দেশে সারের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন (বিএএফএ) চেয়ারম্যান মো. মোশারফ হোসেন। তিনি বলেন, দেশে বাফার মজুতের পাশাপাশি পাইপলাইনেও পর্যাপ্ত সার রয়েছে। কোথাও সরবরাহে সাময়িক ঘাটতি দেখা দিলেও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সার পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশনা কার্যকর রয়েছে।
মোশারফ হোসেন বলেন, দেশের কোথাও কোথাও সার পাওয়া যাচ্ছে না—এমন তথ্য দিয়ে সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে বাস্তবতা হলো, দেশে পর্যাপ্ত সার মজুত রয়েছে এবং একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ সার আমদানিও অব্যাহত রয়েছে। ফলে কৃষকদের প্রয়োজনীয় সার নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। বিএএফএর পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইউনিয়ন, থানা বা জেলা—যেকোনো পর্যায়ে সারের ঘাটতি দেখা দিলে অনুমোদিত ডিলার, খুচরা ডিলার এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) ডিলারদের মাধ্যমে দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।
এ লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে নিয়মিত সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। সম্প্রতি দেশের কয়েকটি এলাকায় সার নিয়ে ভোগান্তির খবর সামনে আসে। বিশেষ করে টিএসপি সার নিয়ে কিছু কৃষকের সমস্যার তথ্য পাওয়া গেছে। গত ১৩ আগস্ট রংপুর অঞ্চলে টিএসপি সংকটের খবর প্রকাশিত হয়। এছাড়া ২১ আগস্ট কিশোরগঞ্জে ইউরিয়া, ডিএপি ও টিএসপি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ ওঠে।
তবে সংশ্লিষ্ট জেলা কৃষি কর্মকর্তারা সেসব এলাকায় পর্যাপ্ত সারের মজুত থাকার কথা জানিয়েছেন। বিএএফএ চেয়ারম্যান বলেন, কৃষকদের কাছে সময়মতো সার পৌঁছে দেওয়া সরকারের অগ্রাধিকার। তাই কোথাও সরবরাহে ব্যত্যয় ঘটলে তা দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


















