আজ রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২২ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
২৭°C
সর্বোচ্চ: ৩০°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ১০০%

অনলাইন বুকিংয়ে যুক্ত ‘চান্দের গাড়ি’, বদলাচ্ছে পর্যটন পরিবহনের চিত্র

  • MIT ERP
  • Update Time : 07:25:18 pm, Sunday, 6 September 2026
  • 8

অনলাইন বুকিংয়ে যুক্ত ‘চান্দের গাড়ি’, বদলাচ্ছে পর্যটন পরিবহনের চিত্র

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

দেশের পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা বিশেষায়িত যান ‘চান্দের গাড়ি’ এবার যুক্ত হলো অনলাইনভিত্তিক গাড়ি বুকিং সেবায়। পর্যটকদের জন্য এই যান বুকিংয়ের সুবিধা চালু করেছে অনলাইন গাড়ি বুকিং প্ল্যাটফরম ‘গাড়িবুক’। বিশেষ করে কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ এলাকায় পর্যটকদের মধ্যে চান্দের গাড়ির ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়।

সমুদ্রপাড়ের দীর্ঘ সড়ক ও পর্যটনকেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখার ক্ষেত্রে রোমাঞ্চপ্রিয় ভ্রমণকারীদের কাছে এ ধরনের যান আলাদা আকর্ষণ তৈরি করেছে। গাড়িবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনলাইন বুকিংয়ের মাধ্যমে পর্যটকরা ভ্রমণের আগেই চান্দের গাড়ি নির্ধারণ করতে পারবেন। দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে বুকিং দেওয়ার পাশাপাশি কক্সবাজারের বিভিন্ন হোটেল থেকে পর্যটকদের পিকআপের সুবিধাও রাখা হয়েছে।

এতে গন্তব্যে পৌঁছানোর পর গাড়ি খোঁজা কিংবা ভাড়া নিয়ে দরদামের ঝামেলা কমবে বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি। চান্দের গাড়ির পাশাপাশি প্ল্যাটফরমটিতে সেডান, হাইয়েস, নোহা, ট্যুরিস্ট বাস ও কোস্টার ভ্যানসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন বুকিংয়ের সুযোগ রয়েছে। ব্যবহারকারীরা প্রয়োজন অনুযায়ী ইন্টারসিটি, ইনসাইড সিটি, ওয়ান ওয়ে, রাউন্ড ওয়ে, বিমানবন্দর পিকআপ ও ড্রপ-অফ এবং ঘণ্টাভিত্তিক গাড়ি বুকিংয়ের সুবিধা নিতে পারেন।

এ ছাড়া বিলাসবহুল গাড়ির তালিকায় বিএমডব্লিউ, মার্সিডিজ ও টয়োটা হ্যারিয়ারসহ বিভিন্ন মডেলের গাড়ি রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে গাড়িবুকের কার্যক্রম চালু রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ব্যবহারকারীরা নিজেদের প্রয়োজন ও পছন্দ অনুযায়ী গাড়ি এবং চালক নির্বাচন করতে পারেন। গাড়িবুকের ব্যবসায়িক মডেলের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হিসেবে ‘জিরো কমিশন’ ব্যবস্থার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

তাদের দাবি, প্ল্যাটফরম ব্যবহারের জন্য চালকদের আয় থেকে কোনো কমিশন কেটে নেওয়া হয় না। ফলে একটি ট্রিপ থেকে চালকের উপার্জিত অর্থের পুরোটা তার কাছেই থাকে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, চালকদের আয়ের ওপর কমিশনের চাপ না থাকায় তারা তুলনামূলকভাবে স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করার সুযোগ পান। একই সঙ্গে দীর্ঘ সময় টানা গাড়ি চালানোর পরিবর্তে ট্রিপের মাঝে প্রয়োজনীয় বিরতি নেওয়ার সুযোগ থাকলে চালকের ক্লান্তি কমতে পারে।

এর ফলে যাত্রীদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি। পর্যটন খাতে পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও প্রযুক্তিনির্ভর করার অংশ হিসেবে অনলাইন বুকিং সুবিধার এ ধরনের উদ্যোগকে দেখছে সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে পর্যটন মৌসুমে আগে থেকেই পরিবহন নিশ্চিত করার সুযোগ ভ্রমণকারীদের সময় ও ভোগান্তি কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

