আজ মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৩ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ১৬ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
২৮°C
সর্বোচ্চ: ৩৫°C
সর্বনিম্ন: ২৭°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৩৫%

কচুয়ায় হাসপাতালে হামলা ও ভাঙচুরের মামলায় ৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

  • MIT ERP
  • Update Time : 12:03:01 am, Monday, 28 September 2026
  • 20

কচুয়ায় হাসপাতালে হামলা ও ভাঙচুরের মামলায় ৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

চাঁদপুরের কচুয়া বাজারস্থ ইসলামীয়া হাসপাতালে হামলা, মারধর, ভাঙচুর, নগদ টাকা নিয়ে যাওয়াসহ ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে দায়ের করা নালিশি মামলায় ৪ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের নাজির ফখরুদ্দিন স্বপন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা হলেন, কচুয়া থানার করইশ গ্রামের তরিকুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, শরীফুল ইসলাম ও গাজী গোলাম মোস্তফা। আদালতে দাখিল করা অভিযোগে বলা হয়, কচুয়া বাজারস্থ ইসলামীয়া হাসপাতালের তৃতীয় তলার অফিস কক্ষে অবস্থানকালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আসামিরা দলবদ্ধ হয়ে সেখানে প্রবেশ করেন।

এ সময় হাসপাতাল থেকে বাদীকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তার সঙ্গে অশালীন আচরণ, গালিগালাজ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, একপর্যায়ে কয়েকজন আসামি লোহার রড ও কাঠের আদল দিয়ে বাদীর মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে বাদী গুরুতর আহত হন এবং তার ডান বুকের পাঁজরের হাড় ভেঙে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া আসামিরা হাসপাতালের ক্যাশবাক্স ভেঙে ১৫ লাখ টাকা নিয়ে যান এবং হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রোগীদের মারধর করে বের করে দেন বলে অভিযোগ করা হয়।

পরে হাসপাতালের মূল ফটকে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, আহত বাদী চিকিৎসার জন্য কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে আসামিরা সেখানে গিয়েও তাকে ও তার স্বজনদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। মামলা করলে বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। বাদী ওমর ফারুক মজুমদারের দাবি, ঘটনার পর থানায় মামলা নিতে বিলম্ব হওয়ায় তিনি আদালতের আশ্রয় নেন।

আদালত অভিযোগের বিষয়ে তিনজন সাক্ষীর জবানবন্দি পরীক্ষা করেন। একই সঙ্গে বাদীর দাখিল করা জখমী সনদ পর্যালোচনা করেন আদালত। সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জখমী সনদসহ উপস্থাপিত কাগজপত্র পর্যালোচনা শেষে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজাহিদুর রহমান চার আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

চুয়েটে লাগাতার আন্দোলনে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত

কচুয়ায় হাসপাতালে হামলা ও ভাঙচুরের মামলায় ৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

Update Time : 12:03:01 am, Monday, 28 September 2026

চাঁদপুরের কচুয়া বাজারস্থ ইসলামীয়া হাসপাতালে হামলা, মারধর, ভাঙচুর, নগদ টাকা নিয়ে যাওয়াসহ ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে দায়ের করা নালিশি মামলায় ৪ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের নাজির ফখরুদ্দিন স্বপন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা হলেন, কচুয়া থানার করইশ গ্রামের তরিকুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, শরীফুল ইসলাম ও গাজী গোলাম মোস্তফা। আদালতে দাখিল করা অভিযোগে বলা হয়, কচুয়া বাজারস্থ ইসলামীয়া হাসপাতালের তৃতীয় তলার অফিস কক্ষে অবস্থানকালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আসামিরা দলবদ্ধ হয়ে সেখানে প্রবেশ করেন।

এ সময় হাসপাতাল থেকে বাদীকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তার সঙ্গে অশালীন আচরণ, গালিগালাজ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, একপর্যায়ে কয়েকজন আসামি লোহার রড ও কাঠের আদল দিয়ে বাদীর মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে বাদী গুরুতর আহত হন এবং তার ডান বুকের পাঁজরের হাড় ভেঙে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া আসামিরা হাসপাতালের ক্যাশবাক্স ভেঙে ১৫ লাখ টাকা নিয়ে যান এবং হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রোগীদের মারধর করে বের করে দেন বলে অভিযোগ করা হয়।

পরে হাসপাতালের মূল ফটকে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, আহত বাদী চিকিৎসার জন্য কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে আসামিরা সেখানে গিয়েও তাকে ও তার স্বজনদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। মামলা করলে বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। বাদী ওমর ফারুক মজুমদারের দাবি, ঘটনার পর থানায় মামলা নিতে বিলম্ব হওয়ায় তিনি আদালতের আশ্রয় নেন।

আদালত অভিযোগের বিষয়ে তিনজন সাক্ষীর জবানবন্দি পরীক্ষা করেন। একই সঙ্গে বাদীর দাখিল করা জখমী সনদ পর্যালোচনা করেন আদালত। সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জখমী সনদসহ উপস্থাপিত কাগজপত্র পর্যালোচনা শেষে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজাহিদুর রহমান চার আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।