জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম ভাষণ ভারসাম্যপূর্ণ, বলছেন রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, দেশের সমস্যার পাশাপাশি বৈশ্বিক সংকটগুলোও ভাষণে সমানভাবে তুলে ধরেছেন তিনি। বিশ্বমঞ্চে থ্রি-আর কৌশল উপস্থাপনেরও প্রশংসা করেছেন তারা।
বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রথম ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তুলে ধরেন রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু সমস্যা, নারী উন্নয়নসহ নানা বিষয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের অভ্যন্তরীন এবং বৈশ্বিক, সব সমস্যার কথাই সমানভাবে তুলে ধরেছেন। পুরনো প্রথা ভেঙ্গে নতুন বাংলাদেশ গড়ার বার্তাও দিয়েছেন ভাষণে। সার্বিকভাবে এ ভাষণকে ভারসাম্যপূর্ণ বলছেন তারা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. মো. সাহাবুল হক বলেন,‘একটি দেশের সরকার প্রধান হিসেবে তিনি যেভাবে কথা বলেছেন, তিনি বিশ্বের প্রত্যেকটা বিষয়কে টাচ করেছেন। একইসাথে থ্রি-আর কৌশল উপস্থাপন করছেন। তিনি শুধু বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেছেন তা কিন্তু নয়। তিনি নারীর ক্ষমতায়ন থেকে শুরু করে জলবায়ু পরিবর্তন, এসডিজি, শিক্ষা– সবগুলো বিষয় এসেছে। আমি বলব যে, ভারসাম্যপূর্ণ একটি ভাষণ তিনি দিয়েছেন।’
বিশ্বমঞ্চে ভাষণকে বাংলাদেশের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত অর্জন হিসেবেও দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা। বলছেন, থ্রি-আর কৌশল উপস্থাপনের মাধ্যমে রাষ্ট্রনেতা হিসেবে তার দর্শন ও পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন তারেক রহমান।
সাবেক রাষ্ট্রদূত মাহফুজ রহমান বলেন, ‘তিনি অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়েই অনেক কথা বলেছেন এবং নতুন সরকার হিসেবে তাঁর সরকার কীভাবে নারী উন্নয়ন এবং অন্যান্য কার্যক্রম হাতে নিচ্ছে, অর্থাৎ ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নির্মাণের জন্য যেসব পদক্ষেপ নিয়েছেন সেগুলো মোটামুটি বিস্তারিতভাবেই তিনি বলেছেন। বাংলাদেশকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তিনি সম্পূর্ণ সুযোগটুকু কাজে লাগিয়েছেন।’
জাতিসংঘকে সমঝোতামূলক বিশ্বব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে দেখতে চাওয়ার কথা বলে নানা বৈশ্বিক সংকট নিরসনে নিজের প্রত্যাশার কথাও তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।



















