মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বাসুদেবপুর এলাকায় জুয়া খেলার অভিযোগে এক পুলিশ কনস্টেবলসহ তিনজনকে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে তাদের গণপিটুনি দিয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় সোমবার (৩ আগস্ট) আটক দুই ব্যক্তিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াও চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে বাসুদেবপুর গ্রামের একটি ভুট্টাক্ষেতে ছয়জন ব্যক্তি জুয়া খেলছিলেন। খবর পেয়ে স্থানীয়রা সেখানে গিয়ে অভিযান চালালে তিনজন পালিয়ে যান। তবে পুলিশ কনস্টেবলসহ তিনজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের গণপিটুনি দিয়ে সদর থানায় সোপর্দ করা হয়। আটক পুলিশ সদস্যের নাম তারেক। তিনি মানিকগঞ্জ সদর থানায় কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত এবং থানার একটি পুলিশ গাড়ির চালকের দায়িত্বে ছিলেন বলে জানা গেছে।
অপর দুই আটক ব্যক্তি হলেন পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার চর কল্যাণপুর গ্রামের মৃত রফিক ফকিরের ছেলে ফরহাদ এবং মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার বাচামারা গ্রামের আব্দুল বিশ্বাসের ছেলে রুহুল। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। কর্মরত এক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে জুয়া খেলার অভিযোগ ওঠায় বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন বলেন, অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবল তারেককে ইতোমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার প্রস্তুতি চলছে। অপর দুই আসামিকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।



















