার উদ্যোগ, নতুন ভবন নির্মাণের দাবি

  • MIT ERP
  • Update Time : 11:54:07 am, Monday, 7 September 2026
  • 9

ঘোড়াশালে জরাজীর্ণ ডাকবাংলো পরিত্যক্ত ঘোষণার উদ্যোগ, নতুন ভবন নির্মাণের দাবি

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালে দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে জেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণাধীন ঘোড়াশাল ডাকবাংলো। ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়া পুরোনো এ স্থাপনাটি ইতোমধ্যে পরিত্যক্ত ঘোষণার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ডাকবাংলোটি পরিত্যক্ত ঘোষণার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানান নরসিংদী জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ। এদিকে, পলাশ উপজেলায় ডাকবাংলো নির্মাণের জন্য দুই কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছে বলে জানান নরসিংদী জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী নূর-ই-ইলহাম। এ অবস্থায় বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে নতুন কোনো জায়গায় ডাকবাংলো নির্মাণ না করে, বিদ্যমান ঘোড়াশাল ডাকবাংলোর জায়গাতেই নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এলাকাবাসীর দাবি, ঘোড়াশাল ডাকবাংলোটি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি বিভিন্ন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও অতিথিদের ব্যবহারের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হিসেবে রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার ও প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভবনটি বর্তমানে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। তাই পুরোনো ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে একই স্থানে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত নতুন ডাকবাংলো নির্মাণ করা হলে সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি এলাকারও উপকার হবে।

স্থানীয়দের আরও দাবি, ঘোড়াশালের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান বিবেচনায় নিয়ে ডাকবাংলোটির জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ দ্রুত কাজে লাগানো প্রয়োজন। একই স্থানে নতুন ভবন নির্মাণ হলে পুরোনো স্থাপনার জায়গাটিও কাজে লাগানো যাবে এবং নতুন করে জমি খোঁজা বা অধিগ্রহণের প্রয়োজন হবে না। ঘোড়াশাল ডাকবাংলোটিতে ০৯.৪৪ শতক জমি রয়েছে। এলাকাবাসী আশা করছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে ঘোড়াশাল ডাকবাংলোটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে বরাদ্দকৃত দুই কোটি টাকা দিয়ে একই স্থানে নতুন ডাকবাংলো নির্মাণের উদ্যোগ নেবে।

স্থানীয়দের মতে, এতে সরকারি সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি পলাশ উপজেলার সরকারি কর্মকর্তা ও অতিথিদের জন্য একটি আধুনিক ও নিরাপদ আবাসন সুবিধা তৈরি হবে। এদিকে নরসিংদী জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী নূর-ই-ইলহাম জানান, ঘোড়াশালে আমাদের যে ডাকবাংলো আছে সেটা অনেক বছর পুরোনো। আগে অনেকবার সংস্কার করা হয়েছে। এখন আর সংস্কার করা যাবে না।

আমরা ইতিমধ্যে ঘোড়াশাল ডাকবাংলোটি পরিত্যক্ত ঘোষণার জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছি। পরবর্তীতে এখানে নতুন করে ডাকবাংলো নির্মাণ করা যাবে। যেহেতু নরসিংদী-২ পলাশ নির্বাচনি আসনটি আমাদের বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান মহোদয়ের নির্বাচনি এলাকা। তাই আমরা স্যারের সাথে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করব।

আমরা ডাকবাংলো বাবদ দুই কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছি।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

ঘোড়াশালে জরাজীর্ণ ডাকবাংলো পরিত্যক্ত ঘোষণার উদ্যোগ, নতুন ভবন নির্মাণের দাবি

Update Time : 11:54:07 am, Monday, 7 September 2026

নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালে দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে জেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণাধীন ঘোড়াশাল ডাকবাংলো। ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়া পুরোনো এ স্থাপনাটি ইতোমধ্যে পরিত্যক্ত ঘোষণার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ডাকবাংলোটি পরিত্যক্ত ঘোষণার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানান নরসিংদী জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ। এদিকে, পলাশ উপজেলায় ডাকবাংলো নির্মাণের জন্য দুই কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছে বলে জানান নরসিংদী জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী নূর-ই-ইলহাম। এ অবস্থায় বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে নতুন কোনো জায়গায় ডাকবাংলো নির্মাণ না করে, বিদ্যমান ঘোড়াশাল ডাকবাংলোর জায়গাতেই নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এলাকাবাসীর দাবি, ঘোড়াশাল ডাকবাংলোটি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি বিভিন্ন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও অতিথিদের ব্যবহারের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হিসেবে রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কার ও প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভবনটি বর্তমানে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। তাই পুরোনো ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে একই স্থানে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত নতুন ডাকবাংলো নির্মাণ করা হলে সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি এলাকারও উপকার হবে।

স্থানীয়দের আরও দাবি, ঘোড়াশালের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান বিবেচনায় নিয়ে ডাকবাংলোটির জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ দ্রুত কাজে লাগানো প্রয়োজন। একই স্থানে নতুন ভবন নির্মাণ হলে পুরোনো স্থাপনার জায়গাটিও কাজে লাগানো যাবে এবং নতুন করে জমি খোঁজা বা অধিগ্রহণের প্রয়োজন হবে না। ঘোড়াশাল ডাকবাংলোটিতে ০৯.৪৪ শতক জমি রয়েছে। এলাকাবাসী আশা করছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে ঘোড়াশাল ডাকবাংলোটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে বরাদ্দকৃত দুই কোটি টাকা দিয়ে একই স্থানে নতুন ডাকবাংলো নির্মাণের উদ্যোগ নেবে।

স্থানীয়দের মতে, এতে সরকারি সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি পলাশ উপজেলার সরকারি কর্মকর্তা ও অতিথিদের জন্য একটি আধুনিক ও নিরাপদ আবাসন সুবিধা তৈরি হবে। এদিকে নরসিংদী জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী নূর-ই-ইলহাম জানান, ঘোড়াশালে আমাদের যে ডাকবাংলো আছে সেটা অনেক বছর পুরোনো। আগে অনেকবার সংস্কার করা হয়েছে। এখন আর সংস্কার করা যাবে না।

আমরা ইতিমধ্যে ঘোড়াশাল ডাকবাংলোটি পরিত্যক্ত ঘোষণার জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছি। পরবর্তীতে এখানে নতুন করে ডাকবাংলো নির্মাণ করা যাবে। যেহেতু নরসিংদী-২ পলাশ নির্বাচনি আসনটি আমাদের বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান মহোদয়ের নির্বাচনি এলাকা। তাই আমরা স্যারের সাথে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করব।

আমরা ডাকবাংলো বাবদ দুই কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছি।