স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের সময় প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি আইনি দক্ষতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। তাই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমন্বয়ের তাগিদ দিয়েছেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব। সোমবার ঢাকা চেম্বার আয়োজিত সেমিনারে বক্তারা বলেন, দেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সুরক্ষায় জোর দিতে হবে।
বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাস্তবতা, রপ্তানি প্রতিযোগিতা সহ দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণে আরও তিন বছর সময় চেয়েছে বাংলাদেশ।
ডিসিসিআই আয়োজিত সেমিনারে বক্তারা বলেন, এলডিসি উত্তরণের পর ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের টিকে থাকা অনেকটা কঠিন হবে। টেকসই উন্নয়নে উদ্ভাবন, প্রযুক্তি স্থানান্তর, ব্র্যান্ডিংয়ে গুরুত্ব দেয়ার পাশাপাশি, সরকার ও দেশীয় শিল্পের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন। এছাড়া, দ্রুত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিশেষায়িত আইপি বেঞ্চ স্থাপনের প্রস্তাব দেয় ডিসিসিআই।
ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, ‘এলডিসি উত্তরণের পর আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে বাংলাদেশের একটি শক্তিশালী আইপিআর ইকো সিস্টেম গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। আমাদের ফার্মাসিউটিক্যালস, তৈরি পোশাক ও অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতকে আগামীতে শুধু উৎপাদন ও ভলিউমের ওপর নির্ভর না করে ইনোভেশন, ব্র্যান্ডিং, টেকনোলজি, ট্রান্সফার ও ভ্যালু এডিশনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।’
এসময় এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান ইআরডি সচিব।
ইআরডি সচিব শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী বলেন, ‘যেসকল জায়গায় আমাদের পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন; সেটা আইন বলেন, বিধিতে বলেন, প্রাত্যহিক কার্যক্রমে বলেন সেগুলোও আমরা পরীক্ষা করে দেখছি। কারণ আমাদের সরকার টাস্ক ফোর্স করে দিয়েছে– যেখানে পরিবর্তন দরকার এবং যা যা করণীয় আমরা করব।’
সেমিনারে, প্রতিটি খাতের সমস্যা ও উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি খাতে মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন বলেও জানান আলোচকরা।




















