আজ শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৪ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ০৬ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
৩৬°C
সর্বোচ্চ: ৩৬°C
সর্বনিম্ন: ২৮°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ১৮%

সরকারি হাসপাতালে শয্যা সংকট ও দীর্ঘ অপেক্ষা, পকেট ভরছে বেসরকারি ক্লিনিকের

  • MIT ERP
  • Update Time : 12:43:37 pm, Saturday, 19 September 2026
  • 11

সরকারি হাসপাতালে শয্যা সংকট ও দীর্ঘ অপেক্ষা, পকেট ভরছে বেসরকারি ক্লিনিকের

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

সরকারি হাসপাতালে মাত্র দু-চারটি পরীক্ষা করাতে মাসের পর মাস পার হয়ে যায়। অন্যদিকে শয্যার খোঁজে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছুটতে হয় রোগীর স্বজনদের। এর ওপর হেল্প ডেস্কের অভাবে রোগীদের ভোগান্তি বাড়ে কয়েক গুণ। এসব অব্যবস্থাপনার কারণেই সরকারি হাসপাতালের পাশেই গড়ে উঠছে নামসর্বস্ব বেসরকারি ক্লিনিক।

দেশের নানা প্রান্ত থেকে ঢাকায় চিকিৎসা নিতে এসে ভোগান্তির কথা জানান রোগী ও স্বজনেরা। তেমনই একজন লক্ষ্মীপুরের মাহিনুর বেগম। স্ট্রোকে আক্রান্ত স্বামীকে নিয়ে চলতি মাসে এ পর্যন্ত ৪ বার এসেছেন জাতীয় বক্ষব্যাধি হাসপাতালে। তবে রোগ ধরা পড়েনি এখনো।

মাহিনুর বেগম জানান, ৪টি পরীক্ষা করা হয়েছে। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর আরেকটি পরীক্ষার তারিখ। এরপর আবার ডাক্তারের সিরিয়াল নিতে হবে। দীর্ঘ এ যাত্রায় ক্লান্ত তিনি। ঢাকায় থাকার জায়গাও নেই। তাই বেসরকারিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।

সরকারির অনেকটা উল্টো চিত্র বেসরকারিতে। তাৎক্ষণিক সেবা মিলবে, তবে গুণতে হবে কয়েকগুণ অর্থ।

সরকারিতে সক্ষমতার কয়েকগুণ রোগীর চাপ থাকলেও তথ্যকেন্দ্র বা হেল্প ডেস্ক আছে হাতেগোনা দু-একটির। একটি শয্যার জন্য মুমুর্ষূ রোগী নিয়ে এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছোটেন স্বজনেরা। সিট না পেলে বাধ্য হন বেসরকারি হাসপাতালে যেতে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, ভোগান্তি কমাতে সরকারের সমন্বিত উদ্যোগ এবং আধুনিক কর্মপরিকল্পনা প্রয়োজন।

এবারে স্বাস্থ্য বাজেট অন্যবারের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ। তাই বিশেষায়িত হাসপাতালের পাশাপাশি প্রান্তিক পর্যায়েও সেবার মান উন্নয়ন নিয়ে আশাবাদী বিশেষজ্ঞরা।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ৩ সন্তানকে নিয়ে বাবার কীটনাশক পান, প্রাণ গেল ৩ শিশুর

সরকারি হাসপাতালে শয্যা সংকট ও দীর্ঘ অপেক্ষা, পকেট ভরছে বেসরকারি ক্লিনিকের

Update Time : 12:43:37 pm, Saturday, 19 September 2026

সরকারি হাসপাতালে মাত্র দু-চারটি পরীক্ষা করাতে মাসের পর মাস পার হয়ে যায়। অন্যদিকে শয্যার খোঁজে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছুটতে হয় রোগীর স্বজনদের। এর ওপর হেল্প ডেস্কের অভাবে রোগীদের ভোগান্তি বাড়ে কয়েক গুণ। এসব অব্যবস্থাপনার কারণেই সরকারি হাসপাতালের পাশেই গড়ে উঠছে নামসর্বস্ব বেসরকারি ক্লিনিক।

দেশের নানা প্রান্ত থেকে ঢাকায় চিকিৎসা নিতে এসে ভোগান্তির কথা জানান রোগী ও স্বজনেরা। তেমনই একজন লক্ষ্মীপুরের মাহিনুর বেগম। স্ট্রোকে আক্রান্ত স্বামীকে নিয়ে চলতি মাসে এ পর্যন্ত ৪ বার এসেছেন জাতীয় বক্ষব্যাধি হাসপাতালে। তবে রোগ ধরা পড়েনি এখনো।

মাহিনুর বেগম জানান, ৪টি পরীক্ষা করা হয়েছে। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর আরেকটি পরীক্ষার তারিখ। এরপর আবার ডাক্তারের সিরিয়াল নিতে হবে। দীর্ঘ এ যাত্রায় ক্লান্ত তিনি। ঢাকায় থাকার জায়গাও নেই। তাই বেসরকারিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।

সরকারির অনেকটা উল্টো চিত্র বেসরকারিতে। তাৎক্ষণিক সেবা মিলবে, তবে গুণতে হবে কয়েকগুণ অর্থ।

সরকারিতে সক্ষমতার কয়েকগুণ রোগীর চাপ থাকলেও তথ্যকেন্দ্র বা হেল্প ডেস্ক আছে হাতেগোনা দু-একটির। একটি শয্যার জন্য মুমুর্ষূ রোগী নিয়ে এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছোটেন স্বজনেরা। সিট না পেলে বাধ্য হন বেসরকারি হাসপাতালে যেতে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, ভোগান্তি কমাতে সরকারের সমন্বিত উদ্যোগ এবং আধুনিক কর্মপরিকল্পনা প্রয়োজন।

এবারে স্বাস্থ্য বাজেট অন্যবারের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ। তাই বিশেষায়িত হাসপাতালের পাশাপাশি প্রান্তিক পর্যায়েও সেবার মান উন্নয়ন নিয়ে আশাবাদী বিশেষজ্ঞরা।