আজ শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২০ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
২৮°C
সর্বোচ্চ: ৩১°C
সর্বনিম্ন: ২৫°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৯০%

আসিফ মাহমুদের জন্য ঢাকা-১০ আসন চেয়ে জামায়াত আমিরকে ড. ইউনূসের ফোন, দাবি রাশেদ খানের

  • MIT ERP
  • Update Time : 05:00:20 pm, Thursday, 3 September 2026
  • 17

আসিফ মাহমুদের জন্য ঢাকা-১০ আসন চেয়ে জামায়াত আমিরকে ড. ইউনূসের ফোন, দাবি রাশেদ খানের

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার জন্য ঢাকা-১০ আসন ছেড়ে দিতে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানকে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফোন করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।

বুধবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি। আসনটি তখন জামায়াত না ছাড়ায় দলটিকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর এই সহকারী।

রাশেদ খান লিখেছেন, আসিফ মাহমুদ কোন দুর্নীতি করে নাই! শুধু জিগ্যেস করেন জামায়াতের আমির কেন তাকে ঢাকা-১০ আসন ছাড়ে নাই? নাহিদ ইসলাম এ বিষয়ে কারও কারও কাছে আক্ষেপ করে বলেছে, জামায়াতের আমির অনেক দরকষাকষির পরেও আসিফ মাহমুদের আসনটা ছাড়েনি! নাহিদ ইসলামের ভাষায় জামায়াতের আমিরের মন্তব্য এমন ছিলো, আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির অভিযোগ বা বিতর্কের দায় জামায়াত নিতে রাজি হয়নি।

তিনি লিখেছেন, এমনকি আসিফ মাহমুদের আসনের জন্য ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস জামায়াতের আমিরকে কল করলে জামায়াতের আমির স্পষ্ট জানিয়ে দেন, প্রয়োজনে আরও ২-৩ টা আসন বেশি ছাড়বো, কিন্তু আসিফ মাহমুদের বিষয়ে আপনি অনুরোধ করিয়েন না! আমি জামায়াতের সমালোচনা করলেও, জামায়াতে আমিরের এই অবস্থানের জন্য ধন্যবাদ জানাই। সাংবাদিক ভাইয়েরা প্রয়োজন এই বিষয়ে সন্দেহ লাগলে উপরিউক্ত সংশ্লিষ্টদের সাথে আলাপ তুলতে পারেন।

রাশেদ খান লিখেছেন, আজকের (বুধবার) সংবাদ সম্মেলনটা লক্ষ্য করেন, সিনিয়র কোন নেতা আসিফের পাশে নাই কেন? এর মূল কারণ হলো আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির বিষয়টা এনসিপিতে ওপেন সিক্রেট! এনসিপির অধিকাংশ নেতাকর্মী কষ্টে জীবন অতিবাহিত করে, সেখানে আসিফ মাহমুদ মাত্র ১৮ মাসের উপদেষ্টা হয়ে আলাদিনের চেরাগ পেয়েছিলো! দুদকের কোন কর্মকর্তার শব্দের হেরফের হওয়ার কারণে আসিফ মাহমুদ দুর্নীতির অভিযোগ থেকে খালাস পেয়ে যায় না! সে অন্তত একজনকে বড় অংকের অর্থ প্রদান করেছিলো, যেটা আমি নিজে জানি। এবিষয়ে আমি একজন উপদেষ্টাকে জানালে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, বেতন থেকে তো কেউ এতো টাকা দিতে পারে না।

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী লিখেছেন, আসিফ মাহমুদ তো ওমরাহ করে এসেছে, তার উচিত ছিলো অল্প বয়সের ভুলের জন্য দুঃখপ্রকাশ করা। আমি অন্তত তার এই ভুলকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখতাম। কিন্তু বিরোধিতার কারণে, বিরোধীদলের সবাই আসিফ মাহমুদের পক্ষে অবস্থান করলেও, আমার কাছে যতোটুকু তথ্য আছে, তাতে আমি সবসময় বলে যাবো, আসিফ মাহমুদ ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়েছিল!

