12:01 pm, Saturday, 15 August 2026

গাজীপুরবাসীর প্রত্যাশা: মন্ত্রিসভায় দেখতে চান এ কে এম ফজলুল হক মিলনকে

  • MIT ERP
  • Update Time : 12:00:58 pm, Saturday, 15 August 2026
  • 0

গাজীপুরবাসীর প্রত্যাশা: মন্ত্রিসভায় দেখতে চান এ কে এম ফজলুল হক মিলনকে

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৫ আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত সাংসদ এ কে এম ফজলুল হক মিলনকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চান গাজীপুরবাসী। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা এবং নির্বাচনি এলাকায় দীর্ঘদিনের পরিচিতির কারণে তাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি তুলেছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ সাধারণ মানুষ।

স্থানীয়দের ভাষ্য, শিল্প-অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জেলা গাজীপুর। রাজধানীর পাশের এ জেলায় বিপুলসংখ্যক শিল্পকারখানা, শ্রমজীবী মানুষ, কৃষিজমি ও আবাসিক এলাকা রয়েছে। ফলে জেলার উন্নয়ন, শিল্প ও শ্রম খাত, যোগাযোগব্যবস্থা, পরিবেশ এবং নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে জাতীয় পর্যায়ে শক্তিশালী প্রতিনিধিত্ব প্রয়োজন। এ অবস্থায় অভিজ্ঞ রাজনীতিক ফজলুল হক মিলনকে মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব দেওয়া হলে গাজীপুরের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে মনে করেন তারা।

২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী এ কে এম ফজলুল হক মিলন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৬৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. খায়রুল আহসান পান ৭৮ হাজার ১২৩ ভোট। নির্বাচনি ফলে মিলনের বড় ব্যবধানের জয় স্থানীয় রাজনীতিতে তার অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গাজীপুর-৫ আসনের মধ্যে রয়েছে কালীগঞ্জ উপজেলা এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৪০ থেকে ৪২ নম্বর ওয়ার্ড। আসনটিতে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৬৪৩ জন। এ কে এম ফজলুল হক মিলন বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ। তিনি বিএনপির সাবেক ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং গাজীপুর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ছাত্রজীবনেও তিনি জাতীয় পর্যায়ের সংগঠনে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূল থেকে উঠে আসা এবং দীর্ঘ সময় ধরে দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিজ্ঞতায় তিনি মন্ত্রিসভার দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে এগিয়ে। নির্বাচনের সময় প্রচারণায়ও তিনি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, ভোটাধিকার এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছিলেন। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গাজীপুরের মতো শিল্পনির্ভর ও জনবহুল জেলার জন্য মন্ত্রিসভায় একজন পূর্ণ মন্ত্রী থাকলে জেলার নানা সমস্যা জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরা সহজ ।

গাজীপুর-৫ আসনের ভোটাররা বলছেন, নির্বাচনের সময় এলাকার মানুষের কাছে উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এখন সংসদ সদস্য হিসেবে সেসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়েও গাজীপুরের স্বার্থ তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের মতে, কালীগঞ্জসহ গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুৎ, সড়ক যোগাযোগ এবং শ্রমিকদের জন্য আবাসন ও চিকিৎসাসুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি।

এসব বিষয়ে মন্ত্রিসভায় একজন গাজীপুরের প্রতিনিধি থাকলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায়ে জেলার দাবি আরও জোরালোভাবে উপস্থাপনের সুযোগ তৈরি হবে। চলতি বছরের এপ্রিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য হিসেবেও তাকে মনোনীত করা হয়। জাতীয় সংসদের স্পিকারের মনোনয়নে পাঁচজন সংসদ সদস্যের সঙ্গে ফজলুল হক মিলনও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য হন।

সম্প্রতি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নিজের এক মাসের সন্মানি ভাতা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে দেন তিনি। স্থানীয় নাগরিকদের মতে, গাজীপুর বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। পোশাকশিল্পসহ বিভিন্ন শিল্পকারখানায় দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। কিন্তু শিল্পের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সড়ক, পানি নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সংরক্ষণ, গণপরিবহন ও আবাসন সুবিধা গড়ে ওঠেনি।

