12:23 pm, Wednesday, 12 August 2026

শিশু রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন

  • MIT ERP
  • Update Time : 11:16:00 am, Wednesday, 12 August 2026
  • 2

শিশু রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। এর আগে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের জন্য সলিসিটরকে নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশের পর ২৫ জুন এ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের পক্ষে আইনি লড়াইয়ের জন্য সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ পান। গত ১৯ মে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন সোহেল রানা। এ অপরাধে তাকে পূর্ণ সহায়তা করেন তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার। অপরাধের গভীরতা বিবেচনা করে দু’জনের বিরুদ্ধেই মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন ঢাকার শিশু অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। রায়ের পর দুই আসামিকে পাঠানো হয় কনডেম সেলে। সেখান থেকে তারা রায়ের বিরুদ্ধে জেল আপিল করেন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

সিলেটে বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রী ও গৃহকর্মীর লাশ উদ্ধার

শিশু রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন

Update Time : 11:16:00 am, Wednesday, 12 August 2026

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। এর আগে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের জন্য সলিসিটরকে নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশের পর ২৫ জুন এ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের পক্ষে আইনি লড়াইয়ের জন্য সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ পান। গত ১৯ মে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন সোহেল রানা। এ অপরাধে তাকে পূর্ণ সহায়তা করেন তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার। অপরাধের গভীরতা বিবেচনা করে দু’জনের বিরুদ্ধেই মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন ঢাকার শিশু অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। রায়ের পর দুই আসামিকে পাঠানো হয় কনডেম সেলে। সেখান থেকে তারা রায়ের বিরুদ্ধে জেল আপিল করেন।