আধুনিক প্রজন্মের প্রেমের গল্পে ৯০ দশকের ভালোবাসার আবেগ, অপেক্ষা ও আন্তরিকতার ছোঁয়া নিয়ে নির্মিত হয়েছে রোম্যান্টিক-কমেডি ওয়েব ফিল্ম ‘মিশন ডিডিএলজে’। কমেডি, রোম্যান্স ও ফ্যামিলি ড্রামার মিশেলে নির্মিত এই ওয়েব ফিল্মটি পরিচালনা করেছেন আসিফ জাহাঙ্গীর অর্ক।
গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ওয়েব ফিল্মটির জাঁকজমকপূর্ণ এক প্রিমিয়ার হয়েছে রাজধানীর বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্স। যেখানে এর কলাকুশলীরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শোবিজের অনেক তারকা। গতকাল থেকে আইস্ক্রিনে দেখা যাচ্ছে মিশন ডিডিএলজে। এর প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাদ নাওভী ও লাবণ্য চৌধুরী। ওয়েব ফিল্মটির গল্পে দেখা গেছে, ধ্রুব ও দিয়ার প্রেমের যাত্রা।
আধুনিক সময়ের এই জুটি ৯০ দশকের একটি প্রেম কাহিনির মূল্যবোধ ও আবেগ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেদের ভালোবাসার গল্প গড়ে তুলতে চায়। সেই যাত্রায় বাধা-বিপত্তি, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং প্রেমের নানা রঙ নিয়েই এগিয়ে যায় ‘মিশন ডিডিএলজে’-এর গল্প। গল্পের পরতে পরতে রয়েছে বেশ কিছু টুইস্ট। প্রেম, হাস্যরস, বন্ধুত্ব, পারিবারিক সম্পর্ক ও নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে তৈরি হয়েছে একটি ফিল-গুড রোম্যান্টিক কমেডি অভিজ্ঞতা, প্রিমিয়ার শেষে আগত অতিথি ও তারকারা এমনটাই জানান।
ধ্রুব চরিত্রে অভিনয় করা সাদ নাওভী বলেন, ‘কমেডি, রোম্যান্স ও ফ্যামিলি ড্রামার একটি দারুণ কম্বিনেশন ‘মিশন ডিডিএলজে’। এটি একটি ফিল-গুড গল্প। ক্লাসিক ধাঁচের একটি চরিত্রকে নিজের মতো করে আয়ত্ত করতে পারাটা তার জন্য দারুণ এক অনুভূতি। চরিত্রটির সঙ্গে নিজেকে মিশিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা বিশেষ ভালো লাগা দিয়েছে। ’ দিয়া চরিত্রে অভিনয় করা লাবণ্য জানান, এই কাজের অভিজ্ঞতা তার জন্য ছিল দারুণ।
তিনি বলেন, ‘৯০ দশকের প্রেমের গল্প আমার ব্যক্তিগতভাবেই খুব পছন্দ। তাই চরিত্রটি ধারণ করতে খুব বেশি প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়নি। তবে কিছু রিহার্সাল করতে হয়েছে। নাওভির সঙ্গে প্রথমবার জুটি গড়ে কাজের অভিজ্ঞতা দারুণ ছিল। আমি বিশ্বাস করি, বর্তমান প্রজন্মও গল্পটি উপভোগ করবে এবং নিজেদের প্রেমে সেই আবেগের ছায়া খুঁজে পাবে।
’ ওয়েব ফিল্মটির নির্মাতা আসিফ জাহাঙ্গীর অর্ক বলেন, ‘আমি যেহেতু ৮০ দশকে জন্ম এবং ৯০ দশকের রোমান্টিক গল্পগুলো দেখে বড় হওয়া, আমার চেষ্টা ছিল ৯০ দশকের ক্লাসিক লাভ স্টোরির মূল্যবোধ ও অনুভূতিকে বর্তমান প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরা। গল্প ও চরিত্রগুলো আধুনিক, কিন্তু তারা ৯০ দশকের প্রেমের গল্প থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেদের ভালোবাসার গল্প গড়ে তুলতে চায়।
তাই এটি একদিকে আধুনিক, অন্যদিকে নস্টালজিক। ’ নির্মাতার ভাষ্য অনুযায়ী, গল্পটি কোনো প্রচলিত বা টিপিক্যাল প্রেমের গল্প নয়। পুরোনো দিনের আবেগকে আধুনিক সময়ের বাস্তবতার সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করা হয়েছে ভিন্নধর্মী উপস্থাপনা। ওয়েব ফিল্মটিতে রয়েছে দুটি গানÑএকটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানের এবং অন্যটি রোমান্টিক ঘরানার। ওয়েব ফিল্মটির অন্যান্য চরিত্রে আরো অভিনয় করেছেন আরমান বিন মাহমুদ, সাদিয়া ইসলাম জুই, শওকত শোভন, মাসুদ মহিউদ্দিন, শেখ স্বপ্না, শারমিন সুলতানা শর্মী, নিয়ন আহসান ও আসিফ জাহাঙ্গীর অর্ক।
গল্প রচনা করেছেন আসিফ জাহাঙ্গীর অর্ক ও এম কে এ তুষার এবং চিত্রনাট্য লিখেছেন আজহারুল ইসলাম অভি ও আসিফ জাহাঙ্গীর অর্ক।



