তাদের ভাষ্য, জাতীয় বাজেট ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় গাজীপুরের জন্য যে গুরুত্ব প্রয়োজন, তা অনেক সময় যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয় না। মন্ত্রিসভায় জেলার একজন অভিজ্ঞ ও জনপ্রিয় সংসদ সদস্য থাকলে এসব বিষয় সরাসরি সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তুলে ধরার সুযোগ বাড়বে। কালীগঞ্জের একাধিক বাসিন্দা বলেন, তারা শুধু দলীয় বিবেচনায় নয়, গাজীপুরের উন্নয়ন ও জনগণের স্বার্থে ফজলুল হক মিলনকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চান।

তাদের প্রত্যাশা, দায়িত্ব পেলে তিনি দল-মত নির্বিশেষে জেলার মানুষের জন্য কাজ করবেন। এদিকে নির্বাচনের পর থেকেই ফজলুল হক মিলনকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়ার দাবি নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা শুরু হয়। ফেব্রুয়ারি মাসে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও গাজীপুর-৫ আসনের জনগণের এমন প্রত্যাশার কথা প্রকাশিত হয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, মন্ত্রিসভায় কাকে কোন দায়িত্ব দেওয়া হবে, সেটি সম্পূর্ণভাবে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত।

তবে কোনো এলাকার জনগণের প্রত্যাশা ও স্থানীয় বাস্তবতার প্রতিফলন হিসেবে এমন দাবি রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। ফজলুল হক মিলনের ক্ষেত্রে গাজীপুরের মানুষের মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্বের দাবি সেই প্রত্যাশাকেই সামনে নিয়ে এসেছে। গাজীপুরবাসীর এখন প্রত্যাশা—শিল্প ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ এই জেলার জন্য জাতীয় পর্যায়ে আরও শক্তিশালী রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে।

আর সেই প্রতিনিধিত্বের অংশ হিসেবে গাজীপুর-৫ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলন মন্ত্রিসভায় জায়গা পাবেন—এমন প্রত্যাশাই এখন স্থানীয় মানুষের আলোচনায় সবচেয়ে বেশি।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

গাজীপুরবাসীর প্রত্যাশা: মন্ত্রিসভায় দেখতে চান এ কে এম ফজলুল হক মিলনকে

গাজীপুরবাসীর প্রত্যাশা: মন্ত্রিসভায় দেখতে চান এ কে এম ফজলুল হক মিলনকে

Update Time : 12:00:58 pm, Saturday, 15 August 2026

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৫ আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত সাংসদ এ কে এম ফজলুল হক মিলনকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চান গাজীপুরবাসী। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা এবং নির্বাচনি এলাকায় দীর্ঘদিনের পরিচিতির কারণে তাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি তুলেছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ সাধারণ মানুষ।

স্থানীয়দের ভাষ্য, শিল্প-অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জেলা গাজীপুর। রাজধানীর পাশের এ জেলায় বিপুলসংখ্যক শিল্পকারখানা, শ্রমজীবী মানুষ, কৃষিজমি ও আবাসিক এলাকা রয়েছে। ফলে জেলার উন্নয়ন, শিল্প ও শ্রম খাত, যোগাযোগব্যবস্থা, পরিবেশ এবং নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে জাতীয় পর্যায়ে শক্তিশালী প্রতিনিধিত্ব প্রয়োজন। এ অবস্থায় অভিজ্ঞ রাজনীতিক ফজলুল হক মিলনকে মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব দেওয়া হলে গাজীপুরের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে মনে করেন তারা।

