আজ বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৫ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
৩৩°C
সর্বোচ্চ: ৩৫°C
সর্বনিম্ন: ২৮°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৪১%

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেল নিয়ে মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য

  • MIT ERP
  • Update Time : 04:55:53 pm, Wednesday, 30 September 2026
  • 11

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেল নিয়ে মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তির জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন জারির কথা জানিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত জনবলের নতুন পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত হতে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারির প্রয়োজন হবে না বলে জানা গেছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, অর্থ এবং শিক্ষার উচ্চপর্যায়ের দুই কর্মকর্তার মধ্যে মঙ্গলবার দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। সেই আলোচনায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করতে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করার প্রয়োজন নেই বলে মত দিয়েছেন অর্থ বিভাগের ওই কর্মকর্তা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে যে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করতে পৃথক প্রজ্ঞাপনের প্রয়োজন হবে না।

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ঘোষিত গেজেটই এমপিওভুক্ত জনবলের জন্য প্রযোজ্য হবে। অতীতে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য পৃথক গেজেট জারি হয়েছে। এ ছাড়া এমপিওভুক্ত জনবল সরকারি চাকরিজীবীদের ন্যায় ভাতা পান না। এ বিষয়গুলো কীভাবে সমাধান হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, তাদের বেতন বৃদ্ধি হবে। ভাতাগুলো আগের মতোই থাকবে।

বিষয়গুলো নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কাজ করবে। নতুন জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন কীভাবে নির্ধারিত হবে, তা নিয়ে অনেকের মধ্যেই হিসাব-নিকাশ চলছে। নতুন বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে মূলত একজন কর্মচারীর ৩০ জুনের মূল বেতন, বর্তমান গ্রেড এবং নতুন বেতন কাঠামোয় সংশ্লিষ্ট গ্রেডের নির্ধারিত স্কেলের তথ্যগুলো প্রয়োজন হবে।

নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপনে বেতন নির্ধারণের জন্য দুটি পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে। পুরোনো বেতন স্কেলের একেবারে শুরুতে থাকা কর্মচারীদের ক্ষেত্রে হিসাব অপেক্ষাকৃত সহজ। আর যারা স্কেলের মাঝামাঝি বা ওপরের কোনো ধাপে বেতন পাচ্ছেন, তাদের ক্ষেত্রে পুরোনো স্কেলের শুরু থেকে বর্তমান বেতনের ব্যবধান হিসাব করে নতুন স্কেলে তা সমন্বয় করতে হবে।

কোনো কর্মচারী যদি ৩০ জুন পর্যন্ত তার বর্তমান বেতন স্কেলের সর্বনিম্ন বা প্রারম্ভিক ধাপে বেতন পেয়ে থাকেন, তাহলে নতুন বেতন কাঠামোয় সংশ্লিষ্ট গ্রেডের প্রারম্ভিক ধাপেই তার বেতন নির্ধারণ করা হবে। ধরা যাক, ১৬তম গ্রেডের একজন কর্মচারী ৯ হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা বেতন স্কেলের শুরুতে ৯ হাজার ৩০০ টাকা মূল বেতন পেতেন। নতুন বেতন কাঠামোয় ১৬তম গ্রেডের স্কেল যদি ২১ হাজার ৯০০ থেকে ৫২ হাজার ৯০০ টাকা নির্ধারিত হয়, তাহলে ওই কর্মচারীর নতুন মূল বেতন হবে ২১ হাজার ৯০০ টাকা।

অর্থাৎ পুরোনো স্কেলের সর্বনিম্ন ধাপে থাকা কর্মচারীর ক্ষেত্রে পুরোনো বেতন ও নতুন বেতন স্কেলের শুরুর ধাপের মধ্যে সরাসরি সমন্বয় করা হবে। কোনো কর্মচারী যদি তার বর্তমান বেতন স্কেলের সর্বনিম্ন ধাপের চেয়ে বেশি বেতন পেয়ে থাকেন, তাহলে নতুন বেতন নির্ধারণের জন্য প্রথমে পুরোনো স্কেলের প্রারম্ভিক বেতন এবং তার বর্তমান মূল বেতনের মধ্যে ব্যবধান বের করতে হবে।

