ডেঙ্গু মোকাবিলায় কেবল কর্মপরিকল্পনা তৈরি নয়, মাঠপর্যায়ে এর সফল বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি জানান, আগস্ট থেকে অক্টোবর মাস ডেঙ্গুর সর্বোচ্চ ঝুঁকির সময়, তাই পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন ইমপ্রুভমেন্ট অব আরবান পাবলিক হেলথ প্রিভেন্টিভ সার্ভিসেস প্রজেক্ট (IUPHPSP) আয়োজিত ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় কিছুটা কম হলেও আত্মতুষ্টির কোনো সুযোগ নেই।
স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ডেঙ্গু নতুন কোনো রোগ নয়; প্রায় দুই হাজার বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে মানুষ এ রোগের সঙ্গে লড়াই করছে। তাই রোগটির ইতিহাস, পরিবেশগত বাস্তবতা ও এডিস মশার বিস্তার বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।
আধুনিক প্রযুক্তির পাশাপাশি স্থানীয় অভিজ্ঞতাকেও কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, রোগ হওয়ার পর চিকিৎসার চেয়ে আগেই তা প্রতিরোধ করা বেশি কার্যকর। এজন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনগণকে সম্পৃক্ত করে দায়িত্বশীল ভূমিকা নিশ্চিত করা জরুরি। স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকাস্থ অফিসের সিনিয়র অপারেশনস অফিসার ও প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার ইফ্ফাত মাহমুদ।
কর্মশালায় স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তা ছাড়াও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), ইউনিসেফ, আইসিডিডিআরবি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, আইইডিসিআর, নিপসম, আবহাওয়া অধিদপ্তর, বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার প্রতিনিধি এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।



