২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী এ কে এম ফজলুল হক মিলন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৬৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. খায়রুল আহসান পান ৭৮ হাজার ১২৩ ভোট। নির্বাচনি ফলে মিলনের বড় ব্যবধানের জয় স্থানীয় রাজনীতিতে তার অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গাজীপুর-৫ আসনের মধ্যে রয়েছে কালীগঞ্জ উপজেলা এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৪০ থেকে ৪২ নম্বর ওয়ার্ড। আসনটিতে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৬৪৩ জন। এ কে এম ফজলুল হক মিলন বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ। তিনি বিএনপির সাবেক ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং গাজীপুর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ছাত্রজীবনেও তিনি জাতীয় পর্যায়ের সংগঠনে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূল থেকে উঠে আসা এবং দীর্ঘ সময় ধরে দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিজ্ঞতায় তিনি মন্ত্রিসভার দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে এগিয়ে। নির্বাচনের সময় প্রচারণায়ও তিনি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, ভোটাধিকার এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছিলেন। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গাজীপুরের মতো শিল্পনির্ভর ও জনবহুল জেলার জন্য মন্ত্রিসভায় একজন পূর্ণ মন্ত্রী থাকলে জেলার নানা সমস্যা জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরা সহজ ।

গাজীপুর-৫ আসনের ভোটাররা বলছেন, নির্বাচনের সময় এলাকার মানুষের কাছে উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এখন সংসদ সদস্য হিসেবে সেসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়েও গাজীপুরের স্বার্থ তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের মতে, কালীগঞ্জসহ গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুৎ, সড়ক যোগাযোগ এবং শ্রমিকদের জন্য আবাসন ও চিকিৎসাসুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি।

এসব বিষয়ে মন্ত্রিসভায় একজন গাজীপুরের প্রতিনিধি থাকলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যায়ে জেলার দাবি আরও জোরালোভাবে উপস্থাপনের সুযোগ তৈরি হবে। চলতি বছরের এপ্রিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য হিসেবেও তাকে মনোনীত করা হয়। জাতীয় সংসদের স্পিকারের মনোনয়নে পাঁচজন সংসদ সদস্যের সঙ্গে ফজলুল হক মিলনও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য হন।

সম্প্রতি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নিজের এক মাসের সন্মানি ভাতা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে দেন তিনি। স্থানীয় নাগরিকদের মতে, গাজীপুর বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। পোশাকশিল্পসহ বিভিন্ন শিল্পকারখানায় দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। কিন্তু শিল্পের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সড়ক, পানি নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সংরক্ষণ, গণপরিবহন ও আবাসন সুবিধা গড়ে ওঠেনি।

তাদের ভাষ্য, জাতীয় বাজেট ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় গাজীপুরের জন্য যে গুরুত্ব প্রয়োজন, তা অনেক সময় যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয় না। মন্ত্রিসভায় জেলার একজন অভিজ্ঞ ও জনপ্রিয় সংসদ সদস্য থাকলে এসব বিষয় সরাসরি সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তুলে ধরার সুযোগ বাড়বে। কালীগঞ্জের একাধিক বাসিন্দা বলেন, তারা শুধু দলীয় বিবেচনায় নয়, গাজীপুরের উন্নয়ন ও জনগণের স্বার্থে ফজলুল হক মিলনকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চান।

তাদের প্রত্যাশা, দায়িত্ব পেলে তিনি দল-মত নির্বিশেষে জেলার মানুষের জন্য কাজ করবেন। এদিকে নির্বাচনের পর থেকেই ফজলুল হক মিলনকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়ার দাবি নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা শুরু হয়। ফেব্রুয়ারি মাসে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও গাজীপুর-৫ আসনের জনগণের এমন প্রত্যাশার কথা প্রকাশিত হয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, মন্ত্রিসভায় কাকে কোন দায়িত্ব দেওয়া হবে, সেটি সম্পূর্ণভাবে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত।

তবে কোনো এলাকার জনগণের প্রত্যাশা ও স্থানীয় বাস্তবতার প্রতিফলন হিসেবে এমন দাবি রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। ফজলুল হক মিলনের ক্ষেত্রে গাজীপুরের মানুষের মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্বের দাবি সেই প্রত্যাশাকেই সামনে নিয়ে এসেছে। গাজীপুরবাসীর এখন প্রত্যাশা—শিল্প ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ এই জেলার জন্য জাতীয় পর্যায়ে আরও শক্তিশালী রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে।

আর সেই প্রতিনিধিত্বের অংশ হিসেবে গাজীপুর-৫ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলন মন্ত্রিসভায় জায়গা পাবেন—এমন প্রত্যাশাই এখন স্থানীয় মানুষের আলোচনায় সবচেয়ে বেশি।