6:47 pm, Sunday, 2 August 2026

৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দিলেই ২৫ হাজার পর্যন্ত কর ছাড়

  • MIT ERP
  • Update Time : 05:36:17 pm, Sunday, 2 August 2026
  • 5
Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

করদাতাদের স্বেচ্ছায় কর পরিপালনে উৎসাহিত করতে আয়কর আইন, ২০২৩ এর নতুন বিধান অনুযায়ী আয়কর রিটার্ন দাখিলে কর প্রণোদনার ব্যবস্থা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ব্যক্তি করদাতারা ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৭৩ অনুযায়ী ৫ শতাংশ হারে সর্বোচ্চ ২৫ টাকা কর প্রণোদনা বা কর ছাড় প্রাপ্ত হবেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিশেষ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রোববার (২ আগস্ট) এ তথ্য জানায়। এনবিআরের নতুন বিধান অনুযায়ী, ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর সময়ের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিলকারী স্বাভাবিক ব্যক্তি (Individual) ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার করদাতারা আয়কর রিটার্নের সাথে পরিশোধযোগ্য কর (আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৭৩ অনুযায়ী) এর ৫ শতাংশ (সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা) কর প্রণোদনা বা কর ছাড় প্রাপ্ত হবেন। তবে, ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে কোনো কর প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে না। অন্যদিকে, ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত রিটার্ন দাখিল করলে আয়কর রিটার্নের সাথে আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৭৩(২) অনুসারে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ বা ৩,০০০ টাকা, এই দুইয়ের মধ্যে যা বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত কর প্রদান করতে হবে। এ ছাড়া ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্নের সাথে আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৭৩(২) অনুসারে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ৫,০০০ টাকা, এই দুইয়ের মধ্যে যা বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত কর প্রযোজ্য হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিশ্বাস করে, নির্ধারিত সময়ের শুরুতেই রিটার্ন দাখিলে কর প্রণোদনা প্রদানের ফলে অধিক সংখ্যক করদাতা সময়মতো রিটার্ন দাখিলে উৎসাহিত হবেন, কর পরিপালনের সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী হবে এবং কর প্রশাসনের কার্যক্রম অধিকতর দক্ষ ও সুশৃঙ্খল হবে। উল্লেখ্য, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড গত ২২ জুলাই ২০২৬ তারিখ থেকে ২০২৬-২০২৭ করবর্ষের জন্য ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাগণের জন্য ই-রিটার্ন সেবা চালু করেছে। করদাতাগণ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের www.etaxnbr.gov.bd সিস্টেমের মাধ্যমে ঘরে বসেই সহজে আয়কর রিটার্ন দাখিল এবং ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, নগদ, রকেটসহ বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমে কর পরিশোধ করতে পারবেন। সঠিক তথ্য প্রদান করে নির্ভুলভাবে রিটার্ন দাখিলের পর তাৎক্ষণিকভাবে প্রাপ্তিস্বীকারপত্র ও আয়কর সনদ সংগ্রহ করা সম্ভব। অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হলে তা সমাধানের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তাগণ সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত অফিস চলাকালীন কল সেন্টার (০৯৬৪৩৭১৭১৭১) এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবেন। ৩০ সেপ্টেম্বরের পর দাখিলকৃত রিটার্নের ক্ষেত্রে কর প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে না। তাই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সম্মানিত করদাতাগণকে উক্ত সময়ের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করে কর প্রণোদনার সুবিধা গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দিলেই ২৫ হাজার পর্যন্ত কর ছাড়

Update Time : 05:36:17 pm, Sunday, 2 August 2026

করদাতাদের স্বেচ্ছায় কর পরিপালনে উৎসাহিত করতে আয়কর আইন, ২০২৩ এর নতুন বিধান অনুযায়ী আয়কর রিটার্ন দাখিলে কর প্রণোদনার ব্যবস্থা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ব্যক্তি করদাতারা ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৭৩ অনুযায়ী ৫ শতাংশ হারে সর্বোচ্চ ২৫ টাকা কর প্রণোদনা বা কর ছাড় প্রাপ্ত হবেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিশেষ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রোববার (২ আগস্ট) এ তথ্য জানায়। এনবিআরের নতুন বিধান অনুযায়ী, ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর সময়ের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিলকারী স্বাভাবিক ব্যক্তি (Individual) ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার করদাতারা আয়কর রিটার্নের সাথে পরিশোধযোগ্য কর (আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৭৩ অনুযায়ী) এর ৫ শতাংশ (সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা) কর প্রণোদনা বা কর ছাড় প্রাপ্ত হবেন। তবে, ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে কোনো কর প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে না। অন্যদিকে, ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত রিটার্ন দাখিল করলে আয়কর রিটার্নের সাথে আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৭৩(২) অনুসারে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ বা ৩,০০০ টাকা, এই দুইয়ের মধ্যে যা বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত কর প্রদান করতে হবে। এ ছাড়া ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্নের সাথে আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৭৩(২) অনুসারে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ৫,০০০ টাকা, এই দুইয়ের মধ্যে যা বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত কর প্রযোজ্য হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিশ্বাস করে, নির্ধারিত সময়ের শুরুতেই রিটার্ন দাখিলে কর প্রণোদনা প্রদানের ফলে অধিক সংখ্যক করদাতা সময়মতো রিটার্ন দাখিলে উৎসাহিত হবেন, কর পরিপালনের সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী হবে এবং কর প্রশাসনের কার্যক্রম অধিকতর দক্ষ ও সুশৃঙ্খল হবে। উল্লেখ্য, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড গত ২২ জুলাই ২০২৬ তারিখ থেকে ২০২৬-২০২৭ করবর্ষের জন্য ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাগণের জন্য ই-রিটার্ন সেবা চালু করেছে। করদাতাগণ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের www.etaxnbr.gov.bd সিস্টেমের মাধ্যমে ঘরে বসেই সহজে আয়কর রিটার্ন দাখিল এবং ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, নগদ, রকেটসহ বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমে কর পরিশোধ করতে পারবেন। সঠিক তথ্য প্রদান করে নির্ভুলভাবে রিটার্ন দাখিলের পর তাৎক্ষণিকভাবে প্রাপ্তিস্বীকারপত্র ও আয়কর সনদ সংগ্রহ করা সম্ভব। অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হলে তা সমাধানের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তাগণ সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত অফিস চলাকালীন কল সেন্টার (০৯৬৪৩৭১৭১৭১) এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবেন। ৩০ সেপ্টেম্বরের পর দাখিলকৃত রিটার্নের ক্ষেত্রে কর প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে না। তাই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সম্মানিত করদাতাগণকে উক্ত সময়ের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করে কর প্রণোদনার সুবিধা গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।