রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে মোবাইল ফোন চুরি করে পালানোর সময় চুরি যাওয়া মোবাইলসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছেন কর্তব্যরত আনসার সদস্যরা। দায়িত্ব পালনকালে সন্দেহজনক গতিবিধি নজরে আসার পর তাৎক্ষণিক ধাওয়া দিয়ে তাকে হাসপাতালের প্রধান ফটকের ভেতর থেকে আটক করা হয়।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকাল ৯টা ১০ মিনিটে হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার সিসিইউ-১-এর পাশের এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওই সময় ঢাকা মহানগর আনসার (ডিএমএ) পশ্চিম জোনের আনসার সদস্য পিসি মো. আমিনুল হক, আজিজুল হক, হাসান হাওলাদার ও সুমন মিয়া সেখানে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ সময় তারা এক ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে দেখতে পান। বিষয়টি তাদের নজরে এলে তারা তার গতিবিধি অনুসরণ করেন।
একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে আনসার সদস্যরা তাকে ধাওয়া করেন। ধাওয়ার একপর্যায়ে হাসপাতালের প্রধান ফটকের ভেতর থেকে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে রোগীর স্বজনের চুরি যাওয়া মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করেন আনসার সদস্যরা। পরে তাকে ঘিরে কয়েকজন উত্তেজিত হয়ে উঠলে আনসার সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে তাকে নিরাপদ হেফাজতে নেন।
আটক ব্যক্তির নাম রুবেল মিয়া (৩০)। তিনি ঢাকার মোহাম্মদপুরের জহুরী মহল্লার বাসিন্দা। তার পিতা বাদশা মোল্লা এবং মাতা মিনি বেগম। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোবাইল ফোন চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন তিনি। পরে কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে উদ্ধার করা মোবাইল ফোনসহ রুবেল মিয়াকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
হাসপাতালের মতো স্পর্শকাতর ও জনসমাগমপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অপরাধ প্রতিরোধেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন আনসার সদস্যরা। দায়িত্বে সতর্ক দৃষ্টি, দ্রুত সিদ্ধান্ত এবং তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের মাধ্যমে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে মোবাইল চুরির ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে আটক ও চুরি যাওয়া ফোন উদ্ধারের ঘটনাটি জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার সদস্যদের দায়িত্বশীল ও প্রশংসনীয় ভূমিকার একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত।















