নড়াইলে সরকারি নিয়ম মেনে কৃষি বিভাগের কঠোর তদারকির ফলে সরকার নির্ধারিত ন্যায্যমূল্যে সার পাচ্ছেন কৃষকরা। অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি ও কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে নিয়মিত ডিলার পয়েন্ট পরিদর্শনসহ উপস্থিত থাকছেন নড়াইল সদর উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা।
সারা দেশে সারের কৃত্রিম সংকট ও বেশি দামে সার বিক্রির গুঞ্জনের পর গত কয়েকদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন বিসিআইসি ও বিএডিসি ডিলার পয়েন্টে রেজিস্টার, ক্যাশ মেমো এবং গুদামঘর যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) হবখালী ইউনিয়নের ডিলার পয়েন্ট পাজারখালী বাজারের মেসার্স বাহার এন্টারপ্রাইজ পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, কৃষকদের সিরিয়াল দিয়ে নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি করা হচ্ছে এবং প্রতিটি বিক্রির বিপরীতে ক্যাশ মেমো দেওয়া হচ্ছে।
হবখালি ইউনিয়নের কয়েকজন কৃষক বলেন, আমরা সরকার নির্ধারিত ন্যায্য মূল্যে মেমোসহ সার পেয়েছি। কৃত্রিম সংকট এড়াতে সিরিয়াল দিয়ে সার নিয়েছি একটু কষ্ট হয়েছে; তারপরও এতে আমনসহ বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন খরচ কম হবে বলে আশা করছি। সরকার নির্ধারিত দামেই বিক্রি এবং মেমো দেওয়ার ফলে বিক্রিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে বলেও জানান তারা। বিসিআইসি ডিলার আল মাসুদ আরিফ বলেন, কৃষি বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি করা হচ্ছে এবং প্রতিটি বিক্রির বিপরীতে মেমো দেওয়া হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রকোনুজ্জামান বলেন, আমাদের সদর উপজেলায় সারের কোনো সংকট নেই। প্রায় প্রতিদিনই ডিলার পয়েন্টগুলো মনিটরিং করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়নে কৃষি উপ-সহকারীদের ট্যাগ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে সার বিক্রিতে কোনো অনিয়ম না ঘটে। নড়াইল সদর উপজেলায় বিসিআইসির ১৪ জন ও বিএডিসির ৮ জন অনুমোদিত সার ডিলারের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে সার বিক্রি করা হচ্ছে।


















