আজ বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৪ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
২৯°C
সর্বোচ্চ: ৩৫°C
সর্বনিম্ন: ২৭°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৩৯%

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিলের নতুন লড়াই ও কার্লো আনচেলত্তির কৌশল

  • MIT ERP
  • Update Time : 12:35:48 am, Wednesday, 30 September 2026
  • 10

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিলের নতুন লড়াই ও কার্লো আনচেলত্তির কৌশল

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজের প্রথমটিতে শেষ মুহূর্তের গোলে ১-১ ব্যবধানে ড্র করেছিল ব্রাজিল। সেই ম্যাচের পর সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তবে সমালোচনায় নিজের পরিকল্পনা বদলাবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়েছিলেন তিনি।

দ্বিতীয় ম্যাচে দল নিয়ে আবারও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন আনচেলত্তি। একাদশে আনেন সাতটি পরিবর্তন। এবার অবশ্য কোচকে হতাশ করেননি ব্রাজিলের খেলোয়াড়রা। দুই গোল হজম করলেও চার গোল করে অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সানকর্প স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ব্রাজিল। তৃতীয় মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা।

একের পর এক ওয়ান-টাচ পাসের পর বল পেয়ে দূরপাল্লার দুর্দান্ত ডিপিং শটে অস্ট্রেলিয়ার জালে বল পাঠান ভান্ডারসন। গোল খেয়েও অবশ্য ম্যাচে ফিরতে সময় নেয়নি অস্ট্রেলিয়া। ধীরে ধীরে পাসিংয়ে গতি বাড়িয়ে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করে সকারুজরা। দুই প্রান্ত দিয়েও ব্রাজিলের রক্ষণে চাপ তৈরি করতে থাকে তারা। ২৮ মিনিটে সেই চাপের ফল আসে।

মেটকালফের বাঁকানো কর্নার থেকে পাওয়া বলে গোল করে অস্ট্রেলিয়াকে সমতায় ফেরান সিরকাতি। এর পাঁচ মিনিট পরই ম্যাচে প্রথমবারের মতো এগিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ৩৩ মিনিটে কয়েকটি চমৎকার পাসের সমন্বয়ে ব্রাজিলের রক্ষণে ফাঁক তৈরি হয়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন মেটকালফ। প্রথমার্ধের শেষ দিকে অবশ্য আবারও সমতায় ফেরে ব্রাজিল। যোগ করা সময়ে ডি-বক্সে দানিলোকে ফাউল করেন হ্যারি সাউটার।

পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পটকিক থেকে গোল করে ২-২ সমতা ফেরান রাফিনহা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই রাফিনহাকে তুলে এনদ্রিককে মাঠে নামান আনচেলত্তি। মাঠে নেমেই প্রভাব ফেলতে শুরু করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। ৫৫ মিনিটে তার তৈরি করা আক্রমণ থেকে গোলের সুযোগ পেয়েছিল ব্রাজিল। তবে শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণ তা সামলে নেয়। ৬৯ মিনিটে আবারও এগিয়ে যায় ব্রাজিল।

মাঝমাঠ থেকে পাওয়া দুর্দান্ত পাস ধরে বক্সের বাঁ দিক থেকে এনদ্রিকের কাট-ব্যাক পৌঁছে যায় অধিনায়ক ব্রুনো গিমারায়েসের কাছে। জোরালো শটে বল জালে পাঠিয়ে ব্রাজিলকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি। এর প্রায় ১০ মিনিট পর আবারও পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। অস্ট্রেলিয়ার দুই খেলোয়াড়ের মাঝ দিয়ে বক্সে ঢোকার সময় ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে ফেলে দেন প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়।

রেফারি ব্রাজিলের পক্ষে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। স্পটকিকে স্টাটার-স্টেপ রান-আপ নেন ভিনিসিয়ুস। এরপর গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচের ডাইভের নিচ দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে ব্রাজিলের ব্যবধান ৪-২ করেন রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হলে ৪-২ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে আনচেলত্তির দল। প্রথম ম্যাচের হতাশা কাটিয়ে দ্বিতীয় ম্যাচে শক্তিশালী প্রত্যাবর্তন করল ব্রাজিল।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