এরপর সেই ব্যবধান নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬-এ তার জন্য নির্ধারিত সংশ্লিষ্ট স্কেলের প্রারম্ভিক বেতনের সঙ্গে যোগ করতে হবে। হিসাবের পর পাওয়া অর্থ যদি নতুন স্কেলের কোনো নির্ধারিত ধাপের সঙ্গে মিলে যায়, তাহলে সেই ধাপেই নতুন মূল বেতন নির্ধারিত হবে। আর হিসাবের অঙ্কটি যদি কোনো নির্ধারিত ধাপে না মেলে, তাহলে তার চেয়ে পরবর্তী উচ্চতর ধাপটি নিতে হবে।

ধরা যাক, ৩০ জুন পর্যন্ত একজন কর্মচারীর ইনক্রিমেন্টসহ মূল বেতন ছিল ১৩ হাজার ৭৯০ টাকা। তার পুরোনো বেতন স্কেল ছিল ১২ হাজার ৫০০ থেকে শুরু হয়ে ১৩ হাজার ১৩০, ১৩ হাজার ৭৯০ টাকা এবং পরবর্তী ধাপগুলোতে বৃদ্ধি পেয়ে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার ২৩০ টাকা পর্যন্ত। নতুন বেতন কাঠামোয় তার সংশ্লিষ্ট স্কেল ধরা হলো ২৫ হাজার থেকে শুরু হয়ে ২৬ হাজার ৩০০ টাকা, পরবর্তী ধাপগুলো অতিক্রম করে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত।

এখন প্রথমে পুরোনো স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপ থেকে তার বর্তমান মূল বেতনের পার্থক্য বের করতে হবে। ১৩,৭৯০ – ১২,৫০০ = ১,২৯০ টাকা। অর্থাৎ পুরোনো স্কেলের শুরু থেকে তার বর্তমান বেতন ১ হাজার ২৯০ টাকা বেশি। এবার এই ব্যবধান নতুন স্কেলের প্রারম্ভিক বেতনের সঙ্গে যোগ করতে হবে। ২৫,০০০ + ১,২৯০ = ২৬,২৯০ টাকা। কিন্তু নতুন বেতন স্কেলে ২৬ হাজার ২৯০ টাকা নামে কোনো নির্ধারিত ধাপ নেই।

সে ক্ষেত্রে কর্মচারীর বেতন ঠিক ২৬ হাজার ২৯০ টাকা করা হবে না; বরং এর পরের উচ্চতর নির্ধারিত ধাপে বেতন নির্ধারণ করা হবে। অর্থাৎ তার নতুন মূল বেতন হবে ২৬ হাজার ৩০০ টাকা। একজন চাকরিজীবী নিজের নতুন মূল বেতন হিসাব করতে চাইলে প্রথমে তিনটি বিষয় নিশ্চিত করতে হবে। সেগুলো হলো- ৩০ জুন তার মূল বেতন কত ছিল; তিনি কোন গ্রেডে কর্মরত ছিলেন এবং জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬-এ তার গ্রেডের জন্য নির্ধারিত নতুন বেতন স্কেল কত।

এরপর দেখতে হবে তিনি পুরোনো স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপে ছিলেন কি না। থাকলে নতুন স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপই হবে তার নতুন মূল বেতন। আর প্রারম্ভিক ধাপের চেয়ে বেশি বেতন পেলে পুরোনো স্কেলের শুরু থেকে বর্তমান বেতনের ব্যবধান বের করে সেটি নতুন স্কেলের শুরুতে যোগ করতে হবে। পাওয়া অঙ্কটি নির্ধারিত কোনো ধাপে না থাকলে পরবর্তী উচ্চতর ধাপ গ্রহণ করতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

