আজ সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
২ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ০৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি
২৭°C
সর্বোচ্চ: ৩০°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ১০০%

ঠাকুরগাঁওয়ে অনুমোদন পেল ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি

  • MIT ERP
  • Update Time : 09:17:09 pm, Monday, 17 August 2026
  • 5

ঠাকুরগাঁওয়ে অনুমোদন পেল ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

ঠাকুরগাঁওয়ে ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ইইউএসটি) প্রতিষ্ঠার অনুমোদন পেয়েছে ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)। সংগঠনটির উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিতব্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদনের মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলে উচ্চশিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, গবেষণা এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইএসডিও এ তথ্য জানায়। ইএসডিওর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়টি শুধু ডিগ্রি দেওয়ার প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা হবে না। শিক্ষা, দক্ষতা, গবেষণা, উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা তৈরি ও কর্মসংস্থানের মধ্যে সংযোগ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। ভৌগোলিক দূরত্ব ও আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, কৃষি, পরিবেশ ও জলবায়ু প্রযুক্তির মতো বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি, উপাত্ত বিশ্লেষণ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির মতো উদীয়মান ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে। ইএসডিও জানিয়েছে, আধুনিক গবেষণাগার ও উদ্ভাবন কেন্দ্র স্থাপনের পাশাপাশি সমস্যা সমাধানভিত্তিক গবেষণাকে উৎসাহিত করা হবে।

শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংযোগ তৈরি করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষানবিশি, কর্মক্ষেত্রভিত্তিক প্রশিক্ষণ, কর্মজীবন পরামর্শ ও চাকরির সুযোগ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে। শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও নতুন ব্যবসা উদ্ভাবন কেন্দ্র চালুর পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে ইএসডিও। মেধাবী, নারী, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের কথাও বলা হয়েছে।

ইএসডিওর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ড. মো. শহীদ উজ জামান বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের মাটিতে একটি উচ্চমানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন আমরা দীর্ঘদিন ধরে লালন করছি। আজ সেই স্বপ্ন রাষ্ট্রীয়ভাবে অনুমোদন পাওয়ায় আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের লক্ষ্য এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা, যেখানে একজন শিক্ষার্থী শুধু একটি সনদ নিয়ে বের হবে না। সে বের হবে জ্ঞান, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, মানবিক মূল্যবোধ, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং কর্মজীবনে সফল হওয়ার সক্ষমতা নিয়ে। ইএসডিওর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ইইউএসটি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ঠাকুরগাঁওসহ বৃহত্তর উত্তরাঞ্চলে জ্ঞান ও উদ্ভাবনভিত্তিক পরিবেশ গড়ে উঠবে।

স্থানীয় পর্যায়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে বিশ্ববিদ্যালয়টি ভূমিকা রাখবে। বিশ্ববিদ্যালয়টির গবেষণায় উত্তরাঞ্চলের স্থানীয় সমস্যাগুলোকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। এর মধ্যে কৃষি ও খাদ্যপ্রযুক্তি, জলবায়ু সহনশীলতা, পরিবেশ, ডিজিটাল রূপান্তর, প্রকৌশল, স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি ও সামাজিক উদ্ভাবন উল্লেখযোগ্য।

ইইউএসটির লক্ষ্য হবে উত্তরাঞ্চল থেকে বিশ্বমানের জ্ঞান, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের সুযোগ তৈরি করা। বিশ্ববিদ্যালয়টির অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাবিদ, ঠাকুরগাঁওবাসী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে সংগঠনটি।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এনবিআরের প্রথম বৈঠক: আসছে বিশেষ বার্তা

ঠাকুরগাঁওয়ে অনুমোদন পেল ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি

Update Time : 09:17:09 pm, Monday, 17 August 2026

ঠাকুরগাঁওয়ে ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ইইউএসটি) প্রতিষ্ঠার অনুমোদন পেয়েছে ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)। সংগঠনটির উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিতব্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদনের মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলে উচ্চশিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, গবেষণা এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইএসডিও এ তথ্য জানায়। ইএসডিওর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়টি শুধু ডিগ্রি দেওয়ার প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা হবে না। শিক্ষা, দক্ষতা, গবেষণা, উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা তৈরি ও কর্মসংস্থানের মধ্যে সংযোগ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। ভৌগোলিক দূরত্ব ও আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, কৃষি, পরিবেশ ও জলবায়ু প্রযুক্তির মতো বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি, উপাত্ত বিশ্লেষণ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির মতো উদীয়মান ক্ষেত্রেও শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে। ইএসডিও জানিয়েছে, আধুনিক গবেষণাগার ও উদ্ভাবন কেন্দ্র স্থাপনের পাশাপাশি সমস্যা সমাধানভিত্তিক গবেষণাকে উৎসাহিত করা হবে।

শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংযোগ তৈরি করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষানবিশি, কর্মক্ষেত্রভিত্তিক প্রশিক্ষণ, কর্মজীবন পরামর্শ ও চাকরির সুযোগ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে। শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও নতুন ব্যবসা উদ্ভাবন কেন্দ্র চালুর পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে ইএসডিও। মেধাবী, নারী, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের কথাও বলা হয়েছে।

ইএসডিওর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ড. মো. শহীদ উজ জামান বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের মাটিতে একটি উচ্চমানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন আমরা দীর্ঘদিন ধরে লালন করছি। আজ সেই স্বপ্ন রাষ্ট্রীয়ভাবে অনুমোদন পাওয়ায় আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের লক্ষ্য এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা, যেখানে একজন শিক্ষার্থী শুধু একটি সনদ নিয়ে বের হবে না। সে বের হবে জ্ঞান, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, মানবিক মূল্যবোধ, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং কর্মজীবনে সফল হওয়ার সক্ষমতা নিয়ে। ইএসডিওর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ইইউএসটি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ঠাকুরগাঁওসহ বৃহত্তর উত্তরাঞ্চলে জ্ঞান ও উদ্ভাবনভিত্তিক পরিবেশ গড়ে উঠবে।

স্থানীয় পর্যায়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে বিশ্ববিদ্যালয়টি ভূমিকা রাখবে। বিশ্ববিদ্যালয়টির গবেষণায় উত্তরাঞ্চলের স্থানীয় সমস্যাগুলোকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। এর মধ্যে কৃষি ও খাদ্যপ্রযুক্তি, জলবায়ু সহনশীলতা, পরিবেশ, ডিজিটাল রূপান্তর, প্রকৌশল, স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি ও সামাজিক উদ্ভাবন উল্লেখযোগ্য।

ইইউএসটির লক্ষ্য হবে উত্তরাঞ্চল থেকে বিশ্বমানের জ্ঞান, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের সুযোগ তৈরি করা। বিশ্ববিদ্যালয়টির অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাবিদ, ঠাকুরগাঁওবাসী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে সংগঠনটি।