আজ সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
৯ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
২৮°C
সর্বোচ্চ: ৩২°C
সর্বনিম্ন: ২৭°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ১০০%

নেটওয়ার্কের বাইরে রাঙামাটির অন্তত ৫০ গ্রাম

  • MIT ERP
  • Update Time : 09:33:59 pm, Monday, 24 August 2026
  • 8

নেটওয়ার্কের বাইরে রাঙামাটির অন্তত ৫০ গ্রাম

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

এখনো মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবার বাইরে রাঙামাটির বিলাইছড়ির দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়ন। এতে যোগাযোগ, অনলাইন ফরম পূরণ, ভর্তি, সরকারি সেবা কিংবা আর্থিক লেনদেন-সবকিছুতেই ভোগান্তিতে পড়তে হয় স্থানীয়দের। যোগাযোগ ও ভৌগোলিক সমস্যার কারণে আধুনিক ডিজিটাল সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত এই জনপদ।

মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে গেছে ঘরে ঘরে। অথচ এখনো নেটওয়ার্কের বাইরে রয়ে গেছে রাঙামাটির বিলাইছড়ির ফারুয়া ইউনিয়নের অন্তত ৫০ গ্রামের বাসিন্দা।

২০০৮ সালে পাহাড়ে মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও এই সেবা পৌঁছায়নি দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়নে। ২০২৪ সালে বিকল্প হিসেবে উপগ্রহভিত্তিক ইন্টারনেট স্টারলিংক চালু করা হলেও সেবা নিতে নির্দিষ্ট স্থানে আসতে হয় স্থানীয়দের, প্রতিনিয়ত পড়তে হয় ভোগান্তিতে।

এই ইউনিয়নে সরকারি-বেসরকারি মিলে মোট ২৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। ইন্টারনেট সেবার অভাবে পিছিয়ে পড়ছে শিক্ষার্থীরাও।

এছাড়াও সরকারি-বেসরকারি সেবা ইন্টারনেটভিত্তিক হওয়ায় বিড়ম্বনায় পড়তে হয় সেবাগ্রহীতাদের।

ফারুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিদ্যালাল তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, ‘নেটওয়ার্কজনিত সমস্যার কারণে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে অনেক বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।’ সংকট নিরসনে দ্রুত সাশ্রয়ী ইন্টারনেট ও মোবাইল টাওয়ার স্থাপনের দাবি ফারুয়া ইউনিয়নের বাসিন্দাদের।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

মান্দায় প্রকল্পের কাজ না করেই টাকা উত্তোলনের অভিযোগ পিআইওর বিরুদ্ধে

নেটওয়ার্কের বাইরে রাঙামাটির অন্তত ৫০ গ্রাম

Update Time : 09:33:59 pm, Monday, 24 August 2026

এখনো মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবার বাইরে রাঙামাটির বিলাইছড়ির দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়ন। এতে যোগাযোগ, অনলাইন ফরম পূরণ, ভর্তি, সরকারি সেবা কিংবা আর্থিক লেনদেন-সবকিছুতেই ভোগান্তিতে পড়তে হয় স্থানীয়দের। যোগাযোগ ও ভৌগোলিক সমস্যার কারণে আধুনিক ডিজিটাল সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত এই জনপদ।

মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে গেছে ঘরে ঘরে। অথচ এখনো নেটওয়ার্কের বাইরে রয়ে গেছে রাঙামাটির বিলাইছড়ির ফারুয়া ইউনিয়নের অন্তত ৫০ গ্রামের বাসিন্দা।

২০০৮ সালে পাহাড়ে মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও এই সেবা পৌঁছায়নি দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়নে। ২০২৪ সালে বিকল্প হিসেবে উপগ্রহভিত্তিক ইন্টারনেট স্টারলিংক চালু করা হলেও সেবা নিতে নির্দিষ্ট স্থানে আসতে হয় স্থানীয়দের, প্রতিনিয়ত পড়তে হয় ভোগান্তিতে।

এই ইউনিয়নে সরকারি-বেসরকারি মিলে মোট ২৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। ইন্টারনেট সেবার অভাবে পিছিয়ে পড়ছে শিক্ষার্থীরাও।

এছাড়াও সরকারি-বেসরকারি সেবা ইন্টারনেটভিত্তিক হওয়ায় বিড়ম্বনায় পড়তে হয় সেবাগ্রহীতাদের।

ফারুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিদ্যালাল তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, ‘নেটওয়ার্কজনিত সমস্যার কারণে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে অনেক বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।’ সংকট নিরসনে দ্রুত সাশ্রয়ী ইন্টারনেট ও মোবাইল টাওয়ার স্থাপনের দাবি ফারুয়া ইউনিয়নের বাসিন্দাদের।