প্রতিদিন গ্রামীণফোন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে প্রায় ৪০ বছরের সমপরিমাণ অর্থাৎ ৩ লাখ ৫২ ঘণ্টা ভিডিও কনটেন্ট স্ট্রিম করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে। এই বিপুল ভিডিও দিয়ে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা দেখা সম্ভব বলেও উল্লেখ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়া রিলস, লাইভ খেলা, অনলাইন ক্লাস কিংবা ওটিটি সিরিজ– ভিডিও এখন বাংলাদেশের মানুষের অন্যতম প্রধান দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। আর এই ভিডিও-ফার্স্ট ডিজিটাল জীবনযাত্রায় ব্যবহারকারীদের একমাত্র প্রত্যাশা হলো– ‘প্লে’ চাপলেই যেন কোনো বাধা ছাড়াই ভিডিও চালু হয়ে যায়।
গ্রাহকদের এই বিরামহীন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে শক্তিশালী প্রযুক্তিগত অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে জানিয়ে গ্রামীণফোন বলছে, ২৪ হাজারের বেশি নেটওয়ার্ক সাইট নিয়ে গঠিত দেশের বৃহত্তম ৪জি অবকাঠামোর মাধ্যমে গ্রামীণফোন এখন দেশের ৯৮ দশমিক ৬ শতাংশের বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে গেছে। এছাড়া গ্রামীণফোনের রয়েছে ২৬০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডের ৬০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম– যা যেন বিপুল পরিমাণ ডেটা চলাচলের জন্য একটি ‘৬০ লেনের ডিজিটাল মহাসড়ক’। সাথে সর্বোচ্চ ২০০ এমবিপিএস পর্যন্ত ৫জি গতি গ্রাহকদের সেরা অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শুধু উচ্চগতিই নয়, দ্রুত ভিডিও লোডিংয়ের জন্য গ্রামীণফোন জোর দিয়েছে লোকাল ক্যাশ ইকোসিস্টেমের ওপর। এর ফলে বহুল ব্যবহৃত কন্টেন্টগুলো ব্যবহারকারীর নিকটবর্তী সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে। এতে দূরবর্তী কোনো সার্ভার থেকে ডেটা আনার প্রয়োজন হয় না এবং ফার্স্ট বাইট মাত্র ৫৫ মিলিসেকেন্ডের মধ্যে লোড হয়– যা মানুষের চোখের পলক ফেলার চেয়েও দ্রুত।
বিজ্ঞপ্তিতে সবশেষে বলা হয়, প্রযুক্তির এই জটিল প্রক্রিয়াগুলো সাধারণ চোখে আড়ালেই থেকে যায়। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে শহরের ব্যস্ততম এলাকা–ব্যবহারকারী কেবল ‘প্লে’ বোতামে চাপ দেন, আর ভিডিও বাফারহীনভাবে চলতে শুরু করে।

















