কর্মসংস্থানের আশায় যশোরে চাকরিপ্রার্থীদের উপচে পড়া ভিড় ও ঢল নেমেছে। খুলনা বিভাগের ১০টি জেলা থেকে আসা কয়েক হাজার নারী-পুরুষের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে মেলা প্রাঙ্গণ। মেলায় আসা ৩৬টি ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন পদে সরাসরি নিয়োগের লক্ষ্যে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে সিভি সংগ্রহ করছে।
যোগ্য প্রার্থীদের মধ্য থেকে মেলা প্রাঙ্গণ থেকেই ৫০০ জনকে তাৎক্ষণিক নিয়োগ দেওয়া হবে এবং পরবর্তীতে আরও ৫০০ জনকে চূড়ান্ত নিয়োগপত্র দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ‘ক্যারিয়ার হোক ক্ষুদ্রঋণ সেক্টরে, অবদান হোক দেশের উন্নয়নে’Ñ এই প্রতিপাদ্যে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) গতকাল শনিবার দিনব্যাপী এই মেলার আয়োজন করে।
সকাল থেকে শহরের ষষ্ঠীতলাপাড়া এলাকায় পিটিআই প্রাঙ্গণে দেখা যায় চাকরিপ্রার্থীদের উপস্থিতি। খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোরসহ বিভাগের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে তরুণ-তরুণীরা মেলায় ছুটে আসেন। প্রার্থীরা সারিবদ্ধভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টলে গিয়ে তাদের পছন্দ অনুযায়ী সিভি জমা দেন। খুলনা থেকে আসা চাকরিপ্রার্থী গোলাম রসুল ও সাতক্ষীরা থেকে আসা আনিসুর রহমান জানান, সরাসরি সিভি জমা দিতে পেরে তারা দ্রুত কর্মসংস্থানের সুযোগ পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী।
একই রকম প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন ইরিনা খাতুন, রোকসানা বেগম, মহব্বত আলীসহ মেলায় আসা আরও অনেক চাকরিপ্রার্থী। ক্ষুদ্রঋণ খাতে কর্মসংস্থানের পরিধি আরও বড় করা এবং চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সরাসরি সেতুবন্ধ তৈরি করাই ছিল এই মেলার প্রধান লক্ষ্য। সকালে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব কমানো এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যেই আমরা এই চাকরি মেলার আয়োজন করেছি। খুলনা বিভাগের ১০টি জেলা থেকে কয়েক হাজার প্রার্থীর অংশগ্রহণে আমরা অভিভূত। তিনি নিশ্চিত করেন, মেলা প্রাঙ্গণ থেকেই বাছাইকৃত ৫০০ জনকে তাৎক্ষণিক কাজ দেওয়া হবে এবং পরে ধাপে ধাপে আরও ৫০০ জনের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হবে।






















