4:26 am, Monday, 3 August 2026

ভিয়েতনামি লংগান চাষে সফল উদ্যোক্তা প্রিয়দর্শী চাকমা

  • MIT ERP
  • Update Time : 03:11:22 am, Monday, 3 August 2026
  • 4

ভিয়েতনামি লংগান চাষে সফল উদ্যোক্তা প্রিয়দর্শী চাকমা

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

পাহাড়ের ভিয়েতনামি লংগান (লিচু) চাষ করে সফল খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলায় কৃষি উদ্যোক্তা প্রিয়র্দশী চাকমা। বন্ধুর মাধ্যমে দিনাজপুর থেকে লংগান চারা এনে ৫ বছর আগে পরীক্ষামূলকভাবে লংগান চারা রোপণ করেন। এবছর প্রচুর ফলন হয়েছে। ৫০০-৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। সমতলে লংগান ফলের দাম ১ হাজার থেকে ১২শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পাহাড়ে হতে পারে ভিয়েতনামি লংগান চাষের অর্থকরী ফসল। লংগান বিদেশি জাতের ফল হলেও স্বাদে ও দেখতে বাংলাদেশের লিচুর মতো। লংগান ফলে রসালো মাংসের পরিমাণ বেশি। বীজ একেবারে ছোট, নেই বললেই চলে। তবে লংগান গাছ বছরে দুবার ফলন দেয়। তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা প্রিয়দর্শী চাকমা ভিয়েতনামী লংগান চাষ সম্পর্কে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও ইউটিউব ভিডিও দেখে লংগান চাষ করতে আগ্রহ সৃষ্টি হয়। দিনাজপুরে আমার বন্ধুর মাধ্যমে যোগাযোগ করে ৫ বছর আগে প্রতিপিস লংগান চারা ১২শ টাকা করে ৫-৬টি চারা এনে পরীক্ষামূলক রোপণ করি। লংগান লাগানোর পরে তেমন কোনো যত্ন নিতে হয়নি। এ বছর লংগান গাছে প্রচুর ফলন হয়েছে। গাছে সার কীটনাশক কিছুই দেইনি। প্রতি কেজি ৫০০-৬০০ টাকা দরে পাইকারি বিক্রি করছি। পাহাড়ের মাটি লংগান ফল চাষের জন্য উপযোগী মনে হচ্ছে। বাণিজ্যিকভাবে লংগান ফল চাষ করলে লাভবান হওয়া সম্ভব। কৃষি কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন বলেন, লংগান ভিয়েতনামী বিদেশি লিচু জাতীয় ফল। উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন সি ও এন্টিঅক্সাইড থাকার কারণে স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। স্থানীয় বাজারে এর প্রচুর চাহিদা রয়েছে। এবং বাজারের এর উচ্চ মূল্যও রয়েছে। তরুণ কৃষি উদ্যোক্তারা ভিয়েতনামী লংগান চাষ করলে কৃষি অফিস থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

ভিয়েতনামি লংগান চাষে সফল উদ্যোক্তা প্রিয়দর্শী চাকমা

Update Time : 03:11:22 am, Monday, 3 August 2026

পাহাড়ের ভিয়েতনামি লংগান (লিচু) চাষ করে সফল খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলায় কৃষি উদ্যোক্তা প্রিয়র্দশী চাকমা। বন্ধুর মাধ্যমে দিনাজপুর থেকে লংগান চারা এনে ৫ বছর আগে পরীক্ষামূলকভাবে লংগান চারা রোপণ করেন। এবছর প্রচুর ফলন হয়েছে। ৫০০-৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। সমতলে লংগান ফলের দাম ১ হাজার থেকে ১২শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পাহাড়ে হতে পারে ভিয়েতনামি লংগান চাষের অর্থকরী ফসল। লংগান বিদেশি জাতের ফল হলেও স্বাদে ও দেখতে বাংলাদেশের লিচুর মতো। লংগান ফলে রসালো মাংসের পরিমাণ বেশি। বীজ একেবারে ছোট, নেই বললেই চলে। তবে লংগান গাছ বছরে দুবার ফলন দেয়। তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা প্রিয়দর্শী চাকমা ভিয়েতনামী লংগান চাষ সম্পর্কে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও ইউটিউব ভিডিও দেখে লংগান চাষ করতে আগ্রহ সৃষ্টি হয়। দিনাজপুরে আমার বন্ধুর মাধ্যমে যোগাযোগ করে ৫ বছর আগে প্রতিপিস লংগান চারা ১২শ টাকা করে ৫-৬টি চারা এনে পরীক্ষামূলক রোপণ করি। লংগান লাগানোর পরে তেমন কোনো যত্ন নিতে হয়নি। এ বছর লংগান গাছে প্রচুর ফলন হয়েছে। গাছে সার কীটনাশক কিছুই দেইনি। প্রতি কেজি ৫০০-৬০০ টাকা দরে পাইকারি বিক্রি করছি। পাহাড়ের মাটি লংগান ফল চাষের জন্য উপযোগী মনে হচ্ছে। বাণিজ্যিকভাবে লংগান ফল চাষ করলে লাভবান হওয়া সম্ভব। কৃষি কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন বলেন, লংগান ভিয়েতনামী বিদেশি লিচু জাতীয় ফল। উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন সি ও এন্টিঅক্সাইড থাকার কারণে স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। স্থানীয় বাজারে এর প্রচুর চাহিদা রয়েছে। এবং বাজারের এর উচ্চ মূল্যও রয়েছে। তরুণ কৃষি উদ্যোক্তারা ভিয়েতনামী লংগান চাষ করলে কৃষি অফিস থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হবে।