ঠিকাদারের গাফিলতিতে ছয় বছর ধরে আটকে আছে ২০ কোটি টাকার সেতুর নির্মাণকাজ

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেল নিয়ে মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য

Update Time : 04:55:53 pm, Wednesday, 30 September 2026

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তির জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন জারির কথা জানিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত জনবলের নতুন পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত হতে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারির প্রয়োজন হবে না বলে জানা গেছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, অর্থ এবং শিক্ষার উচ্চপর্যায়ের দুই কর্মকর্তার মধ্যে মঙ্গলবার দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। সেই আলোচনায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করতে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করার প্রয়োজন নেই বলে মত দিয়েছেন অর্থ বিভাগের ওই কর্মকর্তা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে যে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত করতে পৃথক প্রজ্ঞাপনের প্রয়োজন হবে না।

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ঘোষিত গেজেটই এমপিওভুক্ত জনবলের জন্য প্রযোজ্য হবে। অতীতে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য পৃথক গেজেট জারি হয়েছে। এ ছাড়া এমপিওভুক্ত জনবল সরকারি চাকরিজীবীদের ন্যায় ভাতা পান না। এ বিষয়গুলো কীভাবে সমাধান হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, তাদের বেতন বৃদ্ধি হবে। ভাতাগুলো আগের মতোই থাকবে।

বিষয়গুলো নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কাজ করবে। নতুন জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন কীভাবে নির্ধারিত হবে, তা নিয়ে অনেকের মধ্যেই হিসাব-নিকাশ চলছে। নতুন বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে মূলত একজন কর্মচারীর ৩০ জুনের মূল বেতন, বর্তমান গ্রেড এবং নতুন বেতন কাঠামোয় সংশ্লিষ্ট গ্রেডের নির্ধারিত স্কেলের তথ্যগুলো প্রয়োজন হবে।

নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপনে বেতন নির্ধারণের জন্য দুটি পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে। পুরোনো বেতন স্কেলের একেবারে শুরুতে থাকা কর্মচারীদের ক্ষেত্রে হিসাব অপেক্ষাকৃত সহজ। আর যারা স্কেলের মাঝামাঝি বা ওপরের কোনো ধাপে বেতন পাচ্ছেন, তাদের ক্ষেত্রে পুরোনো স্কেলের শুরু থেকে বর্তমান বেতনের ব্যবধান হিসাব করে নতুন স্কেলে তা সমন্বয় করতে হবে।

কোনো কর্মচারী যদি ৩০ জুন পর্যন্ত তার বর্তমান বেতন স্কেলের সর্বনিম্ন বা প্রারম্ভিক ধাপে বেতন পেয়ে থাকেন, তাহলে নতুন বেতন কাঠামোয় সংশ্লিষ্ট গ্রেডের প্রারম্ভিক ধাপেই তার বেতন নির্ধারণ করা হবে। ধরা যাক, ১৬তম গ্রেডের একজন কর্মচারী ৯ হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা বেতন স্কেলের শুরুতে ৯ হাজার ৩০০ টাকা মূল বেতন পেতেন। নতুন বেতন কাঠামোয় ১৬তম গ্রেডের স্কেল যদি ২১ হাজার ৯০০ থেকে ৫২ হাজার ৯০০ টাকা নির্ধারিত হয়, তাহলে ওই কর্মচারীর নতুন মূল বেতন হবে ২১ হাজার ৯০০ টাকা।

অর্থাৎ পুরোনো স্কেলের সর্বনিম্ন ধাপে থাকা কর্মচারীর ক্ষেত্রে পুরোনো বেতন ও নতুন বেতন স্কেলের শুরুর ধাপের মধ্যে সরাসরি সমন্বয় করা হবে। কোনো কর্মচারী যদি তার বর্তমান বেতন স্কেলের সর্বনিম্ন ধাপের চেয়ে বেশি বেতন পেয়ে থাকেন, তাহলে নতুন বেতন নির্ধারণের জন্য প্রথমে পুরোনো স্কেলের প্রারম্ভিক বেতন এবং তার বর্তমান মূল বেতনের মধ্যে ব্যবধান বের করতে হবে।