ঝিনাইদহে সামারি ট্রায়ালে ৩ মাদকসেবীর কারাদণ্ড

অনলাইন বুকিংয়ে যুক্ত ‘চান্দের গাড়ি’, বদলাচ্ছে পর্যটন পরিবহনের চিত্র

Update Time : 07:25:18 pm, Sunday, 6 September 2026

দেশের পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা বিশেষায়িত যান ‘চান্দের গাড়ি’ এবার যুক্ত হলো অনলাইনভিত্তিক গাড়ি বুকিং সেবায়। পর্যটকদের জন্য এই যান বুকিংয়ের সুবিধা চালু করেছে অনলাইন গাড়ি বুকিং প্ল্যাটফরম ‘গাড়িবুক’। বিশেষ করে কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ এলাকায় পর্যটকদের মধ্যে চান্দের গাড়ির ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়।

সমুদ্রপাড়ের দীর্ঘ সড়ক ও পর্যটনকেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখার ক্ষেত্রে রোমাঞ্চপ্রিয় ভ্রমণকারীদের কাছে এ ধরনের যান আলাদা আকর্ষণ তৈরি করেছে। গাড়িবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনলাইন বুকিংয়ের মাধ্যমে পর্যটকরা ভ্রমণের আগেই চান্দের গাড়ি নির্ধারণ করতে পারবেন। দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে বুকিং দেওয়ার পাশাপাশি কক্সবাজারের বিভিন্ন হোটেল থেকে পর্যটকদের পিকআপের সুবিধাও রাখা হয়েছে।

এতে গন্তব্যে পৌঁছানোর পর গাড়ি খোঁজা কিংবা ভাড়া নিয়ে দরদামের ঝামেলা কমবে বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি। চান্দের গাড়ির পাশাপাশি প্ল্যাটফরমটিতে সেডান, হাইয়েস, নোহা, ট্যুরিস্ট বাস ও কোস্টার ভ্যানসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন বুকিংয়ের সুযোগ রয়েছে। ব্যবহারকারীরা প্রয়োজন অনুযায়ী ইন্টারসিটি, ইনসাইড সিটি, ওয়ান ওয়ে, রাউন্ড ওয়ে, বিমানবন্দর পিকআপ ও ড্রপ-অফ এবং ঘণ্টাভিত্তিক গাড়ি বুকিংয়ের সুবিধা নিতে পারেন।

এ ছাড়া বিলাসবহুল গাড়ির তালিকায় বিএমডব্লিউ, মার্সিডিজ ও টয়োটা হ্যারিয়ারসহ বিভিন্ন মডেলের গাড়ি রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে গাড়িবুকের কার্যক্রম চালু রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ব্যবহারকারীরা নিজেদের প্রয়োজন ও পছন্দ অনুযায়ী গাড়ি এবং চালক নির্বাচন করতে পারেন। গাড়িবুকের ব্যবসায়িক মডেলের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হিসেবে ‘জিরো কমিশন’ ব্যবস্থার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

তাদের দাবি, প্ল্যাটফরম ব্যবহারের জন্য চালকদের আয় থেকে কোনো কমিশন কেটে নেওয়া হয় না। ফলে একটি ট্রিপ থেকে চালকের উপার্জিত অর্থের পুরোটা তার কাছেই থাকে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, চালকদের আয়ের ওপর কমিশনের চাপ না থাকায় তারা তুলনামূলকভাবে স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করার সুযোগ পান। একই সঙ্গে দীর্ঘ সময় টানা গাড়ি চালানোর পরিবর্তে ট্রিপের মাঝে প্রয়োজনীয় বিরতি নেওয়ার সুযোগ থাকলে চালকের ক্লান্তি কমতে পারে।

এর ফলে যাত্রীদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি। পর্যটন খাতে পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও প্রযুক্তিনির্ভর করার অংশ হিসেবে অনলাইন বুকিং সুবিধার এ ধরনের উদ্যোগকে দেখছে সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে পর্যটন মৌসুমে আগে থেকেই পরিবহন নিশ্চিত করার সুযোগ ভ্রমণকারীদের সময় ও ভোগান্তি কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।