আজ সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৩ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ১৫ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
৩৬°C
সর্বোচ্চ: ৩৬°C
সর্বনিম্ন: ২৮°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৮০%

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বাউবি উপাচার্যের সাক্ষাৎ, ২২ মার্চ ২০২৭ ষষ্ঠ সমাবর্তনের সম্মতি

  • MIT ERP
  • Update Time : 11:27:03 am, Monday, 28 September 2026
  • 13

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বাউবি উপাচার্যের সাক্ষাৎ, ২২ মার্চ ২০২৭ ষষ্ঠ সমাবর্তনের সম্মতি

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল গতকাল ২৭ সেপ্টেম্বর রোববার দুপুরে রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন।

সাক্ষাৎকালে বাউবি উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ সমাবর্তন আয়োজনের পরিকল্পনা, প্রস্তুতি ও সার্বিক বিষয়াদি রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। একই সঙ্গে সমাবর্তনের তারিখ ও সময় নির্ধারণের বিষয়ে রাষ্ট্রপতির সদয় সম্মতি কামনা করেন। এ সময় রাষ্ট্রপতি ২০২৭ সালের ২২ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়ে সম্মতি জ্ঞাপন করেন।

উপাচার্যের সঙ্গে প্রতিনিধি দলে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান, প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. শেখ রফিকুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) টি এম আহমেদ হুসেইন ও প্রোটোকল অফিসার শেখ সাদেকুর রহমান। সাক্ষাৎকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান বাউবির বর্তমান একাডেমিক কার্যক্রম, শিক্ষা অবকাঠামো, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, দেশের বিশেষায়িত উন্মুক্ত ও দূরশিক্ষণ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর কাছে মানসম্মত, সাশ্রয়ী, কর্মমুখী ও জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, সময়ের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাউবি বিভিন্ন আধুনিক ও কর্মমুখী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম এখন দেশের সীমানা ছাড়িয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছেও পৌঁছে গেছে।

বিশেষ করে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য বহিঃবাংলাদেশ নিশ-২ (Niche-2) কার্যক্রমের আওতায় এসএসসি, এইচএসসি, বিএ ও বিএসএসসহ বিভিন্ন প্রোগ্রাম পরিচালিত হচ্ছে। বাউবির বর্তমান ওয়েবসাইটেও নিশ-২ কার্যক্রমের অধীনে বিদেশে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার তথ্য রয়েছে। উপাচার্য আরও জানান, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জন্য নিশ-১ (Niche-1) কার্যক্রম এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নিশ-২ (Niche-2) কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

ভবিষ্যতে চাহিদা ও প্রয়োজনের আলোকে ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সময়োপযোগী ও বাস্তবমুখী শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে। এ ছাড়া কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মূলধারার শিক্ষায় সম্পৃক্ত করা এবং আলিয়া মাদ্রাসা থেকে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের পুনরায় শিক্ষার সুযোগ দেওয়ার লক্ষ্যে নিশ-৩ (Niche-3) কার্যক্রম চালুর উদ্যোগের কথাও রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন উপাচার্য।

রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিষয় গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং শিক্ষা কার্যক্রমের প্রসার, গুণগত মানোন্নয়ন ও আধুনিকায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান একাডেমিক কার্যক্রম, শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কেও আগ্রহ প্রকাশ করেন। উপাচার্য বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা, ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি—এসব লক্ষ্যকে সামনে রেখে বাউবি তার শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও যুগোপযোগী করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

দেশের প্রত্যন্ত ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় শিক্ষা পৌঁছে দেওয়াই এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। সাক্ষাৎকালে উপাচার্য বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ও প্রেক্ষাপট রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন। প্রসঙ্গক্রমে উপাচার্য বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তৎকালীন বাউবি চ্যান্সেলর বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৫ সালে অনুষ্ঠিত বাউবির প্রথম সমাবর্তন এবং ২০০৩ সালে অনুষ্ঠিত তৃতীয় সমাবর্তনে চ্যান্সেলর হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে মর্যাদাপূর্ণ ও সাফল্যমণ্ডিত করেছিলেন।

তার উপস্থিতি ও সংশ্লিষ্ট সময়ের নেতৃত্বে বাউবির প্রাতিষ্ঠানিক অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হয়। উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর জন্য শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সাক্ষাৎ শেষে উপাচার্য বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও একাডেমিক কার্যক্রমের অগ্রযাত্রায় রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা, দিকনির্দেশনা ও পৃষ্ঠপোষকতা কামনা করেন।

রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

চাটখিলে যুবককে হাতুড়িপেটা করে মোটরসাইকেল ও মোবাইল ছিনতাইয়ের অভিযোগ

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বাউবি উপাচার্যের সাক্ষাৎ, ২২ মার্চ ২০২৭ ষষ্ঠ সমাবর্তনের সম্মতি

Update Time : 11:27:03 am, Monday, 28 September 2026

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল গতকাল ২৭ সেপ্টেম্বর রোববার দুপুরে রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন।

সাক্ষাৎকালে বাউবি উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ সমাবর্তন আয়োজনের পরিকল্পনা, প্রস্তুতি ও সার্বিক বিষয়াদি রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। একই সঙ্গে সমাবর্তনের তারিখ ও সময় নির্ধারণের বিষয়ে রাষ্ট্রপতির সদয় সম্মতি কামনা করেন। এ সময় রাষ্ট্রপতি ২০২৭ সালের ২২ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়ে সম্মতি জ্ঞাপন করেন।

উপাচার্যের সঙ্গে প্রতিনিধি দলে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান, প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. শেখ রফিকুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) টি এম আহমেদ হুসেইন ও প্রোটোকল অফিসার শেখ সাদেকুর রহমান। সাক্ষাৎকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান বাউবির বর্তমান একাডেমিক কার্যক্রম, শিক্ষা অবকাঠামো, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, দেশের বিশেষায়িত উন্মুক্ত ও দূরশিক্ষণ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর কাছে মানসম্মত, সাশ্রয়ী, কর্মমুখী ও জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, সময়ের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাউবি বিভিন্ন আধুনিক ও কর্মমুখী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম এখন দেশের সীমানা ছাড়িয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছেও পৌঁছে গেছে।

বিশেষ করে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য বহিঃবাংলাদেশ নিশ-২ (Niche-2) কার্যক্রমের আওতায় এসএসসি, এইচএসসি, বিএ ও বিএসএসসহ বিভিন্ন প্রোগ্রাম পরিচালিত হচ্ছে। বাউবির বর্তমান ওয়েবসাইটেও নিশ-২ কার্যক্রমের অধীনে বিদেশে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার তথ্য রয়েছে। উপাচার্য আরও জানান, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জন্য নিশ-১ (Niche-1) কার্যক্রম এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নিশ-২ (Niche-2) কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

ভবিষ্যতে চাহিদা ও প্রয়োজনের আলোকে ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সময়োপযোগী ও বাস্তবমুখী শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে। এ ছাড়া কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মূলধারার শিক্ষায় সম্পৃক্ত করা এবং আলিয়া মাদ্রাসা থেকে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের পুনরায় শিক্ষার সুযোগ দেওয়ার লক্ষ্যে নিশ-৩ (Niche-3) কার্যক্রম চালুর উদ্যোগের কথাও রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন উপাচার্য।

রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিষয় গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং শিক্ষা কার্যক্রমের প্রসার, গুণগত মানোন্নয়ন ও আধুনিকায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান একাডেমিক কার্যক্রম, শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কেও আগ্রহ প্রকাশ করেন। উপাচার্য বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা, ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি—এসব লক্ষ্যকে সামনে রেখে বাউবি তার শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও যুগোপযোগী করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

দেশের প্রত্যন্ত ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় শিক্ষা পৌঁছে দেওয়াই এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। সাক্ষাৎকালে উপাচার্য বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ও প্রেক্ষাপট রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন। প্রসঙ্গক্রমে উপাচার্য বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তৎকালীন বাউবি চ্যান্সেলর বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৫ সালে অনুষ্ঠিত বাউবির প্রথম সমাবর্তন এবং ২০০৩ সালে অনুষ্ঠিত তৃতীয় সমাবর্তনে চ্যান্সেলর হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে মর্যাদাপূর্ণ ও সাফল্যমণ্ডিত করেছিলেন।

তার উপস্থিতি ও সংশ্লিষ্ট সময়ের নেতৃত্বে বাউবির প্রাতিষ্ঠানিক অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হয়। উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর জন্য শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সাক্ষাৎ শেষে উপাচার্য বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও একাডেমিক কার্যক্রমের অগ্রযাত্রায় রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা, দিকনির্দেশনা ও পৃষ্ঠপোষকতা কামনা করেন।

রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।