দেশের চলমান সংকটকে পুঁজি করে কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তি সৃষ্টির মাধ্যমে অরাজকতা তৈরির পাঁয়তারা করছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এক আলোচনা সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন।
তারেক রহমান বলেন, গত কিছুদিন ধরে তারা লক্ষ্য করছেন, স্বৈরাচারী আমল কিংবা অন্তর্বর্তী সরকারের রেখে যাওয়া বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে সরকার। এসব সমস্যা রয়েছে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমস্যা আছে- এ কথা সরকার কখনো অস্বীকার করেনি। তিনি বলেন, এসব সমস্যাকে পুঁজি করে কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভিন্নভাবে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।
বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা বিভ্রান্তি ছড়ানোর মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, তাদের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ’ এই ব্যাপারে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জনগণ সরকারকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। সরকার গণতন্ত্রের ধারাকে সমুন্নত রাখবে এবং গণতান্ত্রিক নীতি-নৈতিকতা সর্বোচ্চভাবে অনুসরণের চেষ্টা করবে।
তিনি বলেন, কেউ অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তা নিয়ন্ত্রণে দেশের আইনে নির্ধারিত ব্যবস্থা রয়েছে। নির্বাচিত সরকার হিসেবে সরকার পরিষ্কারভাবে বলতে চায়, প্রত্যেকেরই নিজ নিজ সীমার মধ্যে থাকা উচিত। তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচারী আমলে একটি রাজনৈতিক দল ‘গুপ্তবেশ’ ধারণ করে স্বৈরাচারের ভেতরে লুকিয়ে ছিল। পরবর্তীতে ওই দলের নিজেদের লোকজনই বেরিয়ে এসে বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে বেশকিছু রাজনৈতিক দল বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। এসব বিভ্রান্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ যে স্বৈরাচারকে বিতাড়িত করেছে, তাদেরই আবার অরাজকতা সৃষ্টির সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচারী আমলে যারা আড়ালে লুকিয়ে ছিল, তারা এখন সেই স্বৈরাচারের পক্ষে থেকে অরাজকতা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছে কি না, সেটিও ভাবতে হবে।
তিনি বলেন, তা যদি হয়, তাহলে বলতে হবে, যারা গুপ্তভাবে ছিল তারা আবার সেই স্বৈরাচারকে সামনে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে। কারণ কয়েকদিন আগে গুপ্তদের একজন নেতা বলেছেন, এ বিষয়ে তাদের কোনো আপত্তি নেই।


















