রাজশাহীতে আবার বেড়েছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। আক্রান্ত হয়ে গড়ে প্রতিদিন হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন ২৫ জনের বেশি। উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ডেঙ্গুর দুটি প্রাণঘাতি জটিল রূপ- শক সিন্ড্রোম ও মায়োকার্ডাইটিস। চিকিৎকরা বলছেন, দ্বিতীয় বার আক্রান্তরাই এসব জটিলতায় ভুগছেন বেশি।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জ্বর নিয়ে আসছেন একের পর এক রোগী। যাদের বেশিরভাই ডেঙ্গু আক্রান্ত। চলতি মৌসুমে প্রথম হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয় ৭ জুন। আর প্রথম মৃত্যু হয় ৩১ আগস্টে। এখন গড়ে প্রতিদিন হাসপাতালে ভর্তি হন ২৫ জনের বেশি ডেঙ্গু রোগী। জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভর্তি হয়েছেন ৯০১ জন। মারা গেছেন ১৩ জন।
রামেক মেডিসিন বিভাগের ইউনিট প্রধান ডা. আজিজুল হক আজাদ বলেন, ‘চিকিৎসকদের সবচেয়ে বেশি ভাবাচ্ছে ডেঙ্গুর জটিল রূপ- শক সিন্ড্রোম। এ অবস্থায় রক্তনালীর দেয়াল থেকে অতিরিক্ত প্লাজমা বেরিয়ে যায়। দ্রুত কমে যায় শরীরের রক্তের পরিমাণ। এতে বিপজ্জনকভাবে নেমে যায় রক্তচাপ। এছাড়াও আছে মায়োকার্ডাইটিস বা হৃদপেশির প্রদাহ। যা কার্ডিয়াক শকের ঝুঁকি তৈরি করে।’
রামেক মুখপাত্র ডা. শেখ শামীম আহমেদ বলেন, ‘রোগীর চাপ বাড়ায় রাজশাহী মেডিকেলে আইসোলেশন ওয়ার্ডে শয্যার সংখ্যা ৪৪ থেকে বাড়িয়ে একশতে উন্নীত করার পরিকল্পনা আছে।’
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘এডিসের লার্ভা নিধনে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে সিটি করপোরেশন।’
বিশ্লেষকরা বলছেন, আক্রান্তদের অধিকাংশের ভ্রমণ রেকর্ড নেই। যার অর্থ, এলাকার ভেতর থেকেই সংক্রমণ ছড়াচ্ছে।


















