আজ রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৪ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ০৭ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি
২৭°C
সর্বোচ্চ: ৩২°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ১০০%

মধুমতির ভাঙনে সব হারিয়ে নদীর তীরেই চরম মানবিক বিপর্যয়ে দুই পরিবার

  • MIT ERP
  • Update Time : 06:12:30 am, Sunday, 20 September 2026
  • 16

মধুমতির ভাঙনে সব হারিয়ে নদীর তীরেই চরম মানবিক বিপর্যয়ে দুই পরিবার

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের চাপুলিয়া এলাকায় মধুমতি নদীর ভাঙনে সবকিছু হারিয়ে ভিটেমাটিহীন দুটি পরিবার নদীর তীরেই চরম মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। জানা গেছে, ২০১২ সালে আশ্রয়ণ প্রকল্প ও গুচ্ছগ্রামে ঠাঁই পাওয়া পরিবারগুলোর ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

অন্য বাসিন্দারা অন্যত্র সরে যেতে পারলেও মাথা গোঁজার অন্য কোনো ঠাঁই না থাকায় বাধ্য হয়ে নদীর পাড়েই ঝুপড়ি ও সামান্য ছাউনি তৈরি করে তাতে অবস্থান করছেন দিনমজুর মাখন রবি দাস ও হাসিনা বেগম। ক্ষতিগ্রস্ত মাখন রবি দাস জানান, সপ্তাহ খানেক আগে তার ঘরটিও নদীভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে স্ত্রী ও চার সন্তান নিয়ে খোলা আকাশের নিচে নদীর পাড়েই তাদের রাত কাটাতে হচ্ছে। অন্যদিকে অসুস্থ স্বামী, বৃদ্ধা মা ও চার সন্তান নিয়ে একই রকম মানবেতর পরিস্থিতিতে দিন কাটাচ্ছেন হাসিনা বেগম। মানুষের বাড়িতে কাজ করে যা সামান্য আয় হয়, তা দিয়েই কোনোমতে সংসার চালাচ্ছেন অসহায় এসব মানুষ। বিশেষ করে রাতে নদীর পাড়ে চরম আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে তাদের সময় পার করতে হয়। টগরবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান মিয়া আসাদুজ্জামান জানান, বিষয়টি তাদের জানা রয়েছে। দ্রুত এসব অসহায় পরিবারের তালিকা তৈরি করে তাদের পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

মধুমতির ভাঙনে সব হারিয়ে নদীর তীরেই চরম মানবিক বিপর্যয়ে দুই পরিবার

Update Time : 06:12:30 am, Sunday, 20 September 2026

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের চাপুলিয়া এলাকায় মধুমতি নদীর ভাঙনে সবকিছু হারিয়ে ভিটেমাটিহীন দুটি পরিবার নদীর তীরেই চরম মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। জানা গেছে, ২০১২ সালে আশ্রয়ণ প্রকল্প ও গুচ্ছগ্রামে ঠাঁই পাওয়া পরিবারগুলোর ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

অন্য বাসিন্দারা অন্যত্র সরে যেতে পারলেও মাথা গোঁজার অন্য কোনো ঠাঁই না থাকায় বাধ্য হয়ে নদীর পাড়েই ঝুপড়ি ও সামান্য ছাউনি তৈরি করে তাতে অবস্থান করছেন দিনমজুর মাখন রবি দাস ও হাসিনা বেগম। ক্ষতিগ্রস্ত মাখন রবি দাস জানান, সপ্তাহ খানেক আগে তার ঘরটিও নদীভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে স্ত্রী ও চার সন্তান নিয়ে খোলা আকাশের নিচে নদীর পাড়েই তাদের রাত কাটাতে হচ্ছে। অন্যদিকে অসুস্থ স্বামী, বৃদ্ধা মা ও চার সন্তান নিয়ে একই রকম মানবেতর পরিস্থিতিতে দিন কাটাচ্ছেন হাসিনা বেগম। মানুষের বাড়িতে কাজ করে যা সামান্য আয় হয়, তা দিয়েই কোনোমতে সংসার চালাচ্ছেন অসহায় এসব মানুষ। বিশেষ করে রাতে নদীর পাড়ে চরম আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে তাদের সময় পার করতে হয়। টগরবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান মিয়া আসাদুজ্জামান জানান, বিষয়টি তাদের জানা রয়েছে। দ্রুত এসব অসহায় পরিবারের তালিকা তৈরি করে তাদের পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হবে।