পবায় জমিতে ধান ও পাট নিয়ে কাজ করার সময় আবু বকর সিদ্দিক ও তার ছেলে আলফাজ (৩৫)-এর মধ্যে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতি শুরু হয়। এ সময় তাদের ঝগড়া থামাতে এগিয়ে গেলে চাচা ইদ্রিস আলী হাঁসুয়ার কোপের শিকার হয়ে প্রাণ হারান।
হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বৃহস্পতিবার বড়গাছী ইউনিয়নের দাঁদপুর বাগিচাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইদ্রিস ওই গ্রামের বাসিন্দা ও আবু বকর সিদ্দিকের ভাই। স্থানীয়রা জানায়, জমিতে কাজ করার সময় বাবার সামনে ছেলে আলফাজ বিড়ি ধরালে বকাঝকা করেন। বিষয়টি নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও পরে দুজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়।
এ সময় স্থানীয় দুই ব্যক্তি আক্তার ও মেরাজ তাদের ঝগড়া থামানোর চেষ্টা করেন। তারা দুজনকে কাজ বন্ধ করে বাড়িতে চলে যেতে বলেন। কিছুক্ষণ পরিস্থিতি শান্তও ছিল। কিন্তু পরে আবারও বাবা-ছেলের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। এবার তাদের থামাতে এগিয়ে যান চাচা ইদ্রিস। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তখন আলফাজের হাতে থাকা হাঁসুয়ার আঘাতে তার বাবা আবু বকর সিদ্দিক ও চাচা ইদ্রিস গুরুতর আহত হন।
রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা আহত দুজনকে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক ইদ্রিসকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, আলফাজ গত রোববার নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় কারাগার থেকে জামিন পান। ওসি আব্দুল মতিন বলেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।