নাটোরের গুরুদাসপুরে ইউপি চেয়ারম্যান দোলনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের লিখিত অভিযোগ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিলের নতুন লড়াই ও কার্লো আনচেলত্তির কৌশল

Update Time : 12:35:48 am, Wednesday, 30 September 2026

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজের প্রথমটিতে শেষ মুহূর্তের গোলে ১-১ ব্যবধানে ড্র করেছিল ব্রাজিল। সেই ম্যাচের পর সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তবে সমালোচনায় নিজের পরিকল্পনা বদলাবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়েছিলেন তিনি।

দ্বিতীয় ম্যাচে দল নিয়ে আবারও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন আনচেলত্তি। একাদশে আনেন সাতটি পরিবর্তন। এবার অবশ্য কোচকে হতাশ করেননি ব্রাজিলের খেলোয়াড়রা। দুই গোল হজম করলেও চার গোল করে অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সানকর্প স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ব্রাজিল। তৃতীয় মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা।

একের পর এক ওয়ান-টাচ পাসের পর বল পেয়ে দূরপাল্লার দুর্দান্ত ডিপিং শটে অস্ট্রেলিয়ার জালে বল পাঠান ভান্ডারসন। গোল খেয়েও অবশ্য ম্যাচে ফিরতে সময় নেয়নি অস্ট্রেলিয়া। ধীরে ধীরে পাসিংয়ে গতি বাড়িয়ে মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করে সকারুজরা। দুই প্রান্ত দিয়েও ব্রাজিলের রক্ষণে চাপ তৈরি করতে থাকে তারা। ২৮ মিনিটে সেই চাপের ফল আসে।

মেটকালফের বাঁকানো কর্নার থেকে পাওয়া বলে গোল করে অস্ট্রেলিয়াকে সমতায় ফেরান সিরকাতি। এর পাঁচ মিনিট পরই ম্যাচে প্রথমবারের মতো এগিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ৩৩ মিনিটে কয়েকটি চমৎকার পাসের সমন্বয়ে ব্রাজিলের রক্ষণে ফাঁক তৈরি হয়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন মেটকালফ। প্রথমার্ধের শেষ দিকে অবশ্য আবারও সমতায় ফেরে ব্রাজিল। যোগ করা সময়ে ডি-বক্সে দানিলোকে ফাউল করেন হ্যারি সাউটার।

পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পটকিক থেকে গোল করে ২-২ সমতা ফেরান রাফিনহা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই রাফিনহাকে তুলে এনদ্রিককে মাঠে নামান আনচেলত্তি। মাঠে নেমেই প্রভাব ফেলতে শুরু করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। ৫৫ মিনিটে তার তৈরি করা আক্রমণ থেকে গোলের সুযোগ পেয়েছিল ব্রাজিল। তবে শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণ তা সামলে নেয়। ৬৯ মিনিটে আবারও এগিয়ে যায় ব্রাজিল।

মাঝমাঠ থেকে পাওয়া দুর্দান্ত পাস ধরে বক্সের বাঁ দিক থেকে এনদ্রিকের কাট-ব্যাক পৌঁছে যায় অধিনায়ক ব্রুনো গিমারায়েসের কাছে। জোরালো শটে বল জালে পাঠিয়ে ব্রাজিলকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি। এর প্রায় ১০ মিনিট পর আবারও পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। অস্ট্রেলিয়ার দুই খেলোয়াড়ের মাঝ দিয়ে বক্সে ঢোকার সময় ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে ফেলে দেন প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়।

রেফারি ব্রাজিলের পক্ষে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। স্পটকিকে স্টাটার-স্টেপ রান-আপ নেন ভিনিসিয়ুস। এরপর গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচের ডাইভের নিচ দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে ব্রাজিলের ব্যবধান ৪-২ করেন রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হলে ৪-২ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে আনচেলত্তির দল। প্রথম ম্যাচের হতাশা কাটিয়ে দ্বিতীয় ম্যাচে শক্তিশালী প্রত্যাবর্তন করল ব্রাজিল।