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

‘একদিন বিশ্বের বুফেতে জায়গা হবে বাংলাদেশি খাবারের’

আসিফ মাহমুদের জন্য ঢাকা-১০ আসন চেয়ে জামায়াত আমিরকে ড. ইউনূসের ফোন, দাবি রাশেদ খানের

Update Time : 05:00:20 pm, Thursday, 3 September 2026

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার জন্য ঢাকা-১০ আসন ছেড়ে দিতে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানকে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফোন করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।

বুধবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি। আসনটি তখন জামায়াত না ছাড়ায় দলটিকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর এই সহকারী।

রাশেদ খান লিখেছেন, আসিফ মাহমুদ কোন দুর্নীতি করে নাই! শুধু জিগ্যেস করেন জামায়াতের আমির কেন তাকে ঢাকা-১০ আসন ছাড়ে নাই? নাহিদ ইসলাম এ বিষয়ে কারও কারও কাছে আক্ষেপ করে বলেছে, জামায়াতের আমির অনেক দরকষাকষির পরেও আসিফ মাহমুদের আসনটা ছাড়েনি! নাহিদ ইসলামের ভাষায় জামায়াতের আমিরের মন্তব্য এমন ছিলো, আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির অভিযোগ বা বিতর্কের দায় জামায়াত নিতে রাজি হয়নি।

তিনি লিখেছেন, এমনকি আসিফ মাহমুদের আসনের জন্য ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস জামায়াতের আমিরকে কল করলে জামায়াতের আমির স্পষ্ট জানিয়ে দেন, প্রয়োজনে আরও ২-৩ টা আসন বেশি ছাড়বো, কিন্তু আসিফ মাহমুদের বিষয়ে আপনি অনুরোধ করিয়েন না! আমি জামায়াতের সমালোচনা করলেও, জামায়াতে আমিরের এই অবস্থানের জন্য ধন্যবাদ জানাই। সাংবাদিক ভাইয়েরা প্রয়োজন এই বিষয়ে সন্দেহ লাগলে উপরিউক্ত সংশ্লিষ্টদের সাথে আলাপ তুলতে পারেন।

রাশেদ খান লিখেছেন, আজকের (বুধবার) সংবাদ সম্মেলনটা লক্ষ্য করেন, সিনিয়র কোন নেতা আসিফের পাশে নাই কেন? এর মূল কারণ হলো আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির বিষয়টা এনসিপিতে ওপেন সিক্রেট! এনসিপির অধিকাংশ নেতাকর্মী কষ্টে জীবন অতিবাহিত করে, সেখানে আসিফ মাহমুদ মাত্র ১৮ মাসের উপদেষ্টা হয়ে আলাদিনের চেরাগ পেয়েছিলো! দুদকের কোন কর্মকর্তার শব্দের হেরফের হওয়ার কারণে আসিফ মাহমুদ দুর্নীতির অভিযোগ থেকে খালাস পেয়ে যায় না! সে অন্তত একজনকে বড় অংকের অর্থ প্রদান করেছিলো, যেটা আমি নিজে জানি। এবিষয়ে আমি একজন উপদেষ্টাকে জানালে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, বেতন থেকে তো কেউ এতো টাকা দিতে পারে না।

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী লিখেছেন, আসিফ মাহমুদ তো ওমরাহ করে এসেছে, তার উচিত ছিলো অল্প বয়সের ভুলের জন্য দুঃখপ্রকাশ করা। আমি অন্তত তার এই ভুলকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখতাম। কিন্তু বিরোধিতার কারণে, বিরোধীদলের সবাই আসিফ মাহমুদের পক্ষে অবস্থান করলেও, আমার কাছে যতোটুকু তথ্য আছে, তাতে আমি সবসময় বলে যাবো, আসিফ মাহমুদ ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়েছিল!