আজ সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৬ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ০৮ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
২৯°C
সর্বোচ্চ: ৩৬°C
সর্বনিম্ন: ২৭°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৪৫%

কালকিনিতে এছাহাক হত্যা মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ ও সংবাদ সম্মেলন

  • MIT ERP
  • Update Time : 08:37:21 pm, Monday, 21 September 2026
  • 13

কালকিনিতে এছাহাক হত্যা মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ ও সংবাদ সম্মেলন

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

মাদারীপুরের কালকিনিতে মো. এছাহাক সরদার (৭৫) হত্যা মামলার বাকি আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কালকিনি পৌরসভার উত্তর জনারদন্দী গ্রামে নিহতের বাড়ির সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালন করা হয়। নিহতের পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা যায়, উত্তর জনারদন্দী গ্রামের নশাই সরদারের ছেলে এছাহাক সরদারের সঙ্গে একই এলাকার ঝালু মোল্লার দীর্ঘদিন ধরে পূর্বশত্রুতা চলে আসছিল। গত ২২ আগস্ট রাতে এছাহাক পাশের দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে কয়েকজন তার পথরোধ করেন।

এ সময় ঝালু মোল্লার নেতৃত্বে মো. তুহিন মোল্লা, পারভেজ মোল্লা, রবিউল মোল্লা, লিমন মোল্লাসহ কয়েকজন তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন এবং দুই পায়ের রগ কেটে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কালকিনি থানায় হত্যা মামলা করা হয়। মামলার প্রধান আসামি তুহিন মোল্লাকে রাজধানী ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে মামলার বাকি আসামিরা এখনও গ্রেপ্তার না হওয়ায় তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। বিক্ষোভ কর্মসূচিতে আলাউদ্দিন সরদার, সাবেক কাউন্সিলর ইয়াসমিন খানম, ইসমাইল ও নিহতের মেয়ে মোসা. ফাহিমা বেগম বক্তব্য দেন।

বক্তারা বলেন, এছাহাক সরদার হত্যার সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। আমরা এ হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। অভিযুক্ত ঝালু মোল্লার বক্তব্য জানতে এলাকায় ও মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। কালকিনি থানার ওসি জহিরুল আলম বলেন, এছাহাক হত্যা মামলার প্রধান আসামি তুহিন মোল্লাকে পলাতক অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে জোর চেষ্টা চলছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

মরিয়মের মৃত্যু: গাজী নজরুলের বিচার দাবিতে কুশপুত্তলিকা দাহ

কালকিনিতে এছাহাক হত্যা মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ ও সংবাদ সম্মেলন

Update Time : 08:37:21 pm, Monday, 21 September 2026

মাদারীপুরের কালকিনিতে মো. এছাহাক সরদার (৭৫) হত্যা মামলার বাকি আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কালকিনি পৌরসভার উত্তর জনারদন্দী গ্রামে নিহতের বাড়ির সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালন করা হয়। নিহতের পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা যায়, উত্তর জনারদন্দী গ্রামের নশাই সরদারের ছেলে এছাহাক সরদারের সঙ্গে একই এলাকার ঝালু মোল্লার দীর্ঘদিন ধরে পূর্বশত্রুতা চলে আসছিল। গত ২২ আগস্ট রাতে এছাহাক পাশের দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে কয়েকজন তার পথরোধ করেন।

এ সময় ঝালু মোল্লার নেতৃত্বে মো. তুহিন মোল্লা, পারভেজ মোল্লা, রবিউল মোল্লা, লিমন মোল্লাসহ কয়েকজন তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন এবং দুই পায়ের রগ কেটে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কালকিনি থানায় হত্যা মামলা করা হয়। মামলার প্রধান আসামি তুহিন মোল্লাকে রাজধানী ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে মামলার বাকি আসামিরা এখনও গ্রেপ্তার না হওয়ায় তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। বিক্ষোভ কর্মসূচিতে আলাউদ্দিন সরদার, সাবেক কাউন্সিলর ইয়াসমিন খানম, ইসমাইল ও নিহতের মেয়ে মোসা. ফাহিমা বেগম বক্তব্য দেন।

বক্তারা বলেন, এছাহাক সরদার হত্যার সঙ্গে জড়িত সব আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। আমরা এ হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। অভিযুক্ত ঝালু মোল্লার বক্তব্য জানতে এলাকায় ও মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। কালকিনি থানার ওসি জহিরুল আলম বলেন, এছাহাক হত্যা মামলার প্রধান আসামি তুহিন মোল্লাকে পলাতক অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে জোর চেষ্টা চলছে।