এরপর সেই ব্যবধান নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬-এ তার জন্য নির্ধারিত সংশ্লিষ্ট স্কেলের প্রারম্ভিক বেতনের সঙ্গে যোগ করতে হবে। হিসাবের পর পাওয়া অর্থ যদি নতুন স্কেলের কোনো নির্ধারিত ধাপের সঙ্গে মিলে যায়, তাহলে সেই ধাপেই নতুন মূল বেতন নির্ধারিত হবে। আর হিসাবের অঙ্কটি যদি কোনো নির্ধারিত ধাপে না মেলে, তাহলে তার চেয়ে পরবর্তী উচ্চতর ধাপটি নিতে হবে।

ধরা যাক, ৩০ জুন পর্যন্ত একজন কর্মচারীর ইনক্রিমেন্টসহ মূল বেতন ছিল ১৩ হাজার ৭৯০ টাকা। তার পুরোনো বেতন স্কেল ছিল ১২ হাজার ৫০০ থেকে শুরু হয়ে ১৩ হাজার ১৩০, ১৩ হাজার ৭৯০ টাকা এবং পরবর্তী ধাপগুলোতে বৃদ্ধি পেয়ে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার ২৩০ টাকা পর্যন্ত। নতুন বেতন কাঠামোয় তার সংশ্লিষ্ট স্কেল ধরা হলো ২৫ হাজার থেকে শুরু হয়ে ২৬ হাজার ৩০০ টাকা, পরবর্তী ধাপগুলো অতিক্রম করে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত।

এখন প্রথমে পুরোনো স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপ থেকে তার বর্তমান মূল বেতনের পার্থক্য বের করতে হবে। ১৩,৭৯০ – ১২,৫০০ = ১,২৯০ টাকা। অর্থাৎ পুরোনো স্কেলের শুরু থেকে তার বর্তমান বেতন ১ হাজার ২৯০ টাকা বেশি। এবার এই ব্যবধান নতুন স্কেলের প্রারম্ভিক বেতনের সঙ্গে যোগ করতে হবে। ২৫,০০০ + ১,২৯০ = ২৬,২৯০ টাকা। কিন্তু নতুন বেতন স্কেলে ২৬ হাজার ২৯০ টাকা নামে কোনো নির্ধারিত ধাপ নেই।

সে ক্ষেত্রে কর্মচারীর বেতন ঠিক ২৬ হাজার ২৯০ টাকা করা হবে না; বরং এর পরের উচ্চতর নির্ধারিত ধাপে বেতন নির্ধারণ করা হবে। অর্থাৎ তার নতুন মূল বেতন হবে ২৬ হাজার ৩০০ টাকা। একজন চাকরিজীবী নিজের নতুন মূল বেতন হিসাব করতে চাইলে প্রথমে তিনটি বিষয় নিশ্চিত করতে হবে। সেগুলো হলো- ৩০ জুন তার মূল বেতন কত ছিল; তিনি কোন গ্রেডে কর্মরত ছিলেন এবং জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬-এ তার গ্রেডের জন্য নির্ধারিত নতুন বেতন স্কেল কত।

এরপর দেখতে হবে তিনি পুরোনো স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপে ছিলেন কি না। থাকলে নতুন স্কেলের প্রারম্ভিক ধাপই হবে তার নতুন মূল বেতন। আর প্রারম্ভিক ধাপের চেয়ে বেশি বেতন পেলে পুরোনো স্কেলের শুরু থেকে বর্তমান বেতনের ব্যবধান বের করে সেটি নতুন স্কেলের শুরুতে যোগ করতে হবে। পাওয়া অঙ্কটি নির্ধারিত কোনো ধাপে না থাকলে পরবর্তী উচ্চতর ধাপ গ্রহণ করতে হবে।