বজ্রপাতজনিত সম্ভাব্য ঝুঁকি হ্রাস, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েٹ) ক্যাম্পাসে তালগাছের চারা রোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আইসিটি স্নাতক ও চাকরিজীবীদের পেশাজীবী সংগঠন আইসিটি এমপ্লয়ি সোসাইটি অব বাংলাদেশ (আইসিটিইএসবি)-এর রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গেটসংলগ্ন এলাকায় তালগাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুর রাজ্জাক।
বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন, ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম সরকার এবং সেন্টার ফর গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (সিজিইডি) নির্বাহী পরিচালক ড. মো. আব্দুল ওয়াহাব। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইসিটিইএসবি রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ।
কর্মসূচি পরিচালনা করেন সংগঠনটির মহাসচিব ও রুয়েটের মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রকৌশলী মো. ফিরোজ আলী। কর্মসূচি প্রসঙ্গে প্রকৌশলী জুনায়েদ আহমেদ বলেন, রুয়েট একটি জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ ক্যাম্পাস। এখানকার বিভিন্ন গাছে নানা ধরনের প্রাণীর বিচরণ দেখা যায়। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং শিক্ষার্থীদের বজ্রপাতের সম্ভাব্য ঝুঁকি থেকে সুরক্ষার কথা বিবেচনা করেই আইসিটিইএসবি ও সেন্টার ফর গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
ক্যাম্পাসের সীমানাপ্রাচীর বরাবর ২০ ফুট দূরত্ব বজায় রেখে তালগাছের চারা রোপণ করা হচ্ছে। কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইটিই) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. ইয়াকুব আলী, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক অলোক কুমার পাল, প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফোরামের রিয়াদ খান রাতুল, মো. লাবলু ও আফ্রিদী খানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকদের মতে, এ উদ্যোগ বজ্রপাতের সম্ভাব্য ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি ক্যাম্পাসের পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণে ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতে সবুজায়ন সম্প্রসারণের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা। রুয়েট ক্যাম্পাস ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানানো হয়।
















