ঠাকুরগাঁওয়ে আব্দুর রশিদ ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে জড়ো হন বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা দৌড়বিদেরা। তাদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। গত শুক্রবার ‘সুস্থতা, সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের জয়গানে’ এ প্রত্যয় সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও রানার্সের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় হাফ ম্যারাথন।
এতে অংশ নেন দেশের ৩২ জেলা থেকে ২৭০ জন দৌড়বিদ। বাংলাদেশের ২৩তম নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবারের আয়োজনটি তাকে উৎসর্গ করা হয়। এ আয়োজনে সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিল মেসার্স গার্ডেনিয়া। ম্যারাথনে অংশ নেওয়া দৌড়বিদেরা বলেন, দৌড় তাদের কাছে শুধু প্রতিযোগিতা নয়, এটি সুস্থ ও সুন্দর জীবনযাপনের একটি মাধ্যম।
দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা মানুষের সঙ্গে একসঙ্গে দৌড়ানোর সুযোগ তাদের জন্য আনন্দের। জিনায়া মেহেজাবীন বলেন, দৌড়ের মাধ্যমে শরীর ও মন দুটোই ভালো রাখা যায়। জেসমিন নাহার লাকি বলেন, ম্যারাথন ঘিরে শুধু দৌড় নয়, অনেক নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয়েছে। এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত হওয়া দরকার। ঢাকা থেকে আগত সুমাইয়া বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের মাটিতে দেশের ৩২ জেলা থেকে দৌড়বিদদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।
রোগ ও ওষুধমুক্ত জীবন চাইলে প্রতিদিন দৌড়ানো উচিত। আয়োজকেরা জানান, তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করা, সুস্থ জীবনযাপনে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা এবং দেশের বিভিন্ন জেলার মানুষের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সম্প্রীতি বাড়ানোই ছিল এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। প্রধান পৃষ্টপোষাক ও মেসার্স গার্ডেনিয়ার প্রোপাইটর নূর-এ-শাহাদৎ স্বজন বলেন, দৌড়ের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসচেতনতার পাশাপাশি ঠাকুরগাঁওয়ের পরিচিতিও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়বে।
তিনি আরও বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ক্রীড়ার প্রতি তার অনেক আগ্রহ রয়েছে। তার প্রতি সম্মান জানাতেই এবারের হাফ ম্যারাথনটি তাকে উৎসর্গ করা হয়েছে। ম্যারাথনের ২১ কিলোমিটার দৌড়ের প্রথম বিজয়ী ওমর ফারুক। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন ইকোসোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ড. মুহাম্মদ শহীদ উজ জামান।
তিনি নিজেও ম্যারাথনে অংশ নেন। শেষে অংশগ্রহণকারীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন নির্বাহী পরিচালক ড. মুহাম্মদ শহীদ উজ জামান, প্রধান পৃষ্ঠপোষক নূর-এ-শাহাদৎ স্বজন, ক্রীড়া সংগঠক ফারুক হোসেন জুলু।




















