জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ যোদ্ধাদের স্মরণ এবং আহত যোদ্ধাদের সম্মান জানিয়েছে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন। আজ মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ের পর্যটন ভবনে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে শহীদ জুলাই যোদ্ধাদের পরিবারের সদস্য ও আহত যোদ্ধাদের হাতে প্রাইজবন্ড ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় জুলাইয়ের আত্মত্যাগ ও অবদানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ ফাহমিদা আখতার।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহত যোদ্ধারা আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায়ের সাহসী অংশীদার। তাঁদের আত্মত্যাগকে কেবল আনুষ্ঠানিকভাবে স্মরণ করলেই হবে না; তাঁদের স্বপ্ন, প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি মানবিক, বৈষম্যহীন ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
’ তিনি বলেন, ‘শহীদ পরিবারের প্রতি সম্মান এবং আহত যোদ্ধাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। ’ জুলাইয়ের শহীদদের পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘যে মা সন্তান হারিয়েছেন, যে বাবা তাঁর কাঁধে সন্তানের লাশ নিয়েছেন, তাঁরাই জানেন সন্তান হারানোর কষ্ট। আপনাদের অবদানের কারণেই আমরা এখানে দাঁড়িয়ে কথা বলছি।
দেশকে ফ্যাসিস্টের দুঃশাসন থেকে রক্ষা করেছেন আমাদের জুলাই যোদ্ধারা। ’ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের পক্ষ থেকে পাঁচজন শহীদ জুলাই যোদ্ধার পরিবারের সদস্য এবং পাঁচজন আহত জুলাই যোদ্ধাকে সম্মাননা দেওয়া হয়। তাঁদের হাতে প্রাইজবন্ড ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিরা। এ সময় অনুষ্ঠানস্থলে আবেগঘন ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার কর্মকর্তা, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বেসরকারি পর্যটন খাতের সংশ্লিষ্ট সংগঠনের প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।














