আজ সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
৯ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
২৮°C
সর্বোচ্চ: ৩২°C
সর্বনিম্ন: ২৭°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ১০০%

রানীশংকৈলে শিক্ষার্থীদের মাঝে জিংকের গুরুত্ব ও পুষ্টিগুণ নিয়ে সচেতনতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

  • MIT ERP
  • Update Time : 09:55:21 pm, Monday, 24 August 2026
  • 12

রানীশংকৈলে শিক্ষার্থীদের মাঝে জিংকের গুরুত্ব ও পুষ্টিগুণ নিয়ে সচেতনতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

মানবদেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো ও সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে জিংকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তবে জিংকের প্রয়োজনীয়তা ও জিংকসমৃদ্ধ খাবার সম্পর্কে এখনও অনেকের পর্যাপ্ত ধারণা নেই।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে স্কুল সেনসিটাইজেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার মীরডাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। হারভেস্টপ্লাস বাংলাদেশের বাস্তবায়নে রিয়েক্টস-ইন প্রকল্পের আওতায় কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করে ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)।

কর্মসূচিতে বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এ সময় মানবদেহে জিংকের প্রয়োজনীয়তা, জিংকের ঘাটতির ক্ষতিকর দিক, জিংকসমৃদ্ধ খাবারের পুষ্টিগুণ এবং খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে জিংকের ঘাটতি পূরণের বিভিন্ন উপায় সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা দেওয়া হয়। পাশাপাশি জিংকসমৃদ্ধ ব্রি ধান-১০২, ১০০, ৮৪ ও ৭৪ জাত সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জানানো হয়।

এসব জাতের ধান থেকে উৎপাদিত চাল নিয়মিত খাদ্যতালিকায় যুক্ত করলে জিংকের ঘাটতি পূরণে সহায়ক হতে পারে বলে কর্মসূচিতে জানানো হয়। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যদের এসব জাতের ধান চাষে উৎসাহিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানায়, এর আগে জিংকের প্রয়োজনীয়তা ও জিংকসমৃদ্ধ ধান সম্পর্কে তাদের অনেকেরই তেমন ধারণা ছিল না।

কর্মসূচির মাধ্যমে জিংকের গুরুত্ব ও পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানতে পেরে তারা নিজেরা জিংকসমৃদ্ধ চালের ভাত খাওয়ার পাশাপাশি পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদেরও এ বিষয়ে সচেতন করবে। ইএসডিও ও রিয়েক্টস-ইন প্রকল্পের ফোকাল কৃষিবিদ মো. আশরাফুল আলম বলেন, শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করা জরুরি। জিংকের ঘাটতি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং জিংকসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণে মানুষকে উৎসাহিত করা গেলে দেশের পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব।

তিনি বলেন, এ কারণে বিদ্যালয় পর্যায় থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি জিংকসমৃদ্ধ ধান ও গম চাষে শিক্ষার্থীদের পরিবারকে উদ্বুদ্ধ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত জিংকসমৃদ্ধ চালের ভাত খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের অন্যদের মধ্যেও এর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

এ সময় মীরডাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. এনামুল হক, হারভেস্টপ্লাসের প্রজেক্ট ম্যানেজার কৃষিবিদ মো. শাহীনুল কবির, ইএসডিও ও রিয়েক্টস-ইন প্রকল্পের ফোকাল কৃষিবিদ মো. আশরাফুল আলম, প্রজেক্ট অফিসার মো. আবু তালহা শিশির, সহকারী শিক্ষক ইলিয়াস, আনোয়ার আবু সুভাসহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

জ্বালানি ঘাটতিতে থমকে যাচ্ছে দেশের অর্থনীতি

রানীশংকৈলে শিক্ষার্থীদের মাঝে জিংকের গুরুত্ব ও পুষ্টিগুণ নিয়ে সচেতনতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

Update Time : 09:55:21 pm, Monday, 24 August 2026

মানবদেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো ও সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে জিংকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তবে জিংকের প্রয়োজনীয়তা ও জিংকসমৃদ্ধ খাবার সম্পর্কে এখনও অনেকের পর্যাপ্ত ধারণা নেই।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে স্কুল সেনসিটাইজেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার মীরডাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। হারভেস্টপ্লাস বাংলাদেশের বাস্তবায়নে রিয়েক্টস-ইন প্রকল্পের আওতায় কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করে ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)।

কর্মসূচিতে বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এ সময় মানবদেহে জিংকের প্রয়োজনীয়তা, জিংকের ঘাটতির ক্ষতিকর দিক, জিংকসমৃদ্ধ খাবারের পুষ্টিগুণ এবং খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে জিংকের ঘাটতি পূরণের বিভিন্ন উপায় সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা দেওয়া হয়। পাশাপাশি জিংকসমৃদ্ধ ব্রি ধান-১০২, ১০০, ৮৪ ও ৭৪ জাত সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জানানো হয়।

এসব জাতের ধান থেকে উৎপাদিত চাল নিয়মিত খাদ্যতালিকায় যুক্ত করলে জিংকের ঘাটতি পূরণে সহায়ক হতে পারে বলে কর্মসূচিতে জানানো হয়। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যদের এসব জাতের ধান চাষে উৎসাহিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানায়, এর আগে জিংকের প্রয়োজনীয়তা ও জিংকসমৃদ্ধ ধান সম্পর্কে তাদের অনেকেরই তেমন ধারণা ছিল না।

কর্মসূচির মাধ্যমে জিংকের গুরুত্ব ও পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানতে পেরে তারা নিজেরা জিংকসমৃদ্ধ চালের ভাত খাওয়ার পাশাপাশি পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদেরও এ বিষয়ে সচেতন করবে। ইএসডিও ও রিয়েক্টস-ইন প্রকল্পের ফোকাল কৃষিবিদ মো. আশরাফুল আলম বলেন, শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিত করা জরুরি। জিংকের ঘাটতি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং জিংকসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণে মানুষকে উৎসাহিত করা গেলে দেশের পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব।

তিনি বলেন, এ কারণে বিদ্যালয় পর্যায় থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি জিংকসমৃদ্ধ ধান ও গম চাষে শিক্ষার্থীদের পরিবারকে উদ্বুদ্ধ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত জিংকসমৃদ্ধ চালের ভাত খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের অন্যদের মধ্যেও এর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

এ সময় মীরডাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. এনামুল হক, হারভেস্টপ্লাসের প্রজেক্ট ম্যানেজার কৃষিবিদ মো. শাহীনুল কবির, ইএসডিও ও রিয়েক্টস-ইন প্রকল্পের ফোকাল কৃষিবিদ মো. আশরাফুল আলম, প্রজেক্ট অফিসার মো. আবু তালহা শিশির, সহকারী শিক্ষক ইলিয়াস, আনোয়ার আবু সুভাসহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।