উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের লাগাতার আন্দোলনের বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে চুয়েটের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে। টানা আন্দোলনের কারণে স্থবির সব কার্যক্রম। এরই মধ্যে ৬ বিভাগের ৬টি পরীক্ষা স্থগিত হয়েছে। এতে দেখা দিয়েছে সেশন জটের শঙ্কা। একাডেমিক কার্যক্রম ভেঙে পড়ায় উদ্বেগে শিক্ষকরা। বেতন-ভাতা পাওয়া নিয়েও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।
বন্ধ ক্লাস ও ল্যাব রুম। স্থগিত পরীক্ষা। সুনসান নিরবতা চুয়েটের প্রতিটি একাডেমিক ভবনে। গত আড়াই বছরেও এমন পরিস্থিতি হয়নি এ বিশ্ববিদ্যালয়ে।
উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলনের ৭ম দিন পার করেছে চুয়েট। লাগাতার আন্দোলনে স্থবির একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের হিসেবে, এরই মধ্যে ৬ বিভাগের ৬টি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এতে তৈরি হয়েছে সেশন জটের শংকা।
একাডেমিক কার্যক্রম ভেঙে পড়ায় উদ্বেগে শিক্ষকরা। তবে বাড়তি ক্লাস-পরীক্ষা নিয়ে ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা তাদের।
চুয়েটের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মঈনুল ইসলাম বলেন, ‘৬ বিভাগের ৬টি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। সেশন জটের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। বাড়তি ক্লাস ও পরীক্ষা নিয়ে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছি।’
শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতর কারণে স্থবিরতা প্রশাসনিক কার্যক্রমেও। ফলে চলতি মাসের বেতন-ভাতা পাওয়া নিয়ে দেখে দিয়েছে অনিশ্চয়তা।
চুয়েটের উপাচার্য কে সরিয়ে নতুন নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে বিরোধ ক্রমেই জটিল হচ্ছে। এ সংকটের দ্রুত সমাধান চান সংশ্লিষ্টরা।


















