7:55 pm, Friday, 7 August 2026

হাসিনাকে ‘ফেরানোর তৎপরতা’, বেরোবির ৭ শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত

  • MIT ERP
  • Update Time : 06:51:44 pm, Friday, 7 August 2026
  • 4

হাসিনাকে ‘ফেরানোর তৎপরতা’, বেরোবির ৭ শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরানোর গোপন তৎপরতায় যুক্ত থাকার অভিযোগে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ৭ শিক্ষকের বিরুদ্ধে তথ্য অনুসন্ধানের জন্য ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ফেরদৌস রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অনুসন্ধ্যান কমিটিতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তানজিউল ইসলাম জীবন আহ্বায়ক ও বেরোবির লিগ্যাল সেলের সহকারী রেজিস্ট্রার রেহেনা আক্তার মনি সদস্য সচিব এবং ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান, রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. হারুন-আল-রশীদ, ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আতাউর রহমান সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রের খবরে জানা যায়, দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষক পতিত সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের সাথে গোপনে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। সেই তালিকার মধ্যে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক জড়িত রয়েছেন কিনা তা সুষ্ঠু অনুসন্ধানের উদ্দেশে তথ্য অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।

হাসিনাকে ফেরানোর তৎপরতায় যাদের নাম এসেছে গণমাধ্যমে, তারা হলেন- বেরোবির লোক প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদ মণ্ডল ও গণিত বিভাগের ড. মশিউর রহমান, প্রফেসর ড. আয়েশা আকতার আঁখি, প্রফেসর ড. মো. জাকির হোসেন, জেড উদ্দিন, দেবু পিকে (সাংকেতিক নাম), এসকে বি (সাংকেতিক নাম)। এদের মধ্যে আসাদ মণ্ডল ও ড. মশিউর রহমান জুলাইয়ে আবু সাঈদ হত্যা মামলা আসামি হওয়ায় সাময়িক বরখাস্ত রয়েছেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. ফেরদৌস রহমান বলেন, গণমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের ভিত্তিতে একটি তথ্য অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে। তথ্য অনুসন্ধান কমিটি প্রতিবেদন দেওয়ার পর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী শৃঙ্খলা কমিটি এবং সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যদি কেউ সম্পৃক্ত থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. শওকাত আলী বলেন, যারা এই তৎপরতায় জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কোনভাবেই তাদেরকে ছাড় দেওয়া হবে না। তদন্তে প্রমাণিত হওয়ার সাথে সাথেই আইনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

হাসিনাকে ‘ফেরানোর তৎপরতা’, বেরোবির ৭ শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত

Update Time : 06:51:44 pm, Friday, 7 August 2026

জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরানোর গোপন তৎপরতায় যুক্ত থাকার অভিযোগে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ৭ শিক্ষকের বিরুদ্ধে তথ্য অনুসন্ধানের জন্য ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ফেরদৌস রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অনুসন্ধ্যান কমিটিতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তানজিউল ইসলাম জীবন আহ্বায়ক ও বেরোবির লিগ্যাল সেলের সহকারী রেজিস্ট্রার রেহেনা আক্তার মনি সদস্য সচিব এবং ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান, রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. হারুন-আল-রশীদ, ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আতাউর রহমান সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রের খবরে জানা যায়, দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষক পতিত সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের সাথে গোপনে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। সেই তালিকার মধ্যে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক জড়িত রয়েছেন কিনা তা সুষ্ঠু অনুসন্ধানের উদ্দেশে তথ্য অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।

হাসিনাকে ফেরানোর তৎপরতায় যাদের নাম এসেছে গণমাধ্যমে, তারা হলেন- বেরোবির লোক প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদ মণ্ডল ও গণিত বিভাগের ড. মশিউর রহমান, প্রফেসর ড. আয়েশা আকতার আঁখি, প্রফেসর ড. মো. জাকির হোসেন, জেড উদ্দিন, দেবু পিকে (সাংকেতিক নাম), এসকে বি (সাংকেতিক নাম)। এদের মধ্যে আসাদ মণ্ডল ও ড. মশিউর রহমান জুলাইয়ে আবু সাঈদ হত্যা মামলা আসামি হওয়ায় সাময়িক বরখাস্ত রয়েছেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. ফেরদৌস রহমান বলেন, গণমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের ভিত্তিতে একটি তথ্য অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে। তথ্য অনুসন্ধান কমিটি প্রতিবেদন দেওয়ার পর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী শৃঙ্খলা কমিটি এবং সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যদি কেউ সম্পৃক্ত থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. শওকাত আলী বলেন, যারা এই তৎপরতায় জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কোনভাবেই তাদেরকে ছাড় দেওয়া হবে না। তদন্তে প্রমাণিত হওয়ার সাথে সাথেই আইনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।