আজ মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৭ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ০৯ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
৩৪°C
সর্বোচ্চ: ৩৪°C
সর্বনিম্ন: ২৮°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৯৫%

ঝুঁকিতে ধনবাড়ী-বাজিতপুর সড়ক

  • MIT ERP
  • Update Time : 04:11:24 am, Sunday, 2 August 2026
  • 51
Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার বীরতারা ইউনিয়নের বাজিতপুর পাগলাবাড়ী মোড় থেকে বাজিতপুর (শ্যামলার চর) দক্ষিণপাড়া পর্যন্ত সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি অনুমতি ছাড়াই অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খননের ফলে সড়কের একাংশ ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে। পাশাপাশি সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে চলাচল দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। সরেজমিনে দেখা যায়, বাজিতপুর-ধনবাড়ী সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করে। ট্রাক, সিএনজি অটোরিকশা, লেগুনা, নসিমন, করিমন, ভ্যান, রিকশাসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। তবে সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে এবং পণ্য পরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে। কদমতলী বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুবীন হাসান, সাইদুর, রিয়া মনি, তানজিলসহ কয়েকজন জানান, বৃষ্টির সময় সড়ক কাদায় পরিণত হয়। তখন হেঁটেও চলাচল করা কষ্টকর হয়ে পড়ে। তারা দ্রুত সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানান। স্থানীয় বাসিন্দা সাইদুর রহমান, শফিকুল ইসলাম, সিরাজ, ফজলুল, আবদুল বারেক, খলিলুর রহমান, সাদ্দাম হোসেন ও আল ফরিদসহ অনেকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি পাকাকরণের আশ্বাস মিললেও বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি। তাদের অভিযোগ, স্থানীয় এক ব্যক্তি সরকারি অনুমতি ছাড়াই প্রায় ১৫ বিঘা জমিতে গভীর পুকুর খনন করেছেন। এতে সড়কের পাশের মাটি দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং সড়কটি ধীরে ধীরে পুকুরের দিকে ধসে যাচ্ছে। এ ছাড়া পুকুর খননের সময় সড়কের পাশের কয়েকটি বড় গাছও কেটে ফেলা হয়েছে বলে তারা দাবি করেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাদের আরও অভিযোগ, বৃষ্টি হলে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ফলে ধনবাড়ী শহরে যেতে প্রায় আট কিলোমিটার ঘুরে রাজারহাট অথবা বানিয়াজান বাসস্ট্যান্ড হয়ে যেতে হয়। এতে সময় ও যাতায়াত ব্যয় দুই-ই বেড়ে যায়। এলাকাবাসী দ্রুত সড়কটির সংস্কার ও পাকাকরণের পাশাপাশি অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশল অফিসের উপসহকারী প্রকৌশলী মানস কুমার সাহা বলেন, ‘বাজিতপুর-কদমতলী সড়কটি পাকাকরণের জন্য ইতোমধ্যে পরিমাপের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।’

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নওফেলের স্ত্রী ইমা ক্লেয়ার বার্টনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

ঝুঁকিতে ধনবাড়ী-বাজিতপুর সড়ক

Update Time : 04:11:24 am, Sunday, 2 August 2026

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার বীরতারা ইউনিয়নের বাজিতপুর পাগলাবাড়ী মোড় থেকে বাজিতপুর (শ্যামলার চর) দক্ষিণপাড়া পর্যন্ত সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি অনুমতি ছাড়াই অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খননের ফলে সড়কের একাংশ ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে। পাশাপাশি সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে চলাচল দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। সরেজমিনে দেখা যায়, বাজিতপুর-ধনবাড়ী সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করে। ট্রাক, সিএনজি অটোরিকশা, লেগুনা, নসিমন, করিমন, ভ্যান, রিকশাসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। তবে সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে এবং পণ্য পরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে। কদমতলী বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুবীন হাসান, সাইদুর, রিয়া মনি, তানজিলসহ কয়েকজন জানান, বৃষ্টির সময় সড়ক কাদায় পরিণত হয়। তখন হেঁটেও চলাচল করা কষ্টকর হয়ে পড়ে। তারা দ্রুত সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানান। স্থানীয় বাসিন্দা সাইদুর রহমান, শফিকুল ইসলাম, সিরাজ, ফজলুল, আবদুল বারেক, খলিলুর রহমান, সাদ্দাম হোসেন ও আল ফরিদসহ অনেকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি পাকাকরণের আশ্বাস মিললেও বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি। তাদের অভিযোগ, স্থানীয় এক ব্যক্তি সরকারি অনুমতি ছাড়াই প্রায় ১৫ বিঘা জমিতে গভীর পুকুর খনন করেছেন। এতে সড়কের পাশের মাটি দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং সড়কটি ধীরে ধীরে পুকুরের দিকে ধসে যাচ্ছে। এ ছাড়া পুকুর খননের সময় সড়কের পাশের কয়েকটি বড় গাছও কেটে ফেলা হয়েছে বলে তারা দাবি করেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাদের আরও অভিযোগ, বৃষ্টি হলে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ফলে ধনবাড়ী শহরে যেতে প্রায় আট কিলোমিটার ঘুরে রাজারহাট অথবা বানিয়াজান বাসস্ট্যান্ড হয়ে যেতে হয়। এতে সময় ও যাতায়াত ব্যয় দুই-ই বেড়ে যায়। এলাকাবাসী দ্রুত সড়কটির সংস্কার ও পাকাকরণের পাশাপাশি অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশল অফিসের উপসহকারী প্রকৌশলী মানস কুমার সাহা বলেন, ‘বাজিতপুর-কদমতলী সড়কটি পাকাকরণের জন্য ইতোমধ্যে পরিমাপের